১১:৫৩ পি.এম
রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নতুনধারা বাংলাদেশের (এনডিবি) চেয়ারম্যান মোমেন মেহেদী এবং তার স্ত্রী ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এ বিষয়ে আঞ্চলিকসংবাদ জানায় যে, বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে তথ্যটি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
কারাগারে পাঠানো অন্যান্য আসামির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল এবং হরি সরকার।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ
এছাড়া শান্তা ফারজানা ও অপর আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম। এরপর উভয়পক্ষের শুনানির পর আদালত চার আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তবে এ ক্ষেত্রে শান্তা ফারজানা ও মোমেন মেহেদীর জন্য একাধিক আইনজীবী উপস্থিত থাকায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) সিদ্ধান্তের পর তাদের জামিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে কোন রিমান্ডের আবেদন না থাকায় তাদের মূল এজলাসে তোলা হয়নি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বাবুল সরদার নামে একজন ব্যক্তি বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ৫০-৬০ জনকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ উঠেছে যে, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৭টার সময় প্রেস ক্লাবের সামনে আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল বের করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং এসডিএএফের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াসসহ অন্যরা ওই মিছিলে প্রতিবাদ জানালে আসামিরা দেশি ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, এসএস পাইপ এবং চেয়ার নিয়ে তাদের ওপর হামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি শান্তা ফারজানা আল নূর মোহাম্মদ আয়াসের মাথা, মুখমণ্ডল এবং দুই হাত রক্তাক্ত জখম করার উদ্দেশ্যে এসএস পাইপ দিয়ে আঘাত করেন। এই হামলায় জুলাইযোদ্ধা মহসিন, আশরাফুল, তাওহীদ এবং মামলার বাদী বাবুল সরদার আহত হন। পরে স্থানীয়রা আয়াসকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন যে, আসামি শান্তা ফারজানা ও মোমেন মেহেদী ইতিপূর্বে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে শেখ হাসিনাকে বৈধ এবং তারেক রহমানকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছিলেন। তারা জুলাই আন্দোলনকে ‘জঙ্গি আন্দোলন’ বলে অভিহিত করেছেন এবং আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন