শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪০ পি.এম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, 'ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬'-এ উত্তরা ইউনিভার্সিটির সম্মানজনক ৮ম স্থান অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন। তিনি পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং সবুজ ক্যাম্পাস নীতি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে এই প্রশংসা করেন।
সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, উপাচার্য, উপদেষ্টা এবং শিক্ষক প্রতিনিধিদলের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে গুণগত উচ্চশিক্ষার গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিরাপদ ও সহায়কমূলক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ সময় তিনি তরুণদের বর্তমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
বৈঠকে উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন রূপকল্প উপস্থাপন করেন, যেখানে অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা, আন্তর্জাতিকীকরণ ও দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। একই সাথে, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জনাব আবিদ আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সংস্কৃতি জোরদার ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার কথা স্মরণ করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম. আজিজুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিবর্তনের প্রশংসা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সামাজিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, নৈতিকতা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নারী-পুরুষের সমতার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণের আওতায় ৬০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দৌলতপুর উপজেলার মহিষকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নারী উন্নয়ন শক্তি এবং ইয়ং উইমেন ফর ডেভেলপমেন্ট রাইটস অ্যান্ড ক্লাইমেটের যৌথ উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মানবিকতা, নৈতিক আচরণ এবং সমান অধিকারের ধারণা গড়ে তোলা। পাশাপাশি, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য, কুসংস্কার এবং ক্ষতিকর সামাজিক রীতিনীতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিদ্যালয় ও সমাজে নিরাপদ, সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন পরিবেশ তৈরিতে তাদের উৎসাহিত করা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার মুকুল, মহিষকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম হোসেন, শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম, বিশ্বব্যাংকের সাবেক উপদেষ্টা ড. সুলতান মুহম্মদ রাজ্জাক এবং ইয়ং উইমেন ফর ডেভেলপমেন্ট রাইটস অ্যান্ড ক্লাইমেটের মাঠকর্মকর্তা সেলিনা খাতুন।
প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক ড. আফরোজা পারভীন। তিনি সহনশীলতা, নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, কিশোর-কিশোরীরা দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক। তাদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই মানবিকতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সমতার মানসিকতা গড়ে তোলা অপরিহার্য। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক মূল্যবোধের চর্চা বৃদ্ধি পেলে বাল্যবিবাহ, বৈষম্য এবং অসম্মানজনক আচরণ প্রতিরোধে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে, ইতিবাচক আচরণের চর্চা জোরদার হবে এবং তারা সমান অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
নারী উন্নয়ন শক্তি ১৯৯২ সাল থেকে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে মানবিকতা, সমতা ও ইতিবাচক সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে উক্ত দুটি সংগঠন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল মাঠে তার অসাধারণ প্রতিভা ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। এবার ফুটবলের সীমা ছাড়িয়ে প্রকৃতির মাঝে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন লিওনেল মেসি। পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় একটি নতুন উদ্ভিদের নামকরণ করা হয়েছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের নামে। নতুন প্রজাতির নাম হলো ‘সালভিয়া মেসি’ (Salvia messii)।
এই উদ্ভিদটির সন্ধান করেন আর্জেন্টিনার কৃষিবিদ রোলান্দো উরিয়া। নাগরিক বিজ্ঞান বিষয়ক একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উদ্ভিদটির অস্বাভাবিক কিছু ছবি দেখে তার মনে সন্দেহ জাগে। ছবিগুলো পরিচিত কোনো উদ্ভিদের সঙ্গে মিলে না। এরপর তিনি লিমার ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
পেরুর উদ্ভিদবিজ্ঞানী পাউল গনসালেস আরসে এবং জ্যাঁ কাপচা রামোসকে নিয়ে উরিয়া গবেষণা শুরু করেন। তারা কয়েক বছর ধরে পুরনো নমুনাগুলো পরীক্ষা করেন। পাশাপাশি আন্দিজের পাহাড়ি ঢালে অনুসন্ধান চালান। এক পর্যায়ে তারা উদ্ভিদটির সন্ধান পান। প্রায় দেড় মিটার উচ্চতার এই গুল্মজাতীয় উদ্ভিদটি আগে কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়নি।
উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক বিবরণ প্রকাশ করেছে Phytotaxa সাময়িকী। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তিত্বের সম্মানে একটি প্রজাতির নামকরণ করা হয়, তখন বিজ্ঞানীরা একটি লাতিন ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করেন, যেখানে পদবির শেষে একটি ‘আই’ (i) যোগ করা হয়। এর মানে হলো—‘মেসির উদ্ভিদ’। এর সাদা ও হালকা নীল পাপড়ি আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার রঙের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
এই উদ্ভিদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ মিটার উচ্চতার নির্দিষ্ট পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মায়। বনাঞ্চলে আগুন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এর আবাসস্থল হুমকির মুখে রয়েছে। তাই বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে একে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করছেন।
এটি অবশ্য মেসির নামে প্রথম কোনো জীবের নামকরণ নয়। এর আগে তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে ‘সেরকোপেমসেস মেসি’ (Cercopemyces messii) ছত্রাক, ‘আকান্থোগোনাটাস মেসি’ (Acanthogonatus messii) মাকড়সা, ‘লিওলায়েমুস মেসি’ (Liolaemus messii) গিরগিটি, প্রাগৈতিহাসিক ‘ভালচার মেসি’ (Vultur messii) শকুন এবং ‘ডিস্কনিস্কা মেসি’ (Discinisca messii) ঝিনুকের মতো দেখতে প্রাগৈতিহাসিক খোলসি প্রাণী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক জুলাই সনদকে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ সংবিধান এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বিএনপির উচিত ছিল গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়কে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে সংবিধান সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুলাই সনদ স্বাক্ষরের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সাইফুল হক আরও বলেন, নবনির্বাচিত সংসদকে ১৮০ দিনের জন্য ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসেবে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে বিএনপির জন্য এটি একটি বড় রাজনৈতিক অর্জন ও গৌরবের বিষয় হতে পারত। কিন্তু বিএনপি সেই সুযোগ গ্রহণ না করে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে নিজেদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সুযোগ করে দিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, গত এক বছরে রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদের পক্ষে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের প্রশ্নমালায় জুলাই সনদের বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ও সমালোচনা ছিল। তবুও তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। জনগণও বিপুল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করেছে। এই রায় যথাযথভাবে ধারণ করা রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব ছিল।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি কেন নির্বাচিত সংসদকে ১৮০ দিনের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কার্যকর করার সুযোগ গ্রহণ করেনি, সে বিষয়ে কোনো যুক্তিসংগত ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারেনি। এর ফলে বিএনপি জুলাই সনদকে মানে না কিংবা মৌলিক সংস্কার চায় না—এমন প্রচারণা জোরালো হয়েছে। এসব প্রচারণা অযৌক্তিক ও রাজনৈতিক অপপ্রচার হলেও বিএনপির ব্যাখ্যার দুর্বলতা মানুষের মধ্যে দলটির অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, সংসদে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত কমিটি গঠন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি এখন যে উদ্যোগ নিচ্ছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করেও একই কাজ করা যেত। ২৪৮ জন সংসদ সদস্য নিয়ে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদে দলটির অবস্থানের বাইরে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ খুবই সীমিত। তবুও রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির এইটুকু ঝুঁকি নেওয়া উচিত ছিল।
সাইফুল হক আশা প্রকাশ করেন, আগামী জানুয়ারিতে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী হিসেবে জুলাই সনদের প্রস্তাবসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সংশোধনী বিল আকারে উত্থাপন করা হবে। তিনি আশা করেন, আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে এসব প্রস্তাব গৃহীত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের বার্সেলোনায় বাংলাদেশি প্রবাসী দম্পতি শহীদ ও আসমার উদ্যোগে নতুন রেস্তোরাঁ ‘পানসী’ যাত্রা শুরু করেছে, যেখানে দেশীয় ও ভারতীয় খাবার পরিবেশন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এবং প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বার্সেলোনার রাভাল এলাকায় রেস্তোরাঁটির উদ্বোধন করেন বার্সেলোনায় বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল রামন পেদ্রো বার্নাউস (Ramon Pedro Bernaus)।
উদ্বোধনকালে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং রেস্তোরাঁটির সাফল্য কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘পানসী’ শুধুমাত্র খাবারের প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং স্পেনে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ খাদ্যসংস্কৃতি ও আতিথেয়তা তুলে ধরার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে।
রেস্তোরাঁটির স্বত্বাধিকারী শহীদ ও আসমা দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে বার্সেলোনায় বসবাস করছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁদের অবদান রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল ছাড়াও স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন। অতিথিরা রেস্তোরাঁটির পরিবেশ ও খাবারের মানের প্রশংসা করেন।
খাবারের গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের আশা, ‘পানসী’ বার্সেলোনায় বাংলাদেশি খাবার ও সংস্কৃতির পরিচিতি বাড়াতে সাহায্য করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ