০৪:৫৮ পি.এম
চাদ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ রয়েছে, তারা বলছে আদালত কার্যকরভাবে তাদের কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং আফ্রিকার দেশগুলোর প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।
সোমবার, চাদ জাতিসংঘে একটি চিঠি জমা দিয়ে আইসিসি থেকে বের হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
রোম সংবিধির উপর ভিত্তি করে গঠিত এই আদালত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করে। তবে আইসিসি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হতে অন্তত এক বছরের সময় প্রয়োজন। ২০২৫ সালের পর চাদ হলো চতুর্থ আফ্রিকান দেশ, যারা আইসিসি ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এর আগে নাইজার, মালি ও বুরকিনা ফাসোও আদালটিতে অংশগ্রহণ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে
এদিকে, আইসিসি বর্তমানে নানা সংকটের মুখোমুখি রয়েছে। ২৪ জুলাই আদালটির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে যৌন অসদাচরণের অভিযোগে পদ থেকে অপসারণ করা হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, আইসিসি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে।
এজন্য, আদালরের প্রভাব কমাতে মার্কিন সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। এটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানোর কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আফ্রিকা বিষয়ক ব্যুরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে চাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। একই সঙ্গে, রোম সংবিধির সদস্য অন্য দেশগুলোকেও আইসিসি থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন