ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ব্রাহ্মণপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারের দাফন সম্পন্ন, গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষোভ


ব্রাহ্মণপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারের দাফন সম্পন্ন, গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষোভ

একাত্তরের রণাঙ্গনে যিনি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে ছিনিয়ে এনেছিলেন স্বাধীন মানচিত্র, মৃত্যুর পর সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি প্রশাসনিক উদাসীনতা ও নিদারুণ অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এই বীর সেনানিকে শেষ বিদায়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বা ‘গার্ড অব অনার’ না দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। কুয়াশাঘেরা এক গোধূলিলগ্নে রাষ্ট্রীয় সম্মানহীন দাফন সম্পন্ন হওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসছেন, যা নিয়ে পুরো কুমিল্লাজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।

প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার (৭৮) দীর্ঘ কর্মজীবনে যোগাযোগ ও আইন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বার্ধক্যের শেষ দিনগুলো তিনি ঢাকায় ছেলের কাছে কাটিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) ঢাকার মাটিতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ওই দিনই ঢাকায় প্রথম জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের মহালক্ষীপাড়া গ্রামে আনা হয়। মরদেহ গ্রামে পৌঁছাতে পৌঁছাতে বিকেল সাড়ে ৫টা বেজে যাওয়ায় শোকার্ত পরিবার ও এলাকাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকেন-যদি বীরের এই শেষ যাত্রায় রাষ্ট্রীয় সালাম ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার পরও প্রশাসনের কোনো সাড়া মেলেনি।

মরহুমের ভাই শাহজাহান গভীর আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা চেয়েছিলাম আমার ভাইকে শেষ সম্মানটুকু জানিয়ে চিরবিদায় দিতে। কিন্তু প্রশাসনের অবহেলায় তা আর হয়ে ওঠেনি। আমরা আজ লজ্জিত-যে মানুষটি ৯ মাস অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে এই দেশকে স্বাধীন করল, মৃত্যুর পর সে তার প্রাপ্য সম্মানটুকুও পেল না!"

আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

স্থানীয় মহালক্ষীপাড়া গ্রামের আরেক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সন্ধ্যার পর গার্ড অব অনার দেওয়া নিয়ম না থাকলেও অন্তত প্রশাসনের দায়িত্বশীল কেউ এসে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে যেতে পারত, কিন্তু তাও করা হয়নি। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সহযোদ্ধার এমন অমর্যাদা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইদ্রিস মিয়া মাস্টার জানান, প্রশাসনের সঙ্গে তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে গার্ড অব অনার ও সশস্ত্র সালামের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম সাফাই গেয়েছেন যে, সন্ধ্যার পর নাকি গার্ড অব অনার দেওয়া যায় না।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক বলেন, "আমি মরহুমের জানাজায় উপস্থিত ছিলাম। তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান বা গার্ড অব অনার না দেওয়ায় পুরো এলাকায় তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক।"

এদিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, "আমরা গার্ড অব অনার প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য পাঠিয়েছিলাম এবং পুলিশ লাইন থেকে বিউগলের সুর বাজানোর জন্য দলও উপস্থিত হয়েছিল। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় পুলিশ একা গার্ড অব অনার দিতে পারেনি। তবে আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে জানাজায় অংশ নিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছি।"

আরও পড়ুন: জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম অস্বীকার করলেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী

অন্যদিকে অভিযুক্ত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম সাফাই গেয়ে বলেন, "সন্ধ্যার পর গার্ড অব অনার দেওয়ার বিধান নেই। তারপরও আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কিন্তু ঢাকা থেকে লাশ আনা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। মাগরিবের পর কেউ আমার সঙ্গে আর যোগাযোগ করেনি, তাই এটি দেওয়া সম্ভব হয়নি।" এ সময় তিনি সংবাদকর্মীকে বিষয়টি ব্রাহ্মণপাড়া তথা কুমিল্লার 'মান-সম্মানের প্রশ্ন' হিসেবে বিবেচনা করে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অদ্ভুত অনুরোধ জানান।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার নিথর দেহ নিয়ে প্রশাসনের এমন লুকোচুরি, দায়িত্বহীনতা ও অজুহাতের সংস্কৃতি কেবল একটি শোকাহত পরিবারকেই নয়, কলঙ্কিত করেছে পুরো জাতির আত্মাকে। প্রশ্ন উঠেছে- দেশের জন্য যুদ্ধ করা একজন বীরের এমন অপমানের দায় কি প্রশাসন এড়াতে পারবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের ২০২৬-২৮ সেশনের জন্য সাত সদস্যের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে, আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে ‘লেখক ফোরাম সাহিত্য ও আনন্দ ভ্রমণ’ আয়োজনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এক হোটেলে সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্তগুলি গৃহীত হয়।

অভিভাবক পরিষদের নতুন সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, মুফতি এনায়েতুল্লাহ, জহির উদ্দিন বাবর, মুনীরুল ইসলাম, মাসউদুল কাদির, গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী, আব্দুল মুমিন এবং রোকন রাইয়ান। সাবেক সভাপতি মুনীরুল ইসলাম এবং সাবেক সহ-সভাপতি রোকন রাইয়ানকে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে।

ফোরামের সভাপতি আমিন ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং নতুন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে ‘লেখক ফোরাম সাহিত্য ও আনন্দ ভ্রমণ’ আয়োজন করা হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপকমিটির বৈঠকের পর জানানো হবে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের সদস্য এবং মাসিক আন-নাবার নির্বাহী সম্পাদক, বিশিষ্ট লেখক মাকসুদুর রহমানের মৃত্যুতে মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

সাধারণ সম্পাদক নকীব মাহমুদের পরিচালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি হাসনাইন হাফিজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দীন সাদী ও উবায়দুল হক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক সায়ীদ উসমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক তাসনিম, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হাবীবুল্লাহ সিরাজ, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুল্লাহ তামিম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রেজা হাসান, প্রকাশনা সম্পাদক আবু নাঈম ফয়জুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জাওয়াদ আহমদ, আইন ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কাউসার লাবীব এবং দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক তাশরিফ মাহমুদ।

এছাড়া নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবদুল্লাহ আশরাফ, সাজ্জাদুর রহমান, আব্দুস সামাদ আজীজ, আমীনুর রহমান নড়াইলী, আহমাদ যুবায়ের খান, তানবিরুল হক আবিদ এবং আবু বকর চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর ঢাকায় বিএনপির শোভাযাত্রা, নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


৭ নভেম্বর ঢাকায় বিএনপির শোভাযাত্রা, নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকায় একটি কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রার আয়োজন করবে।

এদিন বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হবে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উদ্বোধনী বক্তব্যের পর শোভাযাত্রা শুরু হবে।

শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৮টায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে ফাতেহা পাঠ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তারেক রহমান।

রুহুল কবির রিজভী জানান, ৫ নভেম্বর থেকে বিএনপির সাতদিনের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আগামীকাল দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, পোস্টার লাগানোসহ নানান কর্মসূচি পালন করবে। ৭ নভেম্বরের চেতনায় বিশ্বাসী অন্যান্য রাজনৈতিক দল, জোট, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংগঠনও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের কর্মসূচি নিয়েছে।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ৭ নভেম্বরের চেতনার প্রতি ভীত হয়ে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন বন্ধ করেছিল। বিএনপি এবং সমমনা দলগুলো এতদিন দিবসটি পালন করে আসছে। এবার দীর্ঘদিন পর আবারও রাষ্ট্রীয় ও জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর হত্যা, স্বামী আতিয়ার রহমান থানায় আত্মসমর্পণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর হত্যা, স্বামী আতিয়ার রহমান থানায় আত্মসমর্পণ

পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রী শাহানাজ খাতুনকে হত্যার পর স্বামী আতিয়ার রহমান থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।

এটি ঘটেছে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে যশোর সদর উপজেলার শানতলা এলাকায়।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আতিয়ার রহমান চার মাস আগে পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রী শাহানাজ খাতুনকে তালাক দিয়েছিলেন। তবে গত সপ্তাহে তাদের সন্তান রায়হানের মধ্যস্থতায় তারা আবার একত্রে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু এর মধ্যেই আতিয়ার রহমান ফের স্ত্রীর প্রতি সন্দেহের কারণে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বাড়িতে শাহানাজ খাতুনকে হত্যা করেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. বদরুজ্জামান জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই আতিয়ার রহমান থানায় এসে হত্যার কথা জানিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

ওসি আরও জানান, আতিয়ার রহমান বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে কৃষকদলের উদ্যোগে ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কালিগঞ্জ,( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে কৃষকদলের উদ্যোগে ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের উদ্যোগে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ই নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) বাদ আসর কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের অস্থায়ী অফিসে উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আরিফুর রহমান ছোটন এর সঞ্চালনায় প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আক্তারুজ্জামান বাপ্পি, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শেখ মনিরুজ্জামান মনি, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওসমান আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাষ্টার শাহিনুর রহমান, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সামাদ, তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক এনামুল হক এনাম, চাম্পাফুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম টোকন, উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মজিদ, উপজেলা জাসাসের আহবায়ক মুরশিদ আলী গাজী, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক শেখ শাহিন কবীর, সাবেক সাধারন সম্পাদক রেদওয়ান ফেরদৌস রনি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক কাজী শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন সহ পাচ শতাধিক নেতা-কর্মী। পরে ৭ই নভেম্বর সমর্থনে কালিগঞ্জ উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%