ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আশুলিয়ায় শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে: এসপি মোমিনুল ইসলাম


আশুলিয়ায় শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে: এসপি মোমিনুল ইসলাম

সাভার-আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর এসপি মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, "আমার আওতাধীন আট শতাধিক কারখানার মধ্যে শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে।" নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর ও জিরাবো এলাকার কিছু কারখানা ছাড়া সাভারের অন্যান্য এলাকায় বেশিরভাগ কারখানায় কাজ চলছে। তবে কিছু কারখানায় সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এসব তথ্য প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্য মেলার আয়োজনের ঘোষণা প্রধান তথ্য কমিশনারের

এরপর বিকালে তিনি যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার বিকালে সাভারের হেমায়েতপুর ও তেঁতুলঝোড়া এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। তবে শিল্প পুলিশের প্রচেষ্টায় দুই ঘণ্টার মধ্যে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে, সাভার-আশুলিয়া-ধামরাই শিল্পাঞ্চলে শ্রম অসন্তোষ দূর করা, গ্রেফতারকৃত নেতাদের মুক্তি এবং দ্রুত সম্মানজনক নতুন মজুরি কাঠামোর দাবিতে মঙ্গলবার বিকালে সাভার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে শ্রমজীবী ঐক্য পরিষদ। এতে ১২টি শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সুমাইয়া ইসলাম সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করার জন্য সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি নেতারা কারখানাগুলোতে কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এবং উৎপাদনে মনোনিবেশ করতে শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

শ্রমিক নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, "কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত নাশকতায় সাধারণ শ্রমিকরা জড়িত নন।" তাই অযথা নিরপরাধ শ্রমিকদের হয়রানি না করার জন্য প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন: সোনামসজিদ স্থলবন্দরে বিক্ষোভ, ভারতীয় ট্রাকের জটের আশঙ্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মোজো বিরাট CARবার’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ এম


‘মোজো বিরাট CARবার’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

বাংলাদেশের ১ নম্বর বেভারেজ ব্র্যান্ড মোজোর সর্ববৃহৎ কনজিউমার ক্যাম্পেইন ‘মোজো বিরাট CARবার’ ভোক্তাদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা, আস্থা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৩ নভেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজিত বর্ণাঢ্য মেগা গিফট হ্যান্ডওভার সেরিমনির মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের আনন্দ ও সাফল্য ভোক্তাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সৌভাগ্যবান বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফ্যামিলি কার, একাধিক স্পোর্টস মোটরসাইকেল, স্মার্ট টিভি ও আইফোনসহ আকর্ষণীয় সব মেগা পুরস্কার।

অনুষ্ঠানে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জনাব সৈয়দ জহুরুল আলম এবং প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিজয়ীদের হাতে মেগা পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় ভোক্তাদের সঙ্গে মোজোর দীর্ঘদিনের ভালোবাসা, আস্থা ও সুদৃঢ় বন্ধনের এক আনন্দঘন মুহূর্ত উদযাপিত হয়।

সৈয়দ জহুরুল আলম অনুষ্ঠানে বলেন, “মোজোর প্রতিটি উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছেন আমাদের সম্মানিত ভোক্তারা। ‘মোজো বিরাট CARবার’-এ তাঁদের অভূতপূর্ব সাড়া, স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং ভালোবাসা আমাদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। এই ক্যাম্পেইন শুধু পুরস্কার জেতার একটি আয়োজন নয়, বরং আমাদের ভোক্তাদের সঙ্গে গড়ে ওঠা আন্তরিক সম্পর্ক উদযাপনের একটি উপলক্ষ। ক্যাম্পেইনটিকে সফল করে তোলার জন্য আমরা প্রত্যেক ভোক্তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের এই ভালোবাসা ও আস্থা আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমরা ভবিষ্যতেও আরো বড়, আরো আনন্দময় ও ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভোক্তাদের জীবনে আনন্দের নতুন উপলক্ষ তৈরি করতে চাই। মোজোর সঙ্গে তাদের এই পথচলা আরও দীর্ঘ ও আনন্দময় হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

‘মোজো বিরাট CARবার’ ক্যাম্পেইনটি মোজো ও ক্লেমনের ১ লিটার এবং ২ লিটার পেট বোতলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের জন্য ভোক্তাদের বোতলের লেবেলে থাকা QR কোড স্ক্যান করে মাইক্রোসাইটে প্রবেশ করতে হয়েছে এবং বোতলের ক্যাপের নিচে থাকা ইউনিক কোড সাবমিট করতে হয়েছে। মেগা পুরস্কারের পাশাপাশি ক্যাম্পেইনে লক্ষ লক্ষ আকর্ষণীয় উপহার ছিল, যা ভোক্তাদের আনন্দকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

মোজো তরুণদের উদ্দীপনা, প্রাণবন্ততা ও আধুনিক লাইফস্টাইলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। দীর্ঘদিন ধরে উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও ব্যতিক্রমী আয়োজনের মাধ্যমে ভোক্তাদের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলছে। ব্র্যান্ডটির কাছে ভোক্তাদের প্রতিটি ভালোবাসা, প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রতিটি অভিজ্ঞতা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ‘মোজো বিরাট CARবার’ সেই সম্পর্ককে আরো গভীর ও অর্থবহ করে তোলার একটি অনন্য প্রয়াস।

ভোক্তাদের ভালোবাসাকে শক্তি এবং তাদের আস্থাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে ধারণ করে মোজো ভবিষ্যতেও নিয়ে আসবে আরো বড় আয়োজন, নতুন অভিজ্ঞতা ও আনন্দের অসংখ্য উপলক্ষ—যেখানে ব্র্যান্ডের সঙ্গে ভোক্তাদের সম্পর্ক হবে আরো নিবিড়, আরো আন্তরিক এবং আরো প্রাণবন্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলশানে উদ্বোধন হলো ‘গোল্ড কিনেন’-এর প্রথম এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ এম


গুলশানে উদ্বোধন হলো ‘গোল্ড কিনেন’-এর প্রথম এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার

রাজধানীর গুলশানে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে গোল্ড কিনেন-এর প্রথম এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকরা সরাসরি গোল্ড বার ও কয়েন দেখতে, গোল্ড সঞ্চয় সম্পর্কে জানতে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য ও ভাউচার ক্রয় করতে পারবেন। এটি বাংলাদেশের প্রথম ও ১ নম্বর গোল্ড সঞ্চয় অ্যাপ গোল্ড কিনেন-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

গুলশান এভিনিউতে, ‘এলিগ্যান্ট স্কয়ার’ ভবনের নিচতলায় (বাড়ি নং ৩/বি, রোড ১১১) অবস্থিত এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে রয়েছে গোল্ড কিনেন-এর সম্পূর্ণ ২২ ক্যারেট, হলমার্কড ও সার্টিফায়েড গোল্ড বার ও কয়েনের সংগ্রহ। এখানে ০.৫, ১, ৫ ও ১০ গ্রামের গোল্ড বার এবং ২ ও ৪ গ্রামের গোল্ড কয়েন পাওয়া যাবে। সব পণ্যই তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয়ের জন্য উপলব্ধ।

এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার গোল্ড কিনেন-এর অ্যাপভিত্তিক সেবার পাশাপাশি সরাসরি পণ্য দেখার ও জানার সুযোগ তৈরি করেছে। এখানে আগত গ্রাহকরা উপলব্ধ পণ্য দেখে ক্যাশ, কার্ড বা মোবাইল ওয়ালেটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গোল্ড কয়েন ও বার ক্রয় করতে পারবেন। এছাড়াও, গোল্ড কিনেন অ্যাপের মাধ্যমে কিভাবে গোল্ড সঞ্চয় করা যায় এবং প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য সেবা কিভাবে কাজ করে, সে সম্পর্কেও জানতে পারবেন। যারা ইতিমধ্যে অ্যাপে গোল্ড সঞ্চয় করছেন, তাদের জন্য এটি নিজেদের সঞ্চয়ের লক্ষ্যকে বাস্তবে দেখার সুযোগ। আর যারা প্রথমবার গোল্ড কিনেন সম্পর্কে জানতে চান, তারা ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পণ্য ও সেবা সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন।

ব্যক্তিগত সংগ্রহ, বিশেষ উপলক্ষ কিংবা করপোরেট উপহারের জন্য এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার থেকে হলমার্কড সার্টিফায়েড গোল্ড বার ও কয়েন তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয় করা যাবে। উদ্বোধনের সঙ্গে নতুনভাবে চালু হচ্ছে গোল্ড ভাউচার, যা সেন্টার থেকেই ক্রয় করা যাবে। গোল্ড উপহার দেওয়ার আরো একটি সুবিধাজনক উপায় হিসেবে এই ভাউচার ব্যবহার করা যাবে। প্রাপক গোল্ড কিনেন অ্যাপের মাধ্যমে ভাউচারটি রিডিম করতে পারবেন এবং রিডিম করার দিনের অফিশিয়াল বাজারমূল্য অনুযায়ী গোল্ডের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রযুক্তির মাধ্যমে গোল্ড সঞ্চয়কে আরো সহজলভ্য করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে গোল্ড কিনেন। এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার সেই লক্ষ্যকে আরো বিস্তৃত করেছে। এখানে আগত গ্রাহক যারা গোল্ড ক্রয় করতে চান, পণ্যের সংগ্রহ দেখতে চান, গোল্ড সঞ্চয় সম্পর্কে জানতে চান কিংবা গোল্ড কিনেন-এর সেবা সম্পর্কে আরো বুঝতে চান, সবার জন্যই এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

গোল্ড কিনেন-এর প্রতিষ্ঠাতারা বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রযুক্তির মাধ্যমে গোল্ড ক্রয় ও সঞ্চয়কে মানুষের জন্য সহজ, নিরাপদ ও সুবিধাজনক করে তোলা। এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকরা এখন আমাদের পণ্য সরাসরি দেখতে, জানতে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয় করতে পারবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ গ্রাহকদের আস্থা আরও দৃঢ় করবে এবং তাদের গোল্ড সঞ্চয়ের যাত্রাকে আরও বাস্তব ও অনুপ্রেরণাদায়ক করে তুলবে।”

২০২২ সালে যাত্রা শুরু করা গোল্ড কিনেন বাংলাদেশের প্রথম ও ১ নম্বর গোল্ড সঞ্চয় অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকরা সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকেই ২২ ক্যারেট, হলমার্কড ও সার্টিফায়েড গোল্ড ক্রয় ও সঞ্চয় শুরু করতে পারেন। বর্তমানে দেশজুড়ে গোল্ড কিনেন-এর নিবন্ধিত গ্রাহকের সংখ্যা ৫ লাখেরও বেশি। গ্রাহকদের গোল্ড বীমাকৃত, ব্যাংক-গ্রেড ভল্টে নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়। গ্রাহকরা চাইলে অ্যাপে সঞ্চিত গোল্ড যেকোনো সময়ে যেকোনো পরিমাণে বিক্রি করতে পারেন অথবা ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় হোম ডেলিভারি এবং দেশব্যাপী ৬৫০টিরও বেশি পিক-আপ পয়েন্ট থেকে গোল্ড বার বা কয়েন আকারে উত্তোলন করতে পারেন।

গোল্ড কিনেন-এর উদ্ভাবনী সেবা, সম্প্রতি Mastercard Presents 4th Bangladesh Fintech Awards 2026-এ দুটি স্বীকৃতি অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি “Democratising Gold Saving: Technology-Enabled Financial Inclusion for Bangladesh” উদ্যোগের জন্য বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছে, Fintech Innovation of the Year – Tech খাতে এবং “Making Gold Accessible: A New Path to Financial Inclusion” উদ্যোগের জন্য Honourable Mention, Fintech Innovation of the Year – Financial Inclusion খাতে সম্মাননা পেয়েছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি Mastercard Presents 3rd Bangladesh Fintech Awards 2025-এ ‘Honourable Mention – Fintech Start-up of the Year’ এবং Bangladesh Startup Summit 2026-এ ‘Honourable Mention – Retail Start-up of the Year’ স্বীকৃতি অর্জন করে।

প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা ও সুবিধাকে একত্র করে গোল্ড কিনেন দেশজুড়ে মানুষের জন্য গোল্ড ক্রয় ও সঞ্চয়ের অভিজ্ঞতাকে আরো সহজলভ্য করে তুলতে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার পদায়ন, দুজন বদলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ এম


৪ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার পদায়ন, দুজন বদলি

দেশের ৪ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে চার কর্মকর্তাকে পদায়ন করেছে সরকার। একই সঙ্গে আরো দুজন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে উপসচিব তৌছিফ আহমেদ সই করেছেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নীলফামারীর পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁনকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমকে নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নেত্রকোনা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এসআরবির উপ-পরিচালক মো. বদরুদ্দোজাকে মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিনকে ডিএমপিতে বদলি করা হয়েছে। বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার মো. কুদরত ই খুদাকে জামালপুর জেলায় নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া এসআরবির পুলিশ সুপার কে এম এ মামুন খান চিশতীকে বরগুনা জেলার পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রহ্মপুত্রের মাঝনদীতে চলন্ত নৌকায় প্রসূতি নারী যমজ সন্তানের জন্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ এম


ব্রহ্মপুত্রের মাঝনদীতে চলন্ত নৌকায় প্রসূতি নারী যমজ সন্তানের জন্ম

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদের মাঝখানে চলন্ত নৌকায় যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নৌকায় থাকা নারী যাত্রীদের সহযোগিতায় প্রথমে ছেলে ও পরে মেয়েসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বজনেরা জানিয়েছেন, মা ও দুই নবজাতক সুস্থ রয়েছে।

ফুলছড়ির এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান আকন্দ সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে জানান, ওই নারী স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গম চরাঞ্চল থেকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। পথে নৌকার মধ্যে তার তীব্র প্রসববেদনা শুরু হয়। এ সময় নৌকায় থাকা নারী যাত্রীরা তাকে সহযোগিতা করেন। পরে নৌকাতেই তিনি যমজ সন্তানের জন্ম দেন। চিকিৎসা শেষে মা ও নবজাতকদের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।

ফুলছড়ি সদর ইউনিয়নের শাহিন মিয়া জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জিগাবাড়ীঘাট থেকে নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। ব্রহ্মপুত্র নদ পেরিয়ে যাওয়ার পথে সকাল ১০টার দিকে মাঝনদীতে পৌঁছালে ওই নারীর প্রসববেদনা শুরু হয়। নদীর মাঝখানে থাকায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। এ সময় নারী যাত্রীরা তাকে ঘিরে রাখেন। একপর্যায়ে নৌকাতেই তিনি যমজ সন্তানের জন্ম দেন।

যমজ সন্তান পেয়ে খুশি ওই নারীর স্বামী মনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে বলেন, স্ত্রীকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করানোর জন্য গাইবান্ধায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। পথে নৌকায় হঠাৎ তার স্ত্রীর প্রসববেদনা শুরু হয়। নদীর মাঝখানে থাকায় তারা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। পরে নৌকায় থাকা নারী যাত্রী ও অন্যদের সহযোগিতায় তার স্ত্রী যমজ সন্তানের জন্ম দেন। সৃষ্টিকর্তার রহমতে মা ও দুই সন্তান ভালো আছে।

চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান আকন্দ আরো বলেন, দুর্গম চরাঞ্চল থেকে প্রসূতি নারী কিংবা অসুস্থ ব্যক্তিদের উপজেলা বা জেলা সদরে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়। কারণ, চরাঞ্চলে প্রসূতিসেবা, সন্তান প্রসব কিংবা অন্যান্য চিকিৎসা নেওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। গত সপ্তাহেও এক প্রসূতি নৌকায় সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তবে এভাবে নৌকায় সন্তান জন্ম দেওয়া কোনোভাবেই নিরাপদ বা সহজ বিষয় নয়।

চর গবেষক আফতাব হোসেন বলেন, চরাঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে জরুরি মুহূর্তে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কতটা কঠিন, ব্রহ্মপুত্রের মাঝনদীতে সন্তান জন্ম দেওয়ার ঘটনা তার উদাহরণ। এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে, যদিও দু-একটি ঘটনা জানা যায়। চরাঞ্চলের সুবিধাজনক স্থানে প্রসূতি নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করতে তিনি স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%