শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৯ পি.এম
ভোলা, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলায় আজ পুলিশের উদ্যোগে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতামূলক সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার বেলা ১২ টায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন ভোলা জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।
শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নুর হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোহান সরকার, ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক, জিয়া উদ্দিন, তালহা তালুকদার বাঁধন প্রমুখ।
এ সমাবেশে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম, কাজী, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও সচিব এবং সংবাদ কর্মি সহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
এসময় বক্তরা শিবপুর ইউনিয়নকে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ মুক্ত করার ঘোষণা দেন।
প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ ও দেশ গড়া বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অঙ্গীকার। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পরিবার থেকেই সচেতন করার কাজ শুরু করতে হবে। পুলিশের একার পক্ষে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। তাই মাদক নির্মূলে সকলকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করতে হবে।
পুলিশ সুপার জানান, ভোলা জেলার ১০টি থানার আওতায় বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নে মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনাসহ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে এবং তা চলমান থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার মনপুরায় অধ্যক্ষের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজ করতে রাজি না হওয়ায় মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারীকে (এমএলএস) চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে চাকরি ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. সেলিম।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মনপুরা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে সেলিম এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি একই সঙ্গে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সেলিম লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ২০০২ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি অফিস সহায়ক (এমএলএস) পদে কর্মরত ছিলেন। এই সময়ে তিনি নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন।
তবে, সেলিম অভিযোগ করেন যে, কলেজের দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন তাকে জোরপূর্বক ব্যক্তিগত গৃহস্থালি কাজ করাতেন। সেলিমের দাবি, অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কলেজের প্রভাষকসহ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে অসদাচরণ করার নির্দেশও দেওয়া হতো তাকে। এসব অন্যায় ও ব্যক্তিগত কাজে অসম্মতি জানালে অধ্যক্ষ তার ওপর ক্ষিপ্ত হন।
এই পরিস্থিতির পর কলেজের তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতি ও তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম শাহাজান মিয়া এবং অধ্যক্ষ মহিউদ্দিনের যোগসাজশে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয় বলে অভিযোগ করেন সেলিম।
পরে তার পদে কলেজ কমিটির সভাপতির ভাতিজাকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। সেলিম জানান, চাকরিচ্যুতির বিষয়টি জানিয়ে তিনি বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তাকে কলেজে স্বপদে বেতন-ভাতাসহ বহাল রাখার নির্দেশ দেয়।
তবে, ওই নির্দেশ অমান্য করে ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্তের চিঠি দেন বলে অভিযোগ করেন সেলিম। ওই চিঠিতে তাকে নৈশপ্রহরী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরে ২০২৩ সালের ১০ আগস্ট তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়। সেলিম দাবি করেন, তিনি ২০০২ সালের ১ সেপ্টেম্বর এমএলএস পদে কলেজে যোগ দেন এবং ২০০৪ সালের ১ নভেম্বর ওই পদে এমপিওভুক্ত হন। ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি এমএলএস পদেই চাকরি করে বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন। কখনো নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন না বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অবৈধভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ তদন্ত করে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান সেলিম। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম নয়নের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনার পর ২০২৪ সালে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে পদত্যাগ করে ভোলার নাজিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন মো. মহিউদ্দিন। বর্তমানে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক মো. মাহবুবুল আলম শাহীন।
এ বিষয়ে কলেজটির তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতি এ কে এম শাহাজাহান মিয়ার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আত্মগোপনে থাকায় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বর্তমানে ভোলা নাজিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, নৈশপ্রহরী সেলিম দায়িত্ব পালন না করায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তিনি এমএলএস পদে নয়, নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুল আলম শাহীন বলেন, অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত রোষানলে পড়ার কারণেই এমএলএস সেলিমকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সেলিমকে বাদ দিয়ে তৎকালীন অধ্যক্ষ ওই পদে তাৎক্ষণিকভাবে আরেকজনকে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বর্তমানে ওই পদটি খালি নেই। আইনি প্রক্রিয়ায় সেলিম ওই পদে পুনর্বহাল হতে পারবেন কি না, তা ভুক্তভোগীই বলতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওটিটির সীমা অতিক্রম করে এবার বড় পর্দায় ‘মির্জাপুর’-এর সিংহাসন দখলের লড়াই শুরু হয়েছে। বহু প্রতীক্ষার পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মুক্তি পেয়েছে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’।
মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। উদ্বোধনী আয়ের দিক থেকে ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ ব্যবসা করা সিনেমাগুলোর তালিকায় সেরা চারটি সিনেমার মধ্যে স্থান করে নিয়েছে কালীন ভাইয়া, গুড্ডু ও বাবলু পণ্ডিতদের এই নতুন অধ্যায়।
সিনেবাণিজ্য বিশ্লেষক স্যাকনিল্কের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, মুক্তির প্রথম দিনে শুধুমাত্র হিন্দি সংস্করণ থেকেই ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’ ২৪ কোটি ৬০ লাখ রুপি আয় করেছে। তেলুগু সংস্করণ থেকেও এসেছে ১৫ লাখ রুপি।
সব মিলিয়ে ভারতের বক্স অফিসে প্রথম দিনে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি। এই আয়ের ফলে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ইমরান হাশমির ‘আওয়ারাপন ২’-কে পিছনে ফেলে দিয়েছে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’। প্রথম দিনে ‘আওয়ারাপন ২’ প্রায় ২২ কোটি রুপি আয় করেছিল। অর্থাৎ ওপেনিংয়ের দিক থেকে পঙ্কজ ত্রিপাঠী অভিনীত সিনেমাটি প্রায় ৮ কোটি রুপি এগিয়ে রয়েছে।
তবে ২০২৬ সালের সেরা ওপেনিংয়ের তালিকায় শীর্ষ তিনে স্থান পেতে পারেনি ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’। বক্স অফিস রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯৯ কোটি রুপি আয় করে তালিকার শীর্ষে রয়েছে রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর : দ্য রিভেঞ্জ’। দ্বিতীয় স্থানে যশের ‘টক্সিক’, যার প্রথম দিনের আয় ৫৫ কোটি রুপি। আর ৩০ কোটি রুপি উদ্বোধনী ব্যবসা নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সানি দেওলের ‘বর্ডার ২’।
প্রথম দিনে ২৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি আয় করে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’ চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে।
সিনেমাটির সাফল্য নিয়ে দর্শক এবং অনুরাগীদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পঙ্কজ ত্রিপাঠীর জন্মদিনের ঠিক আগের দিন এই সাফল্য অভিনেতার জন্য বাড়তি আনন্দের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘মির্জাপুর’ বললেই দর্শকদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কালীন ভাইয়ার চরিত্র। এই চরিত্রে শুরু থেকেই নিজের দাপট দেখিয়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। এবার সিনেমাটির জন্য পারিশ্রমিকের দিক থেকেও নাকি অন্যদের টেক্কা দিয়েছেন তিনি।
খবর অনুযায়ী, কালীন ভাইয়ার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পঙ্কজ ত্রিপাঠী প্রায় ১৫ কোটি রুপি নিয়েছেন। পারিশ্রমিকের দিক থেকে তিনি হলিউডে কাজ করে ফেরা অভিনেতা আলি ফজলকেও পিছনে ফেলেছেন। অর্থাৎ ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’-তে কালীন ভাইয়ার দাপট কেবল গল্পেই নয়, পারিশ্রমিকের হিসাবেও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন মন্তব্য করেছেন, যখন জাতীয় সংসদ কার্যকরভাবে কাজ করছে, তখন আন্দোলনের নামে রাজপথে লং মার্চের মতো কর্মসূচি সাধারণ মানুষের গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। তিনি উল্লেখ করেন, সংসদীয় রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সংসদের বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউট (বিলিয়া) মিলনায়তনে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে ‘সিটিজেন ফোরাম বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ইনিশিয়েটিভস’ (বিসিএআই)।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। তবে সংসদীয় বিতর্ককে অহেতুক ও দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লং মার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে দেশের সচেতন মহলকে সজাগ থাকতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলো এসব বিষয় কতটা বুঝে করছে তা জানা নেই, কিন্তু এই ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি নানান অপশক্তি অপেক্ষা করছে।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের ফ্যাসিবাদের চর্চা, ভঙ্গুর সমাজব্যবস্থা এবং দেউলিয়া অর্থনীতির চরম অচল অবস্থা থেকে দেশকে টেনে তুলে সরকার নতুন একটি সঠিক গতিমুখ নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। সংকট এত গভীর ছিল যে, রাতারাতি কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়; তবে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি সুনিশ্চিত করতে সরকার ইতিমধ্যে সুনির্দিষ্ট নীতি নির্ধারণী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি আমদানিনির্ভর ও ভুল নীতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মতো অপরিহার্য খাতে দেশ আজ হিমশিম খাচ্ছে।
তিনি বলেন, এতদিন ক্ষমতায় থেকেও প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনে স্থায়ী পদক্ষেপ না নেওয়া কেবল দুর্নীতিই ছিল না, বরং এটি ছিল জাতির সঙ্গে এক দীর্ঘমেয়াদি প্রতারণা। বর্তমান সরকার সংকটের কথা বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে না, বরং প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে বিকল্প উৎস সন্ধান এবং নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছেন।
তিনি আরও বলেন, সুশাসন ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে চীন ও ভারতের পাশাপাশি পণ্য আমদানির নতুন উৎস তৈরি, আমদানি ব্যয় হ্রাস এবং রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে।
সংসদে গঠনমূলক আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবলমাত্র সরকারি দলকে ফাঁদে ফেলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সংসদীয় রাজনীতি ধরে রাখা যায় না। কেবল কৃত্রিম ও ভাষাভাষা সমালোচনা না করে যেকোনো বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ নিয়ে আসলে তা দেশ পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আলোচনাসভায় অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্তর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীসহ বিশিষ্ট রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আজ (শনিবার) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
সেখানে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মতিঝিল থানা ৫ জন, পল্টন থানা ১০ জন, সবুজবাগ থানা ৫ জন, খিলগাঁও থানা ৬ জন, রামপুরা থানা ৮ জন, শাহজাহানপুর থানা ৯ জন এবং মুগদা থানার ৭ জন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ