ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রত্যেক গুমের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে: চিফ প্রসিকিউটর


প্রত্যেক গুমের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি গুমের ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

তিনি এই মন্তব্যটি করেছেন রোববার (৩০ আগস্ট) ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে, যা শনিবার (২৯ আগস্ট) এক প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশ পায়।

আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনেক মানুষ গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, "যারা গুমের শিকার এবং যারা এখন পর্যন্ত তাদের পরিবারের সদস্যদের সন্ধান পাননি, তাদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।"

আরও পড়ুন: আ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে সরকার দেশ পরিচালনা করছে: নাহিদ

তিনি আরও বলেন, "আমরা এই প্রতিশ্রুতি দিতে চাই যে, প্রত্যেকটি গুমের ঘটনার ন্যায়বিচার আমরা নিশ্চিত করব।" গুমের মতো অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ গুমের শিকার না হন। তিনি জানান, গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যারা দোষী সাব্যস্ত হবে, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, "সমাজের যত বড় ব্যক্তি হোক, কাউকেই কোনোভাবে ছাড় দেওয়া হবে না।" গুমের অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদেরকে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কারাগারে পাঠানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্রিগেডিয়ার আযমী, ব্যারিস্টার আরমান ও বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের বিচার কার্যক্রমের আওতায় আছেন।

অন্যদিকে, গুমের শিকার প্রায় ২৫০ জনের পরিবারের অভিযোগ এসেছে। চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, "আমরা আশা করি এ বছরের মধ্যেই ২৫০ জন গুম পরিবারের সদস্যের পক্ষ থেকে করা অভিযোগের তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসব।"

আরও পড়ুন: এনসিপির নতুন কমিটি জামায়াতের যুব শাখা হিসেবে আবির্ভূত: রাশেদ

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস রোববার পালিত হচ্ছে। জোরপূর্বক গুম একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক সময় ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কৌশল ব্যবহার করে থাকে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির পরিবার তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে পারে না এবং বিচার পাওয়ার অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়।

জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গুমের শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, স্মরণ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়ে আসছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন তেল চুক্তি নিয়ে ভেনেজুয়েলাবাসীর মধ্যে সংশয় থাকলেও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের আশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


মার্কিন তেল চুক্তি নিয়ে ভেনেজুয়েলাবাসীর মধ্যে সংশয় থাকলেও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের আশা

ঢাকা, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ : ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ উত্তোলন ও ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রকে সুযোগ দিয়ে যে নতুন চুক্তি করা হয়েছে, তা নিয়ে দেশটির জনগণের মধ্যে সংশয় ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তবে, বছরের পর বছর ধরে চলা অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে, অনেকে চুক্তিটিকে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা হিসেবেও দেখছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার চুক্তিটিকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই চুক্তির আওতায় ভেনেজুয়েলার প্রমাণিত ৬ হাজার ৫০০ কোটি ব্যারেল তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ পাবে।

কারাকাসের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে বেসরকারি খাতে প্রায় ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হবে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রমাণিত তেলসম্পদের দেশ ভেনেজুয়েলার তেলশিল্প পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ শনিবার বলেন, চুক্তিটির লক্ষ্য হলো ভূগর্ভে পড়ে থাকা ‘নিষ্ক্রিয় ও অব্যবহৃত’ সম্পদকে কাজে লাগিয়ে তা ভেনেজুয়েলার জনগণের ‘সামাজিক ও অর্থনৈতিক কল্যাণের উৎসে’ পরিণত করা।

তবে, চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ না করায় ভেনেজুয়েলাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি সরকারের সমর্থকদের মধ্যেও এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা, ভেনেজুয়েলার কম লাভ পাওয়ার সম্ভাবনা এবং এর রাজনৈতিক মূল্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

৬৮ বছর বয়সী নিরাপত্তাকর্মী যিশুস সালাজার বলেন, ‘এতে কার লাভ হবেÑভেনেজুয়েলার, নাকি যুক্তরাষ্ট্রেরÑআমরা জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার সন্দেহ আছে। তবে কী হয়, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’

জানুয়ারিতে দীর্ঘদিনের শাসক নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত ও আটক করার পর থেকেই ভেনেজুয়েলা ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে।

মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে এর শর্ত হিসেবে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলতে হচ্ছে।

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাসীন দল শনিবার জানিয়েছে, তারা এমন অর্থনৈতিক পদক্ষেপকে সমর্থন করে, যা ‘জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, একতরফা চাপমূলক ব্যবস্থা ও অন্যায্য অবরোধের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে।’

ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি ধসে পড়ার জন্য দেশটির সরকার দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করে আসছে।

রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার খনিজ ও জ্বালানি খাতে একাধিক সংস্কার এনেছেন। এর মাধ্যমে আগে কঠোর সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব খাত বেসরকারি মূলধন ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটন মাদুরো সরকারের আমলে ভেনেজুয়েলার তেল খাতের ওপর আরোপ করা কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে।

গত জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ভেনেজুয়েলায় তেল উৎপাদন ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। তবে, প্রায় ২৫ বছর আগে দেশটি যে দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করত, বর্তমান উৎপাদন এখনো তার তুলনায় অনেক কম।

নতুন মার্কিন চুক্তির লক্ষ্য উৎপাদনকে আবার সেই পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এ লক্ষ্য অর্জনে সময় লাগবে।

কারাকাসের ইনস্টিটিউট অব হায়ার স্টাডিজ ইন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইইএসএ)-এর অধ্যাপক ও প্রকৌশলী অসওয়ালদো ফেলিজোলা বলেন, ‘উৎপাদন বাড়ার প্রভাব দেখতে অন্তত তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে।’

ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গ্যারান্টার’ হিসেবে ভূমিকা রাখার উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন। কারণ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারেনি।

তিনি বলেন, এটি না হলে আগামী ১০ বা ১৫ বছরে এই ক্ষেত্রগুলোর উন্নয়ন হবে না। কারণ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পেট্রোলিওস দে ভেনেজুয়েলা (পিডিভিএসএ) কাছে এ কাজ করার মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা নেই।

এত বড় একটি উদ্যোগ ভেনেজুয়েলার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে ত্বরান্বিত করতে পারে। ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দেশটির অর্থনীতি ভয়াবহভাবে ৮০ শতাংশ সংকুচিত হয়েছিল। এতে লাখ লাখ ভেনেজুয়েলাবাসী দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যান।

দেশটির অনেক মানুষ এখন মাসে মাত্র ১৬ সেন্টের সমপরিমাণ ন্যূনতম মজুরি দিয়ে জীবনযাপন করেন। এর সঙ্গে সরকারি ভর্তুকি হিসেবে মাসে সর্বোচ্চ ২৪০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। তারপরও পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার কিনতে আনুমানিক ৭৩০ ডলার প্রয়োজন।

সংশয়ের পাশাপাশি আশাবাদও

৭৪ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা কার্লোস বাকো আশা করছেন, নতুন চুক্তির মাধ্যমে তেল থেকে আয় আসা শুরু হবে। তবে গত কয়েক মাসে তেল উৎপাদন বাড়লেও তার ব্যক্তিগত জীবনে এর কোনো সুফল তিনি দেখতে পাননি।

তিনি বলেন, ‘ভোগ্যপণ্য ও খাবারের দাম বেড়েই চলেছে, ডলারের দাম বাড়ছে, আর এর সঙ্গে পণ্যের দামও বাড়ছে। এখানে জীবনযাপন অসম্ভব।’

রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নতুন চুক্তি থেকে সরকার ২০ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি কর রাজস্ব পেতে পারে। তবে কীভাবে এই রাজস্ব আসবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

অরিনোকো থিংকট্যাংকের বিশ্লেষক এলিয়াস ফেরারও চুক্তিটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, যদিও এর বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি আগের অবস্থার চেয়ে ভালো। আগে এই তেল উত্তোলন করা হচ্ছিল না। কেউ তেল উত্তোলন না করলে রয়্যালটি দেয় না, লাভও হয় না।’

ভেনেজুয়েলার সাবেক জ্বালানি উপমন্ত্রী ও আইনজীবী ডলোরেস ডোবারো বলেন, ‘সবকিছু সঠিকভাবে করা হলে এটি ভেনেজুয়েলার তেল খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনের ড্রোন বিধ্বস্তে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ এম


ইউক্রেনের ড্রোন বিধ্বস্তে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আগুন

রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেখানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

এই ঘটনা ঘটে যখন ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে এসেছে।

লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার দ্রোজদেনকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে একটি বার্তায় জানান, কিরিশি জেলায় অবস্থিত তেল শোধনাগারের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই সেখানে আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে জরুরি সেবাদানকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন।

তবে গভর্নর এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জানাননি, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না।

তিনি আরও জানান, রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকার সময় লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের আকাশে ৪২টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। নতুন আইন প্রণীত হয়েছে এবং শিগগিরই এর জন্য বিধিমালা তৈরি করা হবে। ঢাকায় চলাচলের জন্য দুই এবং চার সিটের ইরিকশা নিবন্ধনের আওতায় আসবে। তবে ছয় সিটের রিকশা নিবন্ধন গ্রহণ করবে না।

রোববার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, সেপ্টেম্বর মাস থেকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে মালয়েশিয়া ২ লাখ শ্রমিক নিয়োগ শুরু করবে। এর মধ্যে ১০ হাজার শ্রমিককে বিনামূল্যে নেওয়া হবে। পাশাপাশি, মালয়েশিয়া বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে ২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোট নতুন কৌশলগত শক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫০ এম


সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোট নতুন কৌশলগত শক্তি

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সৌদি গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান ও সাবেক রাষ্ট্রদূত প্রিন্স তুর্কি আল-ফয়সাল। তিনি উল্লেখ করেন, তিন দেশের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা পরস্পরের পরিপূরক হওয়ায় এই জোট ভবিষ্যতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত হতে পারে।

আরব নিউজে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে প্রিন্স তুর্কি বলেন, চুক্তিটির মূল উদ্দেশ্য প্রতিরক্ষামূলক। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে তৈরি হয়েছে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তাঁর মতে, নিজেদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এ ধরনের প্রতিরক্ষা জোট গঠন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে স্বীকৃত ও প্রচলিত বিষয়।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ, সম্ভাব্য কৌশলগত শূন্যতা, শক্তির ভারসাম্যের পরিবর্তন এবং পুরোনো আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিন দেশের সক্ষমতা একত্র হলে তারা নিজেদের এবং বৃহত্তর অঞ্চলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে। ভবিষ্যতে একই লক্ষ্যসম্পন্ন অন্য দেশগুলোও এই জোটে যুক্ত হতে পারে।

বিশ্লেষণে সৌদি আরবের কৌশলগত গুরুত্বের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান, বিপুল তেলসম্পদ, আর্থিক সক্ষমতা, সামরিক শক্তি এবং কূটনৈতিক প্রভাব একে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শক্তিতে পরিণত করেছে। বিশেষ করে লোহিত সাগরের অবস্থান এবং হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে সৌদি বন্দর ও অবকাঠামোর গুরুত্ব সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদক ও রপ্তানিকারক। দেশটির অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতার কারণে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও দামের ওপরও রিয়াদের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। প্রিন্স তুর্কির মতে, তাই সৌদি আরবকে শুধু তেল রপ্তানিকারক হিসেবে দেখলে দেশটির প্রকৃত কৌশলগত গুরুত্ব বোঝা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘ভিশন ২০৩০’-এর মাধ্যমে সৌদি আরব তেলনির্ভর অর্থনীতির বাইরে বিনিয়োগ, পর্যটন, লজিস্টিকস, উৎপাদন, খনিজ, নবায়নযোগ্য ও পারমাণবিক জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে নিজের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এর ফলে দেশটির অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রভাবও বাড়ছে।

সৌদি আরবের ধর্মীয় গুরুত্বও দেশটির আন্তর্জাতিক প্রভাবের অন্যতম ভিত্তি। মক্কা ও মদিনা ইসলামের দুই পবিত্র নগরী এবং প্রতি বছর বিশ্বের লাখ লাখ মুসলমান হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান। এ কারণে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের বিস্তৃত সম্পর্ক রয়েছে।

প্রিন্স তুর্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি সৌদি আরব চীন, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণ করেছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ক্রমেই বহুমেরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠায় সৌদি আরবের কূটনৈতিক গুরুত্বও বাড়ছে।

তার বিশ্লেষণে, সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তান জোট শুধু তিন দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা নয়; এটি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি নতুন কৌশলগত সংযোগও তৈরি করতে পারে। তবে জোটটির প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে তিন দেশের মধ্যে সামরিক সমন্বয়, রাজনৈতিক আস্থা এবং ভবিষ্যতে অন্য দেশকে যুক্ত করার সক্ষমতার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%