ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কিবোর্ডের ‘পজ-ব্রেক’ বাটনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা


কিবোর্ডের ‘পজ-ব্রেক’ বাটনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের কিবোর্ড সাধারণত লেখালেখি এবং অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কিবোর্ডে থাকা কিছু বোতামের কার্যকারিতা বা আসল কাজ সম্পর্কে অনেকেরই সঠিক ধারণা নেই। এর মধ্যে একটি রহস্যময় বোতাম হলো ‘পজ-ব্রেক’ (Pause/Break)।

এই বোতামটি সাধারণত কিবোর্ডের ওপরের ডান পাশে ‘প্রিন্ট স্ক্রিন’ (Print Screen) এবং ‘স্ক্রল লক’ (Scroll Lock) বোতামের পাশে অবস্থান করে। তবে আধুনিক ল্যাপটপ এবং ছোট আকারের কিবোর্ডগুলোতে আলাদাভাবে এই বোতামটি আর দেখা যায় না।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে— এই বোতামের কাজ কি? এটি কি কম্পিউটার বন্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়, নাকি চলমান কোনো কাজ থামিয়ে দিতে পারে? আসলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘পজ-ব্রেক’ বোতামটির ব্যবহারের ধরন অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। পুরোনো দিনের কম্পিউটারে এর কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি থাকলেও বর্তমানে এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু বিশেষ কাজেই ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুন: জাকারবার্গের ক্ষমতা ধরে রাখতে মেটার নতুন শেয়ার পরিকল্পনা

‘পজ-ব্রেক’ কী এবং অতীতে এর কাজ কী ছিল?

অতীতে যখন 'ডস' (DOS)-এর মতো কমান্ডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতো, তখন মনিটরের পর্দায় তথ্য দ্রুত ভেসে উঠত। এত দ্রুত তথ্য উঠে যাওয়ার কারণে ব্যবহারকারীদের পক্ষে তা পড়া কঠিন হয়ে পড়ত। তখন ‘পজ’ বোতাম চাপলে পর্দায় তথ্যের গতি সাময়িকভাবে থেমে যেত, ফলে ব্যবহারকারী প্রয়োজনীয় লেখা বা কোড পড়ার সময় পেতেন।

অন্যদিকে, ‘ব্রেক’ বোতামটি মূলত নির্দিষ্ট কিছু কম্পিউটার পরিবেশে চলমান নির্দেশ বা প্রক্রিয়াকে মাঝপথে থামিয়ে দিতে ব্যবহৃত হতো। বিশেষ করে প্রোগ্রামিং শেখা ও কমান্ড লাইন ইনপুট নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে এই বোতামের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

তবে মনে রাখতে হবে, এই বোতামটি কম্পিউটারের সব ধরনের কাজ হুট করে থামিয়ে দিতে পারে না। এর কার্যকারিতা মূলত ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম, নির্দিষ্ট সফটওয়্যার এবং কিবোর্ডের ধরনের ওপর নির্ভর করে।

আরও পড়ুন: কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য কেনা যাবে

বর্তমান কম্পিউটারে কি এই বোতামের কোনো কাজ আছে?

আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমের যুগে এই বোতামের প্রয়োজনীয়তা প্রায় শেষ বললেই চলে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ—যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট তৈরি কিংবা ভিডিও দেখার মতো কাজে এই বোতাম চেপে ধরে রাখার বা ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন পড়ে না।

তবে বিভিন্ন কমান্ড-লাইন প্রোগ্রাম, সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও বিশেষ কিছু ডেবাগিং সফটওয়্যারে এটি এখনো কার্যকর। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ‘Ctrl + Break’ বোতাম দুটি একসাথে চাপলে চলমান কোনো কমান্ডের প্রক্রিয়া ভেঙে দেওয়া বা বাধা দেওয়া যায়। তবে সব সফটওয়্যারে এই শর্টকাট একইভাবে কাজ করবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

এ কারণে বছরের পর বছর কিবোর্ডে থাকা সত্ত্বেও বেশিরভাগ সাধারণ ব্যবহারকারী কখনো এই বোতামটি স্পর্শও করেন না।

আরও পড়ুন: পিএইচপির বড় ত্রুটি শনাক্ত, সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ বহু ওয়েবসাইট

নতুন ল্যাপটপে কেন আর এই বোতাম দেখা যায় না?

কম্প্যাক্ট ও আকর্ষণীয় লুক দেওয়ার জন্য নতুন ল্যাপটপগুলোর কিবোর্ডের আকার ছোট করা হয়। জায়গা বাঁচাতে ল্যাপটপ নির্মাতারা স্বাভাবিকভাবেই কম ব্যবহৃত বা প্রায় অপ্রয়োজনীয় বোতামগুলো বাদ দিয়ে থাকেন। ফলে আধুনিক ল্যাপটপের বেশিরভাগ মডেলেই ‘পজ-ব্রেক’ বোতাম আলাদা করে রাখা হয় না।

তবে প্রয়োজন পড়লে কিছু ল্যাপটপে ‘Fn’ (ফাংশন) বোতামের সাথে অন্য কোনো নির্দিষ্ট বোতাম একসাথে চেপে এই কাজ করা যায়। কোন বোতামের সমন্বয়ে কাজটি হবে, তা ল্যাপটপের ব্র্যান্ড ও নির্দিষ্ট মডেলের ওপর নির্ভর করে। তাই এমন প্রয়োজনে ল্যাপটপের ব্যবহারকারী নির্দেশিকা (User Manual) দেখে নেওয়া যেতে পারে।

‘পজ-ব্রেক’ চাপলে কি কম্পিউটার বন্ধ বা হ্যাং ঠিক হয়ে যায়?

আরও পড়ুন: ঢাকায় ৪র্থ এসকিউএটি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন আইএসটিকিউবি’র বর্তমান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট

একেবারেই না! এই বোতাম চাপলে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যায়—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। সাধারণ উইন্ডোজ ডেস্কটপে শুধু এই বোতামটি চাপলে তাৎক্ষণিকভাবে চোখে পড়ার মতো কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না।

একইভাবে, কোনো কারণে কম্পিউটার হ্যাং হলে বা কোনো প্রোগ্রাম আটকে গেলে এই বোতাম চেপে তা ঠিক করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করে অথবা সফটওয়্যারটির নিজস্ব ক্লোজ অপশন থেকেই অ্যাপটি বন্ধ করতে হয়।

বোতামটি কি তাহলে শতভাগ অপ্রয়োজনীয়?

উত্তর হলো— সবার জন্য অপ্রয়োজনীয় নয়। যারা প্রতিদিন কমান্ড-লাইন নিয়ে কাজ করেন, পুরোনো প্রোগ্রামিং কোড বা পুরোনো সফটওয়্যার চালনা করেন কিংবা বিশেষ কিছু আইটি টেকনিক্যাল কাজের সাথে যুক্ত— তাদের জন্য ‘পজ-ব্রেক’ বোতামটি আজও প্রয়োজনীয়।

আরও পড়ুন: যে ৫ কারণে পাশের দেশ ভারতে চালু হয়নি স্টারলিংক

তবে একজন সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর জন্য প্রতিদিনের কাজকর্মে এটি কোনো ভূমিকা রাখে না। প্রযুক্তির বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কাজ কমে আসায় আধুনিক অনেক কিবোর্ড ও ল্যাপটপ থেকেই বোতামটি চিরতরে বিদায় নিচ্ছে।

কিবোর্ডে থাকা ‘পজ-ব্রেক’ মূলত কম্পিউটিং জগতের পুরোনো স্মৃতির এক ঐতিহাসিক প্রতীক। এটি কোনো জাদুকরী বা রহস্যময় বোতাম নয়, বরং কম্পিউটার প্রযুক্তির ধীরে ধীরে বদলে যাওয়ারই এক উজ্জ্বল অংশ।

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক অনুষ্ঠান মাইক্রোসফট ইগনাইট-এ ‘Query about Pause/Break key on the Keyboard’ শীর্ষক প্রশ্নের সংগৃহীত উত্তর থেকে অনুদিত ও সম্পাদিত।

আরও পড়ুন: টিকটকের শিশু নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, সতর্ক করেছিলেন খোদ কর্মীরাই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাম্বল ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া ফাইলের কাজ এগোয় না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০১ এম


চাম্বল ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া ফাইলের কাজ এগোয় না

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, সেবা নিতে আসা মানুষদের হয়রানির শিকার হওয়ার কথাও জানা গেছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অফিস সহায়ক বাসু দাশ।

অভিযোগকারী ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, টাকা প্রদান না করলে ফাইলের কাজ অগ্রসর হয় না।

ভুক্তভোগীরা জানান, ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সময় অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হন। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

অফিস সহায়ক বাসু দাশ অভিযোগের বিষয়ে বলেন, "আমি ঘুষ নিতে চাই না। আমাকে জোর করে টাকা দেওয়া হয়, তাই নিয়েছি।"

অন্যদিকে, চাম্বল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিম উদ্দীন মন্তব্য করেন, যদি বাসু দাশ নিয়ম ভঙ্গ করে থাকেন, তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি ভূমি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে যাবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াশিংটনে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে সাগ্নিক সেনের বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০১ এম


ওয়াশিংটনে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে সাগ্নিক সেনের বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান

বাংলা ও হিন্দি গানের কালজয়ী সুরসাধক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে (হেমন্ত কুমার) শ্রদ্ধা জানাতে একটি বিশেষ সংগীতসন্ধ্যা ‘সুরের আকাশে শুকতারা হেমন্ত’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।

এই অনুষ্ঠানটি আগামী ১ নভেম্বর স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে হলিডে ইন এক্সপ্রেস ওয়াশিংটন ডিসি এসডব্লিউ স্প্রিংফিল্ড বাই আইএইচজি’তে।

আমিত আঢ্য এবং মোহাম্মদ নকিবউদ্দিনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সংগীত অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত কণ্ঠশিল্পী সাগ্নিক সেন।

বর্তমানে সাগ্নিক সেনকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সুরের সার্থক ও শীর্ষস্থানীয় উত্তরসূরি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। রবীন্দ্র সঙ্গীতের মেলোডি থেকে শুরু করে হেমন্তের কালজয়ী সব ধ্রুপদী গান অত্যন্ত নিখুঁত ও নিজস্ব ভঙ্গিতে পরিবেশনের জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।

উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার বিভিন্ন খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারফর্ম করে সাগ্নিক সেন বিশ্বব্যাপী সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয় জয় করেছেন।

সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য সাগ্নিক সেন একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলিউড থেকে প্রাপ্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘দি অ্যাকাডেমিয়া মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’।

সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য ‘সুরের আকাশে শুকতারা হেমন্ত’ হতে যাচ্ছে এক অনন্য ও নস্টালজিক অভিজ্ঞতা। এখানে সাগ্নিক সেনের সুললিত কণ্ঠে জীবন্ত হয়ে উঠবে অমর শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের চিরসবুজ সুরমালা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে দোলনচাঁপা ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০২ এম


রংপুরে দোলনচাঁপা ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, চলাচল বন্ধ

রংপুরের বদরগঞ্জে দোলনচাঁপা আন্তঃনগর ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে গেছে। এই ঘটনার ফলে পার্বতীপুর-রংপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বদরগঞ্জ রেলস্টেশনের নিকটবর্তী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এদিকে, যাত্রীদের বিরুদ্ধে চালক ও গার্ডকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার থেকে পঞ্চগড়গামী দোলনচাঁপা আন্তঃনগর ট্রেনটি বদরগঞ্জ স্টেশনের কাছে পৌঁছানোর সময় একটি বগির চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। এর ফলে রেল যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। পরে যাত্রীরা ট্রেন থেকে নেমে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন। তবে দূরপাল্লার যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।

ট্রেনের যাত্রী ওবায়দুল হক ও মাজেদ আলী জানান, ‘আউলিয়াগঞ্জ স্টেশন পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে ত্রুটি দেখা দেয় এবং অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে বদরগঞ্জ স্টেশনের কাছে চার নম্বর বগির চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়।’

এদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রেললাইনের ওপর বাঁশ ও খড়ি রাখার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ কয়েকজন যাত্রী ট্রেনের চালক রফিকুল ইসলাম ও গার্ড বজলুল হককে মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে চালক ট্রেন থেকে নেমে যান।

এ বিষয়ে বদরগঞ্জ স্টেশনমাস্টার ইমরুল কায়েস বলেন, ‘রেললাইনের ওপর বাঁশ ও খড়ি রাখার কারণে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে। উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তারের পর শিশুর বাবাকে খুঁজছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০২ এম


মাদরাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তারের পর শিশুর বাবাকে খুঁজছে পুলিশ

গাজীপুরের টঙ্গীতে ছয় বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তারের পর, এখন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান। তিনি কালের কণ্ঠকে জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কোনো ছাড় দেবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ক্বরিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় ছয় বছরের এক ছাত্রীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনা ঘটে। এই মামলায় মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেম আহমদকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া মোসলেম আহমদের বাড়ি কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার কর্তিবাড়ী মাস্টারপাড়া এলাকায়। তিনি টঙ্গীর আউচপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

অন্যদিকে, মাদরাসার অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ভাঙচুর এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করার অভিযোগে থানায় মামলা করেছেন। এই মামলার প্রেক্ষিতে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে, শনিবার বিকেলে বাবার দায়ের করা মামলায় শিশুটিকে আদালতে হাজির করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেছে পুলিশ। টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ভিকটিমের জবানবন্দিতে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%