বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ পি.এম
বিজ্ঞানীরা চাঁদে একটি বিশাল গর্তের সন্ধান পেয়েছেন। এই গর্তের আকার রোমান কলোসিয়ামের থেকেও বড়। প্রায় দুই বছর আগে একটি শক্তিশালী মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতের ফলে গর্তটি সৃষ্টি হয়, তবে তখন এটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। গর্তটির ব্যাস প্রায় ৭২৮ ফুট বা ২২২ মিটার এবং গভীরতা সর্বাধিক ১৪১ ফুট বা ৪৩ মিটার। এর চারপাশের দেয়ালও বেশ খাড়া।
গবেষকদের মতে, এটি সৌরজগতে সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি হওয়া সবচেয়ে বড় আঘাতজনিত গর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এ ধরনের বড় আঘাতের ঘটনা গড়ে প্রতি ১৩২ বছরে একবার ঘটে। তাই এই গর্তটি চাঁদের পৃষ্ঠ এবং মহাজাগতিক আঘাত সম্পর্কে গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উৎস হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে, নাসা যখন ভবিষ্যতে চাঁদে নভোচারীদের জন্য একটি ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনা করছে, তখন এই আবিষ্কার সেই পরিকল্পনায় সহায়ক হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে বুধবার সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে দুটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। একটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ঘটনাটিকে অত্যন্ত বিরল বলে উল্লেখ করেছেন। নাসার লুনার রিকনেসেন্স অরবিটার (এলআরও) ২০২৪ সালের মে মাসে চাঁদের পৃথিবীমুখী অংশে গর্তটি শনাক্ত করে। ধারণা করা হচ্ছে, এর কিছুদিন আগে একটি গ্রহাণু বা ধূমকেতুর ভেঙে যাওয়া অংশ চাঁদে আঘাত করলে গর্তটি তৈরি হয়।
আঘাতের সময় পৃথিবী বা মহাকাশে থাকা টেলিস্কোপগুলো ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করতে পারেনি। বিপুল পরিমাণ তথ্যের কারণে ২০২৫ সালের আগস্টের আগে এলআরও-এর তোলা বিস্তৃত-কোণের ছবিতেও গর্তটি ধরা পড়েনি। পরে মহাকাশযানটি আরও বিস্তারিত ছবি সংগ্রহ করে এবং চলতি বছরের শুরুতে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কারটি নিশ্চিত করেন।
গহ্বরটির নাম রাখা হয়েছে হিউস্টনের লুনার অ্যান্ড প্ল্যানেটারি ইনস্টিটিউটের প্রয়াত সাবেক পরিচালক টমাস ম্যাকগেচিনের নামে। এটি প্রায় এক দশক আগে এলআরও-এর আবিষ্কার করা আগের রেকর্ডধারী গর্তটির চেয়ে তিন গুণ বড়। চাঁদের পৃষ্ঠে প্রাচীনকাল থেকেই অসংখ্য গর্ত রয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই গ্রহাণু, ধূমকেতু বা অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতে তৈরি হয়েছে। চাঁদে সৌরজগতের সবচেয়ে বড় কয়েকটি আঘাতজনিত গর্তও বিদ্যমান। এর মধ্যে একটি গর্তের বিস্তৃতি এক হাজার ৫০০ মাইল বা প্রায় দুই হাজার ৪০০ কিলোমিটারের বেশি।
নতুন গর্তটি তৈরির সময় চাঁদের ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকাজুড়ে মাটি ও পাথরের স্তর ওলটপালট হয়ে যায়। ইনটুইটিভ মেশিনসের গবেষক এবং এলআরও-এর ক্যামেরা দলের প্রধান বিজ্ঞানী মার্ক রবিনসন জানান, চাঁদের ধুলো ও পাথুরে মাটি বিজ্ঞানীদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি খাড়া কোণে চারদিকে ছিটকে পড়েছিল।
এ বিষয়ে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রের প্রধান লেখকও তিনি। অন্য একটি গবেষণায় নতুন গর্তটির চারপাশে প্রায় ৭ কিলোমিটার চওড়া একটি অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা অঞ্চল শনাক্ত করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, চাঁদের উপরিভাগের মাটি আলগা হয়ে যাওয়ার কারণে এই অঞ্চল তৈরি হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসের গবেষক এবং গবেষণাটির সহলেখক ডেভিড পেইজ এই প্রক্রিয়াকে বাগানের মাটি চাষ বা খুঁড়ে ওলটপালট করার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
এক বিবৃতিতে পেইজ বলেন, মহাজাগতিক বস্তুর আঘাত চাঁদের উপরিভাগের মাটি বা ‘রেগোলিথ’ নাড়িয়ে দেয়। এতে মাটির স্তর ওলটপালট হয় এবং সাধারণত মাটির নিচে থাকা উপাদানগুলোও উপরে উঠে আসে।
২০০৯ সালে উৎক্ষেপণের পর থেকে এলআরও চাঁদে অসংখ্য গর্ত আবিষ্কার করেছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতে ছিটকে পড়া পদার্থের কারণে চাঁদের উপরিভাগের প্রায় ২ সেন্টিমিটার বা ১ ইঞ্চি গভীর মাটি প্রতি ৮০ হাজার বছরে একবার ওলটপালট হয়ে যায়। আগে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, এই পরিবর্তন ঘটতে আরো বেশি সময় লাগে। নতুন তথ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, চাঁদের উপরিভাগের মাটি আগের ধারণার তুলনায় দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।
অনেকে মনে করেন, অ্যাপোলো মিশনের নভোচারীদের চাঁদের মাটিতে রেখে যাওয়া ধুলোমাখা পায়ের ছাপ হয়তো চিরকাল টিকে থাকবে। তবে মার্ক রবিনসনের মতে, তা হবে না। তিনি এক ইমেইলে জানান, দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এসব পায়ের ছাপ নিশ্চিতভাবেই আর টিকে থাকবে না।
এখন গবেষকদের পরবর্তী কাজ হলো, চাঁদের বিভিন্ন গর্ত থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসা মাটি ও পাথরের টুকরো ভবিষ্যতে নাসার পরিকল্পিত চন্দ্রঘাঁটিতে আঘাত হানার ঝুঁকি কতটা, তা নির্ণয় করা। রবিনসনের মতে, এই তথ্য প্রকৌশলীদের চন্দ্রঘাঁটির কাঠামো আরো নিরাপদভাবে নকশা করতে সাহায্য করবে। ফলে মহাজাগতিক আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে হাওরে হাঁস চরাতে গিয়ে বজ্রপাতে শফিকুল মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু ঘটে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের পাউকাটা হাওরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক সাতগাঁও গ্রামের ইসহাক মেম্বারের পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সকালে শফিকুল হাঁস চরাতে পাউকাটা হাওরে গিয়েছিলেন। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। পরে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন জানান, ‘বজ্রপাতে শফিকুলের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অলিদুজ্জামান বলেন, নিহতের দাফন-কাফনের জন্য নিয়ম অনুযায়ী সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কারাবাও কাপের তৃতীয় রাউন্ডে ব্রাইটনের কাছে ২-৩ গোলে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছে। ওল্ড ট্রাফোর্ডের ইতিহাসে গত ৫০ বছরে এই প্রথমবার ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ম্যাচ হারল ইউনাইটেড। এই বেদনাদায়ক হারের পর ম্যানইউ কোচ এই বিপর্যয়কে "অগ্রহণযোগ্য" বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, "আমরা এটা মেনে নিতে পারি না, তবে এই বিপর্যয়ের পর ঘুরে দাঁড়াতে হবে।"
গতকাল বুধবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী তরুণ উইঙ্গার শি লাসি এবং ম্যাসন মাউন্টের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল রেড ডেভিলরা। কিন্তু ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় পুরো গ্যালারি স্তব্ধ হয়ে যায়।
দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিক নিজের হতাশা লুকাতে পারেননি। তিনি মন্তব্য করেন, "একটি দল হিসেবে আমরা এই ধরনের পারফরম্যান্স বা ফলাফল মেনে নিতে পারি না। ম্যাচের লাগাম আমাদের হাতে ছিল, কিন্তু আমরা সেটা হাতছাড়া করেছি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকের এই ব্যর্থতার পুরো দায় আমি নিজের কাঁধেই নিচ্ছি।"
ক্যারিকের দল প্রিমিয়ার লিগে শুধু ইপসউইচ এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সাবাহ-র বিপক্ষে জয় পেয়েছে। তবে একের পর এক ব্যর্থতার পরেও কোচ নিজের ওপর কোনো চাপ অনুভব করছেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "বাইরের দুনিয়া কীভাবে চলে তা আমি ভালো করেই জানি, তাই এসব আলোচনা আমাকে বিন্দুমাত্রও ভাবিয়ে তুলছে না।"
বর্তমানে ক্যারিকের প্রধান লক্ষ্য হলো ম্যাচ জেতা এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে খুব দ্রুতই দল ফর্মে ফিরবে। ম্যাচ শেষে গ্যালারি থেকে সমর্থকদের দুয়োধ্বনি বা ক্ষোভ প্রকাশের বিষয়ে ক্যারিক জানান, তিনি সমর্থকদের এই অনুভূতি ও হতাশা পুরোপুরি বুঝতে পারছেন। কাপ প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার পর এখন তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো দ্রুত জয়ের ধারায় ফিরে আসা, কারণ এই মুহূর্তে দলের পরিবেশ মোটেও ভালো নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি জানিয়েছেন, ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ধাক্কা সামলে নেপাল পুনরুদ্ধার করছে। দেশটির অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্র, বিমানবন্দর, হোটেল ও পর্যটন সেবা স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের নেপাল ভ্রমণের আহ্বান জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘নেপাল ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, নেপাল দৃঢ় এবং নেপাল আপনাদের জন্য উন্মুক্ত।’
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (এটিএফ) ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে, গত ২৬ আগস্ট নেপালে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির কথা স্মরণ করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি জানান, ওই দুর্যোগ ছিল নজিরবিহীন। কয়েক মিনিটের মধ্যে বরফ, পানি, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত বিভিন্ন জনপদে আঘাত হানে। এতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং ৫ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্যোগের পর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের প্রাথমিক ধাপ শেষ করে এখন পুনর্গঠন, পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসনের দিকে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। প্রাথমিক হিসাবে পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি প্রয়োজন হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পাশাপাশি পর্যটন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত।
তবে নেপালের পর্যটন খাতের ওপর দুর্যোগের প্রভাব নিয়ে পর্যটকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানান ঘনশ্যাম ভান্ডারি। তিনি বলেন, দুর্যোগের প্রভাব মূলত নদীর অববাহিকা বরাবর নির্দিষ্ট একটি এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল। দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলোর বড় অংশই অক্ষত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো চালু রয়েছে, হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো পর্যটকদের সেবা দিচ্ছে এবং ট্রাভেল ও ট্রেকিং এজেন্সিগুলোও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতিগত নানা মিল রয়েছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যগুলোর মধ্যে নেপাল অন্যতম। ২০২৫ সালে প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি নেপাল ভ্রমণ করেছেন।
পর্যটন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে ঘনশ্যাম ভান্ডারি বলেন, সরকার, পর্যটন বোর্ড, বিমান সংস্থা, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, হোটেলসহ বেসরকারি খাতের অংশীদারদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে পর্যটনবিচিত্রার সম্পাদক ও এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, মালদ্বীপ- শ্রীলঙ্কা সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলে মুষলধারার বৃষ্টি উপেক্ষা করে এক দফা এক দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন, বঞ্চনা ও অবমূল্যায়নের অভিযোগ তুলে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে তারা স্লোগানে স্লোগানে আন্দোলন করতে থাকেন।
পরবর্তীতে, দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ছিল তাদের। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু গভর্নর না থাকায়, তার প্রতিনিধিদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য বলা হলেও চাকুরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন।
তারা আগামী রোববার গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
সম্প্রতি দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক পুনর্গঠনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পর থেকে, কোনো নোটিশ ছাড়াই সাড়ে ৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগে বঞ্চিত কর্মীরা পুনর্নিয়োগের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।
আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজপথে তাদের উপস্থিতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করে। সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকলেও, সকাল ১০টার আগেই বঞ্চনার শিকার শত শত কর্মী ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় জড়ো হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ