০৯:৩১ পি.এম
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। আর্লিং হাল্যান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডের দাপটে দলটি মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি উদযাপনেও বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে নকআউট নিশ্চিত করে নরওয়ে। ম্যাচ শেষে সমর্থকদের সঙ্গে মাঠে বসে অভিনব এক উদযাপনে মাতেন খেলোয়াড়রা, যেখানে ড্রামের তালে তারা জনপ্রিয় ‘ভাইকিং রো’ সেলিব্রেশন করেন। একই দৃশ্য দেখা যায় নরওয়ের সংসদসহ বিভিন্ন স্থানে।
বর্তমানে বিশ্বকাপে অন্যতম ভাইরাল ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে এই উদযাপন, যা ছড়িয়ে পড়েছে স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে বিশ্বের নানা প্রান্তে।
আরও পড়ুন: রোনালদোকে নিয়ে ইনফান্তিনোর আবেগঘন বার্তা
কী এই ‘ভাইকিং রো’?
নরওয়ের এই উদযাপনের পেছনে রয়েছে শত শত বছরের ইতিহাস। ঐতিহাসিকদের মতে, ৭০০ থেকে ১১০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চলা ভাইকিং যুগে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্কের যোদ্ধারা দীর্ঘ লংবোটে সমুদ্রযাত্রা করতেন। এই সময় তারা ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্য ও অভিযানে অংশ নিতেন।
যে ‘রোয়িং’ বা দাঁড় টানার ভঙ্গি দেখা যায়, সেটিই মূলত সেই ঐতিহাসিক সমুদ্রযাত্রার প্রতীক। এটি এখন শুধু উদযাপন নয়, বরং নরওয়ের জাতীয় পরিচয়, ঐক্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ট্রেন্ড
আরও পড়ুন: ওয়েল্ডিং মেশিনের আড়ালে দেশে আনা ১১৪ বিদেশি বন্যপ্রাণী, আটক ১
বিশ্বকাপ শুরুর আগে অসলোতে শুরু হওয়া এই উদযাপন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে স্টেডিয়াম, রাস্তাঘাট এবং নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ার পর্যন্ত। নরওয়ের ট্রন্ডহাইম শহরেও হাজারো সমর্থক একই ভঙ্গিতে উদযাপন করছেন।
দলের মিডফিল্ডার প্যাট্রিক বার্গ জানিয়েছেন, শুরুতে অনেকেই এই ট্রেন্ড টিকবে কি না তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন, তবে এখন এটি দলের বিশ্বকাপ অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে গ্রুপ ‘আই’-এ দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে। গোল পার্থক্যে তারা এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। আগামী শুক্রবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে নরওয়ে ও ফ্রান্স।
সূত্র: রয়টার্স
আরও পড়ুন: ভুটানের বিরুদ্ধে জয়ে দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ ডুলি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন