০২:৫৯ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের অবসান এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের আশা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হতে পারে, যা বাজারমূল্য থেকে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি প্রিমিয়াম কমানোর দিকে পরিচালিত করছে। এর ফলস্বরূপ, প্রধান বেঞ্চমার্কগুলোর তেলের দামে পতন দেখা যাচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল ৯৫.৬০ ডলারে নেমে এসেছে, যা ০.৮৯ শতাংশের মতো কম। অন্যদিকে, ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৩.০০ ডলারে (১.৬৮% হ্রাস) এবং মুরবান ক্রুড ১০২.২০ ডলারে (২.৯৮% হ্রাস) লেনদেন হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার যে আশঙ্কা এতদিন বাজারে বিদ্যমান ছিল, কাতার ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের কূটনৈতিক তৎপরতা সেই ভীতি অনেকাংশে কাটিয়ে উঠেছে। তবে হরমুজ প্রণালীর আশপাশে এখনও বিক্ষিপ্ত হামলা ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা পুরোপুরি দূর হয়নি।
আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা হ্রাসের পেছনে কারণগুলো বিশ্লেষণ
তেলের দাম কমার এই প্রবণতা মূলত ভবিষ্যৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার একটি মানসিক স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত বেশ অস্থির বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবুও, জ্বালানি তেলের এই দরপতন বিশ্বজুড়ে আমদানিকারক দেশ, পরিবহন খাত এবং সাধারণ ভোক্তাদের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: গালফ নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন