বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৫ পি.এম
দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গ্ল্যামার দিয়ে ভক্তদের আকৃষ্ট করেন প্রায়ই। এবার তিনি ভক্তদেরকে সরাসরি কফি খাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন। তবে এতে একটি বিশেষ শর্ত রয়েছে— কফির বিল দিতে হবে ভক্তকেই।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফেসবুকে নিজের কফি খাওয়ার মুহূর্তের কিছু ছবি প্রকাশ করে এই আমন্ত্রণ জানান জয়া। ছবিগুলোতে তাকে একটি নজরকাড়া লুকে দেখা যায়। সাদা রঙের পোশাক পরিহিত জয়ার লুকটি ছিল ক্যাজুয়াল, তবে তার গ্ল্যামারের কোনো অভাব ছিল না।
কখনও মৃদু হাসি দিয়ে কফির কাপ ঠোঁটের কাছে নিচ্ছেন, আবার কখনও মিষ্টি চোখে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে; এভাবেই ছবিগুলোতে পোজ দিয়েছেন তিনি। তার এমন সুন্দর মুহূর্তের সঙ্গ কে না চাইবে? এই ভাবনা থেকেই হয়তো এবার সোজাসুজি ভক্তদের নিমন্ত্রণ জানালেন এই অভিনেত্রী।
ছবির ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘কফি খাবে কেউ!! বিলটা নিজের, সঙ্গটা আমার!’
তার এই মজার পোস্টটিতে মুহূর্তের মধ্যে ভক্তদের মধ্যে সাড়া পড়ে গেছে। রসবোধপূর্ণ এই আমন্ত্রণে ভক্ত-অনুরাগীরা মজার সব মন্তব্যে মেতে উঠেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, কফির বিল দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।
সব মিলিয়ে জয়ার এই পোস্টটি বেশ আলোচনায় এসেছে, বিশেষ করে তার এই ‘সরল আমন্ত্রণ’-নিয়ে অভিনেত্রীর প্রশংসা করছেন অনেকে।
জয়া আহসান একমাত্র বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পী, যিনি তিনবার ভারতের সম্মানজনক ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার (ইস্ট) জয় করেছেন। এছাড়া, অভিনয়ে অনবদ্য অবদানের জন্য বাংলাদেশে ৫টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ৭টি মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সংকট এবং উৎপাদন খাতে বড় ধরনের বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কাতার। কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি ‘কাতারএনার্জি’ (QatarEnergy) অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ‘উডসাইড এনার্জি’র (Woodside Energy) সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক ২০ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায়, কাতার যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লক্ষ টন (৩ মিলিয়ন টন) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি (LNG) কিনবে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা এলএনজি প্রকল্প থেকে এই গ্যাস সরবরাহ করা হবে। ফ্রি-অন-বোর্ড (FOB) শর্তে এই সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রকল্পটির দ্বিতীয় লিকুইফ্যাকশন ট্রেনের উৎপাদন শুরু হলে প্রাথমিক চালান আসা শুরু হবে এবং তৃতীয় ট্রেনের কাজ সম্পন্ন হলে সরবরাহের পরিমাণ পূর্ণ বাৎসরিক ৩ মিলিয়ন টনে উন্নীত হবে। লুইজিয়ানার লেক চার্লসের কাছে অবস্থিত এই মেগা প্রকল্পটিতে মোট তিনটি ট্রেন রয়েছে, যার সম্মিলিত বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টন। মার্কিন এই প্রকল্প থেকে প্রথম দফার বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩০ সালে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে কাতার নিজেদের সরবরাহ ঘাটতি মোকাবেলা করতে মার্কিন বাজারের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। সম্প্রতি রাস লাফান শিল্পাঞ্চলে হামলার ফলে কাতারের নিজস্ব এলএনজি উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ১৭ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর উৎপাদন পুনরুদ্ধার করতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, হরমুজ প্রণালীতে পরিবহন বিঘ্নিত হওয়া এবং নিজস্ব চালানের ওপর বলপূর্বক নিয়ন্ত্রণ বা 'ফোর্স মেজর' (Force Majeure) পরিস্থিতির মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর কারণে বৈশ্বিক বাজারে শক্তির বিকল্প উৎস হিসেবে মার্কিন এলএনজি সংগ্রহকে কৌশলগত প্রতিরক্ষা বা হেজ হিসেবে দেখছে দোহা।
এই চুক্তির ফলে কাতারএনার্জি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এলএনজি রফতানিকারক হওয়ার পাশাপাশি মার্কিন এলএনজির সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। টেক্সাসের গোল্ডেন পাস প্রকল্প এবং সম্প্রতি চেনিয়ারের (Cheniere) সঙ্গে হওয়া চুক্তির ধারাবাহিকতায় উডসাইডের সঙ্গে এই নতুন চুক্তি কাতারএনার্জির দীর্ঘমেয়াদী বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ও বৈচিত্র্যকরণ কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ শিরোপার লড়াইয়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে। গ্যাবনকে পরাজিত করে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে প্লেট পর্বের ফাইনালে বাংলাদেশের যুবারা নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে আজারবাইজানের বাকুতে গ্যাবনকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল।
ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণকারী গোলটি এসেছে ১৪ মিনিটে। রাতুলের করা সেই একমাত্র গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ জয় নিশ্চিত করে। বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ত্যাগ করে।
এই জয়ের ফলে টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছানোর মাধ্যমে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলারদের জন্য আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন তাদের সামনে শিরোপার লড়াইয়ের অপেক্ষা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংসদ (চবিআস) এর উদ্যোগে নবীনবরণ, প্রবীণ বিদায়, নজরুল আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনটি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ছিল বর্ণাঢ্য আয়োজন।
অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য কবি ও প্রাবন্ধিক মাঈনউদ্দিন জাহেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশ বেতারের সিনিয়র প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্ন্যান্স ও ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ও চবিআসের সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন চবিআসের সভাপতি মোমতাহিনুল ইসলাম হাসনাত।
মুখ্য আলোচক মাঈনউদ্দিন জাহেদ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘বাচিকশিল্প শিল্পসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী। বাচনিক সৌন্দর্য ব্যতীত অন্য শিল্পগুলো পূর্ণতা পায় না।’ তিনি শিল্পচর্চায় শুদ্ধ উচ্চারণ ও বাচনিক সৌন্দর্যের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন।
বিশেষ অতিথি ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বক্তব্যে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো মুক্তজ্ঞান চর্চার প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনসমূহকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।’
মোহাম্মদ কামাল হোসেন মন্তব্য করেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পচর্চার মাধ্যমে একটি দেশের সামগ্রিক শিল্পচর্চার অবস্থা আন্দাজ করা যায়।’
শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মানসম্পন্ন কর্মশালা আয়োজন এবং ধারাবাহিক কার্যক্রমের মাধ্যমে উত্তরোত্তর উন্নতি করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদ বর্তমানে এক অনন্য জায়গায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।’
সভাপতির বক্তব্যে মোমতাহিনুল ইসলাম হাসনাত চবিআসকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সবার অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং উপস্থিত অতিথি, সাবেক সদস্য, প্রশিক্ষণার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের কর্মশালার প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ২০২৬ সালের ‘প্রমিত উচ্চারণ, উপস্থাপনা ও আবৃত্তি কর্মশালা’র উদ্বোধন করা হয়। এ সময় চবিআসের সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদীন ফাহিম কর্মশালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাবেক সদস্য ও বিভিন্ন বন্ধুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারের হোটেল, রিসোর্ট এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় উচ্ছেদ ও ভাঙচুর অভিযান পর্যটন শিল্পের জন্য নেতিবাচক বার্তা প্রদান করছে, এমন মন্তব্য করেছেন পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা। তাঁদের মতে, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হওয়া উচিত। তবে আইন বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা, ব্যবসায়ীদের সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় সময় ও সংশোধনের সুযোগ প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি। যদি হঠাৎ করে ভাঙচুর ও উচ্ছেদ অভিযান চলতে থাকে, তবে পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে পর্যটন শিল্পের উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান।
সভায় উদ্যোক্তারা উল্লেখ করেছেন, আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সকলের প্রতি সমান গুরুত্ব প্রদান করা আবশ্যক। যদি বিভিন্ন বাহিনী, ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করা হয়, তবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। যদি কোনো স্থাপনায় আইনগত ত্রুটি থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং সময় প্রদান করা উচিত। এরপর যদি কেউ আইন অমান্য করে, তবে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
তাঁরা আরও বলেন, আইন প্রয়োগের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সকলকে নিয়মের আওতায় আনা। এজন্য প্রথমে ব্যবসায়ীদের সচেতন করা, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা দরকার। শুধুমাত্র নোটিশ দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা যায় না; নোটিশের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে বলা, আইনগত ত্রুটি সংশোধনের পথ নির্দেশ করা এবং বাস্তবসম্মত সময় দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্যোক্তাদের মতে, পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটে। তাঁদের আবাসন এবং অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করতে হোটেল, মোটেল, রিসোর্টসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানে একের পর এক ভাঙচুর ও উচ্ছেদ অভিযান চলতে থাকলে পর্যটকদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে, যা পর্যটন ব্যবসা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলতে পারে।
তাঁরা আরও বলেন, যদি কোনো স্থাপনা আইনবহির্ভূতভাবে নির্মিত হয়ে থাকে অথবা পরিবেশ ও নির্মাণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকে, তবে তা অবশ্যই যাচাই করা প্রয়োজন। তবে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা, অভিযোগের যথার্থতা যাচাই এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। এতে আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের ন্যায়সংগত আচরণ পাওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত হবে।
পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই খাতের উন্নয়নে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা প্রয়োজন। তাই অবৈধ স্থাপনা নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রাখার বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সভায় উদ্যোক্তারা পর্যটন শিল্পের স্বার্থ রক্ষা, আইনানুগ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ীদের সংশোধনের সুযোগ প্রদান করে সমন্বিতভাবে সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ