ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

টানা তৃতীয় বছর ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান গাজা: জাতিসংঘ


টানা তৃতীয় বছর ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান গাজা: জাতিসংঘ

মানবিক সহায়তাকর্মীদের জন্য টানা তৃতীয় বছর গাজা বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান হিসেবে রয়ে গেছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক দফতর (ওসিএইচএ) ২০২৫ সালে সেখানে ১৮৬ জন ত্রাণকর্মী নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্ব মানবিক দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ওসিএইচএ জানায়, ২০২৫ সালে ত্রাণকর্মী নিহতের দিক থেকে সুদান দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। দেশটিতে ওই বছর ৭১ জন মানবিক সহায়তাকর্মী নিহত হন।

মানবিক সহায়তাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংস্থা হিউম্যানিটারিয়ান আউটকামসের এইড ওয়ার্কার সিকিউরিটি ডেটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে মোট ৯০৭ জন মানবিক সহায়তাকর্মী নিহত, আহত কিংবা অপহৃত হয়েছেন। এটি ত্রাণকর্মীদের ওপর সহিংসতার জন্য নতুন রেকর্ড।

আরও পড়ুন: মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: শামা ওবায়েদ

ওসিএইচএ জানায়, গত বছর বিশ্বজুড়ে ৩৫০ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। যদিও এ সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য কম, তবুও মানবিক সহায়তাকর্মীদের ওপর সহিংসতার সামগ্রিক মাত্রা হ্রাস পায়নি। এ ছাড়া ৩২২ জন আহত হয়েছেন এবং ২৩৫ জন অপহৃত হয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী টম ফ্লেচার বলেন, ‘মাত্র তিন বছরে এক হাজারেরও বেশি ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’

তিনি আরো বলেন, বিষয়টি তুলে ধরলেই পরবর্তী ত্রাণকর্মীকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে না। রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুসরণ করতে হবে এবং বেসামরিক নাগরিক ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা এসব আইন লঙ্ঘন করবে, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক দফতর আরও জানিয়েছে, ২০২৬ সালেও ত্রাণকর্মীদের ওপর সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে অন্তত ৮২ জন ত্রাণকর্মী নিহত, ৯৭ জন আহত এবং ৩৯ জন অপহৃত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২

ড্রোনে বাড়ছে ঝুঁকি। কম খরচে তৈরি করা যায় এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য সশস্ত্র ড্রোনের বিস্তার বেসামরিক নাগরিক ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি তৈরি করছে বলে সচেতন করা হয়েছে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ শহরাঞ্চলে ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে সুদানে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর ৮০ শতাংশ ঘটে সশস্ত্র ড্রোন হামলায়। এসব হামলায় বাজার ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়।

ইউক্রেনে শুধুমাত্র এপ্রিল মাসেই ড্রোন হামলায় ৮০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। রাশিয়াতেও ড্রোন হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটছে এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে, কলম্বিয়ায় অস্ত্রবাহী ড্রোনের হামলা ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে চার গুণ বেড়ে গেছে।

ত্রাণকর্মীরাও এসব হামলার শিকার হচ্ছেন। মার্চে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলায় একজন মানবিক সহায়তাকর্মী নিহত হন। মে মাসে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে ইউক্রেনে চারটি মানবিক সহায়তাবাহী বহরে হামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্র থেমে থাকবে না, তবুও এগিয়ে যেতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টম ফ্লেচার বলেছেন, অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত ড্রোন পুরোনো এক বিপদের নতুন রূপ হয়ে উঠেছে—বেসামরিক জীবনকে ইচ্ছাকৃত বা বেপরোয়াভাবে ধ্বংস করা। প্রযুক্তি পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু যুদ্ধের আইন পরিবর্তন হয় না। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আগামী ২৬ আগস্ট উদযাপিত হবে। দিবসটি যথাযথ মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত করার জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

গত ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ) ড. আয়াতুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. ইমতিয়াজ হোসেন এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। এই দিন দেশের সমস্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন এবং সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

এই উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড, লাইটপোস্ট, বিভিন্ন স্থান ও সড়ককে জাতীয় পতাকা, রঙিন পতাকা এবং ‘কালিমা তায়্যিবা’ লেখা ব্যানারে সজ্জিত করা হবে।

বাংলাদেশ সচিবালয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। একসাথে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ নিজ নিজ ক্ষেত্রের অধীনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার ও টকশো আয়োজনের পাশাপাশি কিরাত, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ, ছাত্র-ছাত্রীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং আরবিতে খুতবা লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন যুবকদের জন্য করবে। এছাড়া স্মরণিকা বা ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামিক বইমেলা আয়োজন করা হবে।

এই দিনটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে অনুরোধ করা হয়েছে। সংবাদপত্রগুলোও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করতে প্রস্তুত হবে।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা ও জেদ্দা হজ অফিস এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম এবং ইসলামের শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি শিশুদের জন্য হামদ-নাত, আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করবে।

এই উপলক্ষে দেশের সব সামরিক ও বেসামরিক হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু সদন, আবাসিক শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং প্রবীণ নিবাসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করবে।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোর মাধ্যমে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে।

এছাড়া, দিবসটি উপলক্ষে শান্তি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়া বাজারে অবৈধ পার্কিংয়ে কঠোরতা: ৭ সিএনজি জব্দ, একজনের ৭ দিনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আহমেদ আক্তার রানা কুলাউড়া

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


কুলাউড়া বাজারে অবৈধ পার্কিংয়ে কঠোরতা: ৭ সিএনজি জব্দ, একজনের ৭ দিনের কারাদণ্ড

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভা বাজারে গৃহীত হয়েছে কঠোর অবস্থান সিএনজি অটোরিকশা পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে। উপজেলা প্রশাসন যানজট ও জনদুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে পরিচালনা করেছে মোবাইল কোর্ট। এর ফলে ৭টি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে, একজনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং পৃথক দুটি মামলায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অভিযানে অংশগ্রহণ করা হয় কুলাউড়া পৌরসভা বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায়। অভিযানের সময় সড়কে যত্রতত্র সিএনজি অটোরিকশা পার্কিংয়ের দায়ে ৭টি সিএনজি জব্দ করা হয় এবং সেগুলোর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কুলাউড়া থানায় রাখা হয়। একই সময়ে পৃথক দুটি মামলায় মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা গ্রহণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় একজনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন কুলাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় বিশ্বাস। অভিযানে কুলাউড়া থানার পুলিশ বিভাগের একটি দল সহযোগিতা প্রদান করেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় বিশ্বাস অভিযানের প্রসঙ্গে বলেন, “বাজারের সড়কে যত্রতত্র সিএনজি পার্কিংয়ের কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। আইন অমান্য করে যেখানে-সেখানে যানবাহন পার্কিং করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বাজারে আসা সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা। তাদের ভাষ্য হলো, কুলাউড়া বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও প্রবেশপথের পাশে সিএনজি অটোরিকশা এলোমেলোভাবে দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে পথচারীদের চলাচল ও অন্যান্য যানবাহনের স্বাভাবিক গতিতে বিঘ্ন ঘটে।

স্থানীয়রা বলছেন, অবৈধ পার্কিং বন্ধ করতে নিয়মিত অভিযান চালানোর পাশাপাশি সিএনজি অটোরিকশার জন্য নির্দিষ্ট পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামার স্থান নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন বাজারের যানজট কমবে, অন্যদিকে সড়কে ফিরবে শৃঙ্খলা।

কুলাউড়া বাজারের যানজট ও জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য প্রশাসনের এই অভিযানকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, অভিযান শুধুমাত্র সাময়িকভাবে নয়, নিয়মিতভাবে অব্যাহত রেখে বাজারের সড়কে অবৈধ পার্কিংয়ের প্রবণতা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাবার ও পানি ছাড়া ৪ দিন সাগরে ভাসছিলেন ৩০০ মার্কিন সেনা, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


খাবার ও পানি ছাড়া ৪ দিন সাগরে ভাসছিলেন ৩০০ মার্কিন সেনা, অতঃপর...

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর ধ্বংসকারী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস বেনফোল্ড’ মাঝ সমুদ্রে ভয়াবহ যান্ত্রিক ত্রুটিতে পড়েছে। এটি টানা চার দিন ধরে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় প্রশান্ত মহাসাগরে ভেসে ছিল। এই ঘটনার ফলে জাহাজটিতে থাকা প্রায় ৩০০ সেনাসদস্য তীব্র দুর্ভোগে পড়েন, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং সচল শৌচাগারের অভাবে।

সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে জাহাজটির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণসহ জরুরি জীবন রক্ষাকারী পরিষেবাগুলো স্থবির হয়ে পড়ে। এর ফলে পেন্টাগনের সামরিক সক্ষমতা এবং সেনাসদস্যদের আবাসন ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে, মার্কিন নৌবাহিনী এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়।

মার্কিন নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার ম্যাথিউ কোমার জানান, ২৪ জুলাই প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় ইউএসএস বেনফোল্ডের মূল জেনারেটরে বড় ধরনের যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। এই কারণে জাহাজটির অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। জরুরি পরিস্থিতিতে জর্জ ওয়াশিংটন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের অন্তর্গত অপর ক্রুজার ‘ইউএসএস রবার্ট স্মলস’ থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ডেস্ট্রয়ারটিতে খাদ্য ও পানীয়সহ প্রয়োজনীয় সহায় সামগ্রী পাঠানো হয়।

পরে জাহাজটিকে টেনে ফিলিপাইনের সুবিক উপসাগরে নিয়ে যাওয়া হয়। চার দিনের দীর্ঘ দুর্ভোগ পর ২৮ জুলাই তা বন্দরে পৌঁছে, নাবিকদের সুরক্ষিতভাবে তীরে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের পর ৮ আগস্ট যুদ্ধজাহাজটি আবারও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসে।

মাঝ সমুদ্রে এরকম একটি শক্তিশালী ডেস্ট্রয়ার অচল হয়ে পড়ার খবরটি প্রকাশ্যে আসে ঠিক তখন, যখন ২৫০ দিন ধরে সমুদ্রে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর ভেতরে চরম খাদ্য সংকট ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রীর অভাবের কারণে নাবিকরা মানসিক বিপর্যস্ততার শিকার হচ্ছেন।

এদিকে, আব্রাহাম লিংকনের এই শোচনীয় অবস্থার তদন্তের জন্য মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছে, ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রধান বিমানবাহী রণতরির উপস্থিতি থাকছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬৬.৩ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমে সন্তুষ্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


৬৬.৩ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমে সন্তুষ্ট

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস অতিক্রম করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রম নিয়ে একটি জরিপ চালিয়েছে ইনোভেশন কনসাল্টিং নামের প্রতিষ্ঠান। তাদের করা জরিপে উঠে এসেছে যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ।

ইনোভিশন কনসালটিং জরিপের অর্থায়ন ও সহায়তা করেছে।

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%