ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সিজারিয়ান কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


সিজারিয়ান কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সরকার দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের প্রবণতা কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে।

তিনি বলেছেন, যদি স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করা যায়, তাহলে নবজাতক জন্মের পরপরই শালদুধ পাবে, যা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এ কথা তিনি সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত 'মানবিক সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও দক্ষতা টিকিয়ে রাখা (স্প্ল্যাশ)' প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছিলেন।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর ঢাকায় বিএনপির শোভাযাত্রা, নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন যে, অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের কারণে অনেক নবজাতক জন্মের পরেই মায়ের শালদুধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ শিশুর জন্য সৃষ্টিকর্তার দেওয়া সর্বোত্তম পুষ্টি হলো শালদুধ। তাই সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি যোগ করেছেন, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী থাকবেন, যাঁদের একটি বড় অংশ কেয়ারগিভার ও মিডওয়াইফ হিসেবে গর্ভবতী নারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা ও পরামর্শ দেবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, উপজেলা পর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যানসার স্ক্রিনিং সম্প্রসারণ, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডায়ালাইসিস সেবা বাড়ানো এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদার করতেও সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবারের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রকেও একইসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ সভাপতিত্ব করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে গোখরা ও দাড়াশ সাপ অবমুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রহমত আলী হবিগঞ্জ থেকে

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে গোখরা ও দাড়াশ সাপ অবমুক্ত

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়েছে একটি গোখরা ও একটি দাড়াশ সাপ।

সোমবার সকালে, বন বিভাগের উপস্থিতিতে, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য রবি কস্তা উদ্ধার করা সাপ দুটি তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হাসান, সাতছড়ি বন্যপ্রাণী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোবারক হাসান এবং বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা।

অবমুক্তকালে, রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হাসান বলেন, দাড়াশ সাপ কৃষকের বন্ধু। এটি প্রচুর ইঁদুর খেয়ে ফসল রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই অকারণে কোনো সাপ হত্যা করা উচিত নয়।

বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের সদস্য রবি কস্তা জানান, বন্যা ও টানা বৃষ্টির কারণে সাপের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা লোকালয়ে চলে আসছে।

এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হলেও সাপ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূৰ্ণ এবং তাদের সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, রোববার চুনারুঘাট উপজেলার আমতলী চা বাগানের বাসিন্দা রুমেল ব্যানার্জীর বাড়িতে দুটি সাপ আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে, তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপ দুটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

পরে সোমবার বন বিভাগের সহযোগিতায় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সেগুলো অবমুক্ত করা হয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে সাপ দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে কিংবা হত্যা না করে দ্রুত বন বিভাগ বা প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগে মানবতার হাত বাড়িয়ে উপজেলা প্রশাসন ও যুব রেড ক্রিসেন্ট - আমানউল্লাহ ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ ও ক্ষয়ক্ষতির মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


দুর্যোগে মানবতার হাত বাড়িয়ে উপজেলা প্রশাসন ও যুব রেড ক্রিসেন্ট - আমানউল্লাহ ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ ও ক্ষয়ক্ষতির মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান

দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক উদাহরণ স্থাপন করেছে সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১:০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:০০টা পর্যন্ত আমানউল্লাহ ইউনিয়নের নানা স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী বিতরণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও যুব রেড ক্রিসেন্ট সন্দ্বীপ উপজেলা ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকরা মাঠপর্যায়ে ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেন। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন, প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন এবং জরুরি সহায়তার জন্য প্রয়োজন রয়েছে এমন পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করেন।

আজকের এই মানবিক কার্যক্রমে যুব রেড ক্রিসেন্ট সন্দ্বীপ উপজেলার দুটি ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবক সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রকৃত অবস্থা দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে, যা পরবর্তী সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে সহায়ক হবে।

উপজেলা প্রশাসন ও যুব রেড ক্রিসেন্টের এই সমন্বিত উদ্যোগে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে এমন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

মানুষের পাশে মানবতার এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয়দের প্রশংসা অর্জন করেছে এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা নতুন আশার বার্তা হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৭, আহত ৬৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


ব্যাংককের বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৭, আহত ৬৩

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বার ও রেস্তোরাঁয় রোববার গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ৬৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

আগুনের সূত্রপাতের পর তা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত লোকজন প্রাণ বাঁচাতে বার থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন।

এএফপির একজন সাংবাদিক সোমবার সকালে ব্যাংককের উপকণ্ঠে অবস্থিত রং বিয়ার না লাত ফ্রাও বার ও রেস্তোরাঁর বাইরে কয়েকটি মরদেহবাহী ব্যাগ দেখতে পান। তিনি বলেন, ওই সময় ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক উদ্ধারকর্মী কাজ করছিলেন।

ব্যাংককের গভর্নর চাডচার্ট সিত্তিপুন্ত সাংবাদিকদের জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে গিয়ে ছাদের গঠন পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তিনি ধারণা করেন, ঘন ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অধিকাংশ মানুষ মারা গেছেন।

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ৬৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

গভর্নর আরও জানান, কয়েকটি মরদেহ একটি জরুরি নির্গমন পথের কাছে পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, ওই পথটি কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত ছিল, যা অনেকের জন্য বের হওয়ার সুযোগ রুদ্ধ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী মোটরসাইকেল ট্যাক্সিচালক সুরিন জাইহার্ন বলেন, তিনি বারটির মূল দরজা দিয়ে আগুন রাস্তায় ছড়িয়ে পড়তে দেখে দগ্ধ অন্তত পাঁচজনকে উদ্ধার করতে সহায়তা করেন। তিনি এএফপিকে জানান, ‘আমি খুবই মর্মাহত। বহু মানুষ নিহত হয়েছে। যাদের উদ্ধার করেছি, তাদের কী হয়েছে তা জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের শরীর থেকে জ্বলতে থাকা আগুন কাপড় দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করেছেন। আরেকজন চালক এক নারীর নিরাপত্তার জন্য তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত লাওসের পর্যটক কান কুতিরাত বলেন, রাত প্রায় ১০টার দিকে তিনি বারে ছিলেন। হঠাৎ মঞ্চের পাশ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখেন, এবং মুহূর্তেই চারদিকে চিৎকার ও বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে পোশাকে আগুন লেগে যাওয়া কয়েকজন মানুষ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে বেরিয়ে আসছেন। কান বলেন, ‘জীবনে এমন ঘটনা কখনও আমি দেখিনি। সেই দৃশ্য এখনও আমার চোখে ভাসছে।’

তিনি পোস্টে আরও লেখেন, ‘আমি কেবল একজনকে বের করতে পেরেছি। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমি দুঃখিত।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ বছরের মধ্যে ঢাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি, আরও পাঁচ দিন ভারি বর্ষণের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ এম


১৭ বছরের মধ্যে ঢাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি, আরও পাঁচ দিন ভারি বর্ষণের আশঙ্কা

রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং দেশের ইতিহাসে এটি গত ১৭ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৯ সালে একদিনে সর্বোচ্চ ৩৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।

ইউনিসফ কর্তৃক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত চলমান। তিনি আরও বলেন, বর্ষাকালে এমন বৃষ্টিপাত সাধারণ হলেও বর্তমানের এই তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের মধ্যে চট্টগ্রামে ১৬০ মিলিমিটার, আমবাগানে ১৪০ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১১৩ মিলিমিটার এবং ফরিদপুরে ১১১ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

১৩ জুলাইয়ের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

১৪ জুলাই রংপুর ও রাজশাহী এলাকার অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিন রংপুর ও রাজশাহীতে কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়া ১৫ ও ১৬ জুলাই খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এই সময় দিনে এবং রাতে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের অবস্থা উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%