তরিকুল ইসলাম , ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৫:০২ পি.এম
টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রভাবিত হয়েছে। এখানকার আমন ধানের বীজতলা পচে নষ্ট হয়ে গেছে। একই সময়, বিস্তীর্ণ আমন ধানের মাঠ পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। দীর্ঘসময় ধরে জলাবদ্ধতা নিরসনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকার কারণে পানিতে থাকায় বীজতলার চারা পচে যাচ্ছে। এর ফলে, আমন চাষ নিয়ে উপজেলার অনেক কৃষক চরম দুশ্চিন্তা ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ, খাল ও নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বৃষ্টির পানি দ্রুত নামছে না। ফলে দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকার কারণে আমনের বীজতলায় পচন ধরেছে। বর্তমানে কৃষকেরা নতুন করে বীজ ও চারা সংগ্রহের সামর্থ্য হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কাজেই ভিটাবাড়িয়া, গৌরীপুর, ধাওয়া ও ইকড়ি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে।
গৌরীপুর ইউনিয়নের কৃষক লাবলু বলেছেন, আমরা প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে চাষাবাদ করি। কিন্তু টানা বৃষ্টির পর খাল দিয়ে পানি নামার কোনো পথ নেই। খালের মুখগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পানির নিচে থাকার কারণে বীজতলার সব চারা পচে কালো হয়ে গেছে। এখন নতুন করে বীজ কেনার টাকাও হাতে নেই। কী করব, বুঝতে পারছি না।
ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের কৃষক মনির হোসেন আকন এবং আব্দুল খালেক মুন্সি জানিয়েছেন, “ধানের মাঠ আর বীজতলা এখন একাকার হয়ে গেছে। পানির নিচ থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছে। নতুন করে চারা সংগ্রহ করা আমাদের সামর্থ্যের বাইরে। জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে, শুধু বীজতলা নয়, পুরো আমন মৌসুমই আমাদের নষ্ট হয়ে যাবে।”
এই ইউনিয়নের শিংখালী গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল খান বলেছেন, আগে বৃষ্টি হলে পানি দ্রুত নেমে যেত। এখন বিভিন্ন জায়গায় খাল ও পানি চলাচলের পথ বন্ধ থাকায় এই দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। নতুন করে বীজতলা করতে গেলে অতিরিক্ত খরচ হবে, যা এখন আমাদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আগে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সহায়তার আওতায় আনা হোক।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, অতিরিক্ত জলাবদ্ধতা এবং স্থানীয়ভাবে পানি চলাচলের বিভিন্ন চ্যানেল বা পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোথাও কোথাও আমনের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে। নতুন করে বীজতলা তৈরি ও উপযুক্ত বীজ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত সরকারি উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল করে জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে জরুরি ভিত্তিতে বীজ, সার ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোমবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সিসিবি’র নির্বাহী কমিটি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ছবিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানের কিছু সময় পরে শামা ওবায়েদ ইসলাম অনারারি কনসালদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনার শক্তিশালী দূত হিসেবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
রাজধানীর এই হোটেলে অনুষ্ঠিত কনস্যুলার কর্পস ইন বাংলাদেশ (সিসিবি)’র নির্বাহী কমিটির সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাণিজ্য ও ব্যবসার নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শামা ওবায়েদ ইসলাম এ সময় সিসিবি’র সদস্যদের কাছে পাঁচটি প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করেন। তিনি উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রযুক্তি, শিক্ষা, উদ্ভাবন ও দক্ষ কর্মসংস্থানে অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিন। বিশেষ করে আফ্রিকাসহ উদীয়মান অঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা সম্প্রসারণে সহায়তা করুন, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক জোরদার করুন ও বিশ্ববাসীর কাছে প্রকৃত বাংলাদেশকে তুলে ধরুন।’
তিনি আরও জানান, সরকার অনারারি কনসালদের বন্ধুত্ব ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে মূল্যায়ন করে। তাদের কর্মকাণ্ড কেবল আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বরং এর বাইরে গিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কথায় বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনারারি কনসালরা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সাংস্কৃতিক বিনিময়, শিক্ষা ও মানবিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য তাদের অবদান বাস্তব পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
তিনি আশ্বাস দেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিসিবি’র সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সাধনে সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জনগণের কল্যাণই সরকারের আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার মূল ভিত্তি।
শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশ অধিক বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, উন্নত প্রযুক্তি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব, পর্যটন বৃদ্ধি ও জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার প্রত্যাশা করে।
তিনি বিশ্বাস করেন যে, অনারারি কনসালরা এসব লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ‘আপনারা আগেভাগেই সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করতে পারেন, উপযুক্ত অংশীদারদের সংযুক্ত করা এবং ধারণাগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বে রূপ দিতে সহায়তা করতে পারেন,’ তিনি বলেন।
বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কেবল একটি বৃহৎ ভোক্তা বাজারই নয়, বরং দেশের তরুণ ও পরিশ্রমী জনশক্তি, গতিশীল উদ্যোক্তা ও সম্প্রসারণশীল উৎপাদন খাতের পাশাপাশি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে কৌশলগত অবস্থান দেশটিকে বিনিয়োগ, উৎপাদন, সরবরাহ ব্যবস্থা (লজিস্টিকস) ও আঞ্চলিক সংযোগের জন্য একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।
শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের অংশীদারিত্ব পারস্পরিকভাবে লাভজনক হতে হবে। আমরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও দক্ষতাকে স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে বাংলাদেশী ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও উদ্ভাবকদেরও বৈশ্বিক বাজারে অবদান রাখতে উৎসাহিত করছি।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সিসিবি’র নতুন পরিচালনা পর্ষদ বাস্তবধর্মী সহযোগিতা, আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব এবং দৃশ্যমান সাফল্যের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করবে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনৈতিক মিশনের প্রধান, সম্মানসূচক কনসাল, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সিসিবি’র সভাপতি ও মঙ্গোলিয়ার অনারারি কনসাল জেনারেল নাসরীন ফাতেমা আওয়াল কূটনৈতিক সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারে সংগঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এছাড়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিসিবি’র সহ-সভাপতি শাহাব সাত্তার ও শাখাওয়াত হোসেন, মহাসচিব কাজী শাহ মুজাক্কার আহমদুল হক ইশমাম ও কোষাধ্যক্ষ মাসুদ জামিল খান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথের লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে,
এটি ঘটেছে হঠাৎ দমকা হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টির কারণে।
এই কারণে পদ্মার নদীর পানি অনেকটা উত্তাল হয়ে উঠেছে।
বিআইডাব্লিউটিএ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টা থেকে সাময়িকভাবে সব লঞ্চ সার্ভিস বন্ধ করে দিয়েছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মরত বিআইডাব্লিউটিএ-এর ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম লঞ্চ বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে লঞ্চ সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে এলে লঞ্চ চলাচল আবার চালু করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী ম্রুনাল ঠাকুরকে ঘিরে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে অনেক আলোচনা।
ভিডিওটিতে দেখা গেছে, মুম্বাইয়ের বান্দ্রা ওয়েস্ট এলাকার একটি ক্যাফেতে একই সময়ে ম্রুনাল ঠাকুর এবং যশস্বী জয়সওয়াল ছিলেন। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়ে যায়।
ভিডিওতে ২৪ বছর বয়সী যশস্বী জয়সওয়াল ক্যাফে থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন, এবং ম্রুনাল ঠাকুর তখনও ক্যাফের ভেতরে ছিলেন। তবে ভিডিওটিতে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি এবং তাদের মধ্যে কোনো কথোপকথন বা ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েনি।
এদিকে, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন ফ্যান পেজে দুজনকে নিয়ে প্রেমের জল্পনা উড়ছে। কেউ কেউ দাবি করছেন, তারা একসাথে ডেটে গিয়েছিল। তবে এসব দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এখন পর্যন্ত ম্রুনাল ঠাকুর এবং যশস্বী জয়সওয়াল, উভয়েই ভাইরাল ভিডিও বা প্রেমের গুঞ্জন সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।
অন্যদিকে, কাজের ক্ষেত্রে ম্রুনাল ঠাকুর বর্তমানে ‘পূজা মেরি জান’ এবং তেলুগু সিনেমা ‘রাকা’ নিয়ে ব্যস্ত। ‘পূজা মেরি জান’-এর শুটিং ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং সিনেমাটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। এর টিজারও প্রকাশ করা হয়েছে, তবে মুক্তির তারিখ এখনো বলা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রমজানপুর গ্রামের প্রবাসী আবদুর রশিদ হাওলাদার তার চাচাতো ভাই কালাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে, নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আবদুর রশিদ হাওলাদার ও তার পরিবারের সদস্যরা এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে আবদুর রশিদ হাওলাদার দাবি করেন, প্রায় দুই লাখ টাকার বিনিময়ে কালাম হাওলাদার তার কাছে একটি জমি বন্ধক রাখেন। কিন্তু পরবর্তীতে, ওই বন্ধকি জমিতে গেলে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মামলাসহ নানা ধরনের হয়রানির কারণে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। তারা দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহার করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক, যাতে তারা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ