ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগে স্বাধীন কমিটি গঠন


নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগে স্বাধীন কমিটি গঠন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নারী ক্রিকেটারদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বোর্ড একটি পাঁচ সদস্যের স্বাধীন কমিটি গঠন করেছে, যা যৌন হয়রানির অভিযোগ জানাতে সহায়তা করবে। কমিটির নেতৃত্বে আছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।

বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনের আগে, তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন রাশনা ইমাম। সেই সময়ে তিনি নারী উইংয়ের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ্য, তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের স্ত্রী হিসেবেও পরিচিত।

এই পাঁচ সদস্যের কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির, ব্যারিস্টার আনীতা গাজী রহমান এবং জারিন মাহমুদ হোসেন। কমিটিতে একজন সাবেক ক্রিকেটার থাকবেন, তবে তার নাম এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি।

আরও পড়ুন: ক্যারিককে কতটুকু স্বস্তি দিবে ইউনাইটেডের জয়?

কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এতে বিসিবি সংশ্লিষ্ট কাউকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে অভিযোগের তদন্তে বোর্ডের অভ্যন্তরীণ কারও প্রভাব বা স্বার্থের সংঘাতের সম্ভাবনা এড়ানো সম্ভব হবে।

নারী উইংয়ের প্রধান রফিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘অনেক দিন ধরেই এমন একটা কমিটি করার দাবি ছিল। এখন আমরা তা করে দিয়েছি। যেকোনো ক্রিকেটারই চাইলে এখানে এসে তাদের কথাটা বলতে পারবেন।’

নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলম টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্যের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের পর বিসিবি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।

আরও পড়ুন: ‘এখানে খেলার সুযোগ কখনো আসেনি’—লা লিগা নিয়ে হ্যারি কেইন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


দৌলতপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে একত্রিত করে পুলিশের উপস্থিতিতে ১২টি দোকান ও গোডাউন ভাঙচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে উঠেছে।

এই ঘটনায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ভুক্তভোগীদের বাড়িঘর অবরুদ্ধ করা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

সোমবার বিকাল ৪টায় উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের হাটখোলাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সোনা মহলদার মরিচা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাটখোলাপাড়া এলাকার মৃত খলিল দফাদারের ৬ ছেলে দীর্ঘদিন সৌদি আরবে প্রবাসী ছিলেন। সম্প্রতি তাদের মধ্যে সুনারুল দফাদার ও শওকত দফাদার দেশে ফিরে আসেন। এরপর স্থানীয় সোনা মহলদার, সিদ্দিক মহলদার ও নুরু মহলদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি হাটখোলাপাড়া কবরস্থানের সভাপতি লিটন মালিথাকে সঙ্গে নিয়ে তাদের পৈতৃক সম্পত্তিতে নির্মিত দোকানঘর ও গোডাউন মার্কেটের জমি কবরস্থানের বলে দাবি করেন। এ নিয়ে জমি ও মার্কেট দখলের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রায় ৫০-৬০ বছর আগে তাদের দাদা হাটখোলাপাড়া কবরস্থানের জন্য ১৯৬২ সালের এসএ রেকর্ডভুক্ত জমি বিক্রি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৪ সালে আরএস রেকর্ড হওয়ার সময় মূল দাগটি তিনটি দাগে বিভক্ত হয়। তবে কবরস্থানের জমি এবং তাদের মার্কেটের জমির দাগ সম্পূর্ণ আলাদা। কবরস্থানের জমির সঙ্গে মার্কেটের কোনো সম্পর্ক নেই। রাস্তাসংলগ্ন ও মূল্যবান হওয়ায় তাদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিরোধ সৃষ্টি হলেও প্রতিপক্ষ জমির কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সোমবার বিকালে হাটখোলা জামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কবরস্থানের সদস্য ও স্থানীয় লোকজনকে একত্র করা হয়। পরে তাদের দোকান ও গোডাউন ভাঙচুর করা হয় এবং মালামাল লুট করা হয়।

ভুক্তভোগী সুনারুল দফাদার বলেন, "আমাদের দাদা কবরস্থানের জন্য জমি বিক্রি করেছিলেন; কিন্তু বর্তমানে যে জমিতে মার্কেট ও দোকানপাট রয়েছে, তার সঙ্গে কবরস্থানের জমির কোনো সম্পর্ক নেই।"

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সোনা মহলদার বলেন, "ওই সম্পত্তি কবরস্থানের। তারা দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।"

দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, "ভাঙচুরের বিষয়টিও জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন সৌদি আরবে থাকায় তাদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ এম


মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে

মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অভিযান পরিচালনা কিংবা বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করলেই কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা এবং নেপথ্যের প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করার জন্য একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি (চার্জ) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান।

মঙ্গলবার ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাকশন’ শীর্ষক একটি নীতিসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতা বৃদ্ধি, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য রাষ্ট্র, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে রেলওয়ে পুলিশ প্রধান উল্লেখ করেন, মাদক কারবারিরা পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যমকে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে ব্যবহার করে। রেলপথও তাদের কাছে মাদক পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হয়ে উঠতে পারে। বিশাল রেল নেটওয়ার্ক, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রীর চলাচল এবং বিভিন্ন স্টেশনে মানুষের অবাধ যাতায়াতের কারণে নজরদারি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, "আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে এই বিষয়টি মোকাবিলা করে যাচ্ছি।"

তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র বাহককে গ্রেপ্তার করলেই হবে না। মাদক চালান সংগ্রহকারী, অর্থায়নকারী এবং পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনাকারীদের খুঁজে বের করতে হবে। মাদক চোরাকারবারিদের জন্য একটি সেন্ট্রাল ডেটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে আইন প্রয়োগকারী সব সংস্থা একজন মাদক ব্যবসায়ীকে মুহূর্তেই চিহ্নিত করতে পারে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ডিগ্রি দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরির জায়গাও। মাদক প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম, কাউন্সেলিং এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা চালু করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ মাদকে জড়িয়ে পড়লে তাকে শুধুমাত্র শাস্তির আওতায় আনার চিন্তা না করে কেন সে মাদকের দিকে ঝুঁকছে, তা চিহ্নিত করতে হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ক্যাম্পাস এবং এর আশপাশে মাদক কেনাবেচার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল বলেন, মাদক নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে শুধুমাত্র অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করলে তার সামাজিক পুনর্বাসনের পথ কঠিন হয়ে পড়ে। মাদকাসক্তি একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা। তাই মাদক কারবারি ও মাদকাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য করে সংবাদ পরিবেশন করা উচিত।

তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার নিরসনে সবাইকে আলাদা আলাদা অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করতে হবে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে, কিন্তু এই উদ্যোগ এখনো যথার্থ নয়।

তিনি আরও বলেন, "একটি মানুষ হতাশা থেকে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়েন। সত্যিকারের মূল্যবোধের অভাবেই মানুষ মাদকের দিকে পা বাড়ায়।" হতাশা কাটাতে হলে মূল্যবোধে ফিরতে হবে। ধর্মীয় অনুশাসন ছাড়া মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়। পরকালীন জীবনের মহাসত্যের দিকে আমাদের যেতে হবে; মানুষকে আগে মানুষ হতে হবে; তবেই মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের প্রজন্মকে রক্ষা করা যাবে।

নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক কর্নেল (অব.) কাজী শরীফ উদ্দিন বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। মাদক কারবারের সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলে সেগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। শুধুমাত্র দৃশ্যমান অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে মাদকের বিস্তার বন্ধ করা যাবে না। মাদক সরবরাহের অর্থনৈতিক ও সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে দিতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন এবং গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিচয়ের কারণে কেউ যেন আইনের বাইরে থাকতে না পারে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাবের মো. সোয়াইব বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলেও শুধুমাত্র অভিযান দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়। অভিযানের পাশাপাশি মাদকের উৎস, সরবরাহব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ অনেক সময় তথ্য দিতে ভয় পান। কারণ, অভিযোগ করার পর তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকে। এ ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তথ্যদাতাদের আস্থায় নেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসন ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি নাগরিক সেবার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হসপিটালের মনোরোগ বিভাগের চিফ কনসালট্যান্ট ডা. এস এম কবির জুয়েল বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে শুধুমাত্র ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মনোসামাজিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মাদকাসক্তির চিকিৎসায় রোগীর পাশাপাশি পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও পুনরায় মাদকে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এ জন্য নিয়মিত ফলোআপ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা থাকা জরুরি।

দেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও কাউন্সেলরের সংখ্যা বাড়াতে হবে। চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং সেবার মান নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় না করে চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়ায় শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে: এসপি মোমিনুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ এম


আশুলিয়ায় শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে: এসপি মোমিনুল ইসলাম

সাভার-আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর এসপি মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, "আমার আওতাধীন আট শতাধিক কারখানার মধ্যে শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে।" নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর ও জিরাবো এলাকার কিছু কারখানা ছাড়া সাভারের অন্যান্য এলাকায় বেশিরভাগ কারখানায় কাজ চলছে। তবে কিছু কারখানায় সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এসব তথ্য প্রদান করেন।

এরপর বিকালে তিনি যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার বিকালে সাভারের হেমায়েতপুর ও তেঁতুলঝোড়া এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। তবে শিল্প পুলিশের প্রচেষ্টায় দুই ঘণ্টার মধ্যে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে, সাভার-আশুলিয়া-ধামরাই শিল্পাঞ্চলে শ্রম অসন্তোষ দূর করা, গ্রেফতারকৃত নেতাদের মুক্তি এবং দ্রুত সম্মানজনক নতুন মজুরি কাঠামোর দাবিতে মঙ্গলবার বিকালে সাভার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে শ্রমজীবী ঐক্য পরিষদ। এতে ১২টি শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সুমাইয়া ইসলাম সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করার জন্য সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি নেতারা কারখানাগুলোতে কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এবং উৎপাদনে মনোনিবেশ করতে শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

শ্রমিক নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, "কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত নাশকতায় সাধারণ শ্রমিকরা জড়িত নন।" তাই অযথা নিরপরাধ শ্রমিকদের হয়রানি না করার জন্য প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মোজো বিরাট CARবার’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ এম


‘মোজো বিরাট CARবার’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

বাংলাদেশের ১ নম্বর বেভারেজ ব্র্যান্ড মোজোর সর্ববৃহৎ কনজিউমার ক্যাম্পেইন ‘মোজো বিরাট CARবার’ ভোক্তাদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা, আস্থা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৩ নভেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজিত বর্ণাঢ্য মেগা গিফট হ্যান্ডওভার সেরিমনির মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের আনন্দ ও সাফল্য ভোক্তাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সৌভাগ্যবান বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফ্যামিলি কার, একাধিক স্পোর্টস মোটরসাইকেল, স্মার্ট টিভি ও আইফোনসহ আকর্ষণীয় সব মেগা পুরস্কার।

অনুষ্ঠানে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জনাব সৈয়দ জহুরুল আলম এবং প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিজয়ীদের হাতে মেগা পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় ভোক্তাদের সঙ্গে মোজোর দীর্ঘদিনের ভালোবাসা, আস্থা ও সুদৃঢ় বন্ধনের এক আনন্দঘন মুহূর্ত উদযাপিত হয়।

সৈয়দ জহুরুল আলম অনুষ্ঠানে বলেন, “মোজোর প্রতিটি উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছেন আমাদের সম্মানিত ভোক্তারা। ‘মোজো বিরাট CARবার’-এ তাঁদের অভূতপূর্ব সাড়া, স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং ভালোবাসা আমাদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। এই ক্যাম্পেইন শুধু পুরস্কার জেতার একটি আয়োজন নয়, বরং আমাদের ভোক্তাদের সঙ্গে গড়ে ওঠা আন্তরিক সম্পর্ক উদযাপনের একটি উপলক্ষ। ক্যাম্পেইনটিকে সফল করে তোলার জন্য আমরা প্রত্যেক ভোক্তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের এই ভালোবাসা ও আস্থা আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমরা ভবিষ্যতেও আরো বড়, আরো আনন্দময় ও ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভোক্তাদের জীবনে আনন্দের নতুন উপলক্ষ তৈরি করতে চাই। মোজোর সঙ্গে তাদের এই পথচলা আরও দীর্ঘ ও আনন্দময় হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

‘মোজো বিরাট CARবার’ ক্যাম্পেইনটি মোজো ও ক্লেমনের ১ লিটার এবং ২ লিটার পেট বোতলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের জন্য ভোক্তাদের বোতলের লেবেলে থাকা QR কোড স্ক্যান করে মাইক্রোসাইটে প্রবেশ করতে হয়েছে এবং বোতলের ক্যাপের নিচে থাকা ইউনিক কোড সাবমিট করতে হয়েছে। মেগা পুরস্কারের পাশাপাশি ক্যাম্পেইনে লক্ষ লক্ষ আকর্ষণীয় উপহার ছিল, যা ভোক্তাদের আনন্দকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

মোজো তরুণদের উদ্দীপনা, প্রাণবন্ততা ও আধুনিক লাইফস্টাইলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। দীর্ঘদিন ধরে উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও ব্যতিক্রমী আয়োজনের মাধ্যমে ভোক্তাদের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলছে। ব্র্যান্ডটির কাছে ভোক্তাদের প্রতিটি ভালোবাসা, প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রতিটি অভিজ্ঞতা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ‘মোজো বিরাট CARবার’ সেই সম্পর্ককে আরো গভীর ও অর্থবহ করে তোলার একটি অনন্য প্রয়াস।

ভোক্তাদের ভালোবাসাকে শক্তি এবং তাদের আস্থাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে ধারণ করে মোজো ভবিষ্যতেও নিয়ে আসবে আরো বড় আয়োজন, নতুন অভিজ্ঞতা ও আনন্দের অসংখ্য উপলক্ষ—যেখানে ব্র্যান্ডের সঙ্গে ভোক্তাদের সম্পর্ক হবে আরো নিবিড়, আরো আন্তরিক এবং আরো প্রাণবন্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%