রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৭ পি.এম
১১ বছর বয়স। কিশোর বলা যায় কি? এই বয়সের শৈশব না কৈশোরের মধ্যে বিভাজন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, কিন্তু যদি কেউ মহাদেশীয় গেমসে সোনা জিতেন, তাহলে বিষয়টি বিস্ময়কর হয়ে ওঠে।
এশিয়ান গেমসে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। জাপানের ১১ বছর বয়সী গেমার ইউকি কুরিহারা ই-স্পোর্টসের খেলা পুইও পুইও চ্যাম্পিয়নসে সোনা অর্জন করেছেন।
ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাং দং-শিনের বিরুদ্ধে তিনি প্রথমে ০-১ পিছিয়ে ছিলেন। এরপর তিনি ফিরে এসে ১০-২ ব্যবধানে জয়লাভ করেন। ইউকিকে এই গেমসের সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
জয়ের পর ইউকি বলেন, “সত্যি কথা বলতে, আমার একটু লজ্জা লাগছিল, তাই আমি আমার মুখের ভাব খুব একটা বদলাতে পারিনি।” সোনার পদক হাতে নিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব খুশি। পদকটা সত্যিই সুন্দর, চকচকে আর ভারী।”
পুইও পুইও চ্যাম্পিয়নস একটি পাজল গেম। এই গেমে খেলোয়াড়রা রঙিন বল জুড়ে দিয়ে স্ক্রিন থেকে সেগুলো সরিয়ে ফেলেন। ইউকি প্রথম শ্রেণিতে থাকতেই এই গেম খেলা শুরু করেন। পরে তিনি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে শুরু করেন এবং জয়ী হতে থাকেন।
এই বছরের এপ্রিলে তিনি পেশাদার লাইসেন্স লাভ করেন। এরপর থেকে নিয়মিত বড়দের হারিয়ে দিচ্ছেন। গেমসের আগে ইউকি বলেছিলেন, স্কুল এবং অতিরিক্ত ক্লাসের পাশাপাশি ই-স্পোর্টস চালিয়ে যাওয়া সহজ নয়। তবে তিনি এই কাজটি উপভোগ করেন। গ্রীষ্মের ছুটিতে তিনি আরও অনুশীলন করে নতুন দক্ষতা তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন।
এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সী পদকজয়ীদের নিয়ে কোনো অফিসিয়াল তথ্য নেই। তবে ২০১৮ সালে জাকার্তায় ১২ বছর বয়সী ইন্দোনেশিয়ার বুঙ্গা নিমাস মেয়েদের স্কেটবোর্ডিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। এর তিন বছর আগে হ্যাংজোতে ১৩ বছর বয়সী কুই চেনসি মেয়েদের স্ট্রিট স্কেটবোর্ডিংয়ে সোনা জিতেছিলেন। তাই ইউকি যে রেকর্ড গড়েছেন, তা আপাতত বলাই যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা এবং অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা বিয়ের পর প্রথমবারের মতো একসঙ্গে বড়পর্দায় জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন। বাস্তব জীবনের এই জুটি এবার পর্দায় ফিরছেন 'রানাবালি' সিনেমার মাধ্যমে। সিনেমাটির মুক্তির ঠিক আগমুহূর্তে তাদের মধ্যে মিষ্টি রসায়ন ও খুনসুটি সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি, সিনেমাটির ‘এন্ধাইয়া সামি’ গানের একটি ক্লিপ সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন রাশমিকা মান্দানা। সেখানে তিনি অভিনেতা বিজয়কে নিয়ে নিজের ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেছেন।
অভিনেত্রী মন্তব্য করেন, ‘এটা ভাবতেই অবাক লাগে যে, সে পুরোপুরি আমার। তবু তার প্রতি ক্রাশ খাওয়া আমি থামাতে পারি না।’
রাশমিকার পোস্টের এই মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। অভিনেতা লিখেছেন— ‘আমি আশীর্বাদপুষ্ট। আমি জয়াম্মাকে মিস করব। তবে তোমাকে তো সারাজীবনের জন্য পেয়েছি।’
এ সিনেমায় বিজয় অভিনয় করছেন নাম-ভূমিকায় ‘রানাবালি’ চরিত্রে। অন্যদিকে, রাশমিকাকে দেখা যাবে সংগ্রামের সঙ্গী জয়াম্মা চরিত্রে।
উল্লেখ্য, 'রানাবালি' সিনেমার গল্পের পটভূমি ভারতের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অধ্যায় ১৮৭৬-৭৮ সালের মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষ। আইএমডিবির তথ্যানুযায়ী, ১৮৭০ সালের দক্ষিণ ভারতে দুর্ভিক্ষের সময় এক বিদ্রোহী যোদ্ধা ব্রিটিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন এবং নিজের অঞ্চল ও মানুষের সুরক্ষায় এগিয়ে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সরকারি দল বা প্রশাসনের প্রভাব খাটিয়ে কেউ যদি কোনো অপকর্ম বা ভাঙচুর করে, তাহলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দেন যে, অপরাধী যে-ই হোক, আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর মিরপুরে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে সাম্প্রতিক হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নাম বা সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে কেউ পার পাবে না। মিরপুরের ঘটনায় ইতোমধ্যেই ৯ জনকে দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও জানান, যেকোনো অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শুরু থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের মুখোমুখি করতে কাজ করছে।
দেশের শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মাহদী আমিন বলেন, দুষ্কৃতকারীরা যেকোনো পরিচয় ব্যবহারের চেষ্টা করুক না কেন, তাদের অপরাধের বিরুদ্ধে সরকার সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে হামলার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও। এই ঘটনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ঘটনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ ক্ষোভ জানিয়ে দেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে সালমান মুক্তাদির তার স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বর্ণনা দিচ্ছেন।
ভিডিওর ক্যাপশনে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, গভীর রাতে জুলাইযোদ্ধা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের বাসা ও স্টুডিওতে চাঁদাবাজদের হানা, ভাঙচুর ও লুটতরাজ হয়েছে। তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশে বলেন, ‘মাঝে মাঝে মধু আহরণকারী চাঁদাবাজরা মৌচাক মনে করে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছুড়ে দেয়। তখন সেই ঢিল বুমেরাং হয়ে তাদের দিকেই ফিরে আসে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, কর্তৃত্বশালীরা নিজেদের চাঁদাবাজদের কীভাবে সামলাবেন? একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, হ্যাঁ, এর শেষ হবে একদিন, ইনশাআল্লাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সান ফ্রান্সিসকো জায়ান্টসের একটি খেলায় এক নারী শিশুকে কোলে নিয়ে খাবারের প্যাকেট হাতে আসনে ফিরছিলেন। পাশের আসনে থাকা স্বামী তখন খাবার খাচ্ছিলেন। মুহূর্তটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্বামীকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ধারাভাষ্যকাররা ওই নারীকে মজা করে ‘বর্ষসেরা মা’ বলে অভিহিত করলেও অনলাইনে অনেকেই স্বামীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে ভাইরাল ভিডিওতে পুরো ঘটনার চিত্র তুলে ধরা হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই নারী। তিনি নিজেকে এরিকা বলে পরিচয় দেন এবং শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক লেখায় পুরো ঘটনাটি ব্যাখ্যা করেছেন।
এরিকা জানান, মঙ্গলবারের (২২ সেপ্টেম্বর) খেলায় তিনি তাদের মেয়েকে নিয়ে শৌচাগারে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তিনি স্বামীর জন্য খাবার নিয়ে আসার প্রস্তাব দেন। স্বামী রামসেস তাকে কম ভিড়ের জায়গা থেকে খাবার আনতে বলেন।
খাবার নিয়ে ফেরার পর রামসেস তাকে আগে খেতে চান কি না জানতে চেয়েছিলেন। এরিকা জানান, তিনি খেলার আগে খেয়েছিলেন এবং তার স্বামী সেদিন ঠিকমতো খাবার খেতে পারেননি। তাই তিনি স্বামীকে আগে খেতে বলেন।
রামসেস তার কোলে থাকা খাবারের প্যাকেটগুলো সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নিজের খাবার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন বলে জানান এরিকা। তবে তিনি তা নিতে রাজি হননি।
খেলার সময় ক্যামেরা তাদের ওপর থাকাকালে ধারাভাষ্যকার মাইক ক্রুকো ও ডুয়েন কুইপার পুরো ঘটনাটি নিয়ে মজা করেন। তারা এরিকাকে ‘বর্ষসেরা মা’ বলে অভিহিত করেন এবং রামসেস নাকি তাকে টমেটোর সস আনতে বলেছেন—এমন কথাও মজা করে বলেন।
এরিকা জানান, এমন কোনো কথোপকথন তাদের মধ্যে হয়নি। তার ভাষ্য, টেলিভিশনে ঘটনাটি একভাবে দেখা গেলেও তারা দুজন একে অপরের কথা শুনতে পাচ্ছিলেন। কিন্তু ধারাভাষ্যকার ও দর্শকরা তাঁদের কথোপকথন শুনতে পাননি।
এরিকা জানান, রামসেসের শৈশবের এক বন্ধু সম্প্রতি মারা গেছেন। ওই বন্ধু ছিলেন প্রতিভাবান বেসবল খেলোয়াড়। বন্ধুটিকে স্মরণ করার সুযোগ হিসেবে তিনিই স্বামীকে খেলাটি দেখতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাই সেদিন স্বামী যেন খেলাটি উপভোগ করতে পারেন, সেটিও তিনি চেয়েছিলেন।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথমে তারা দুজন বিষয়টি নিয়ে হাসাহাসি করেছিলেন। কিন্তু পরে অপরিচিত মানুষজন রামসেসকে নিয়ে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন। এমনকি কেউ কেউ তাদের নাম ও ফোন নম্বর খুঁজে বের করে রামসেসকে আত্মহত্যা করতে বলেও বার্তা পাঠান বলে জানান এরিকা।
তিনি বলেন, ধারাভাষ্যকার ও দলের পক্ষ থেকে কাউকে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল বলে তিনি মনে করেন না। তবে তাদের করা রসিকতা তার স্বামীকে অনলাইনে উপহাসের কেন্দ্রে পরিণত করেছে।
এরিকা বলেন, টেলিভিশনে কয়েক মুহূর্তের বিনোদন তাদের পরিবারের জন্য কয়েক দিনের কষ্টে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তাকে ‘বর্ষসেরা মা’ বলায় তিনি খুশি। তবে তার জীবন সম্পর্কে ধারণা করার আগে তার নিজের কথাও শোনা উচিত। তিনি যা করেছেন, তার প্রশংসা করা যেতে পারে; কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাকে সবকিছু একাই করতে হয়।
সূত্র: দ্য এনবিসি নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ