ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘জেনারেল ওসমানীর জন্মবার্ষিকীর খবর কোথাও ছিল না, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে লজ্জিত’


‘জেনারেল ওসমানীর জন্মবার্ষিকীর খবর কোথাও ছিল না, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে লজ্জিত’

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী যথাযথভাবে গণমাধ্যমে প্রচার না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি একই সঙ্গে দাবি করেছেন যে, জেনারেল ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা উচিত এবং পাঠ্যপুস্তকে তার জীবন ও অবদান অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।বুধবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘কালকে মুক্তিযুদ্ধের সেনানায়ক—মরহুম জেনারেল ওসমানীর—১০৮তম জন্মদিবস গেছে। ঘটনাক্রমে সেখানে উপস্থিত হয়ে কিছু লক্ষ্য করলাম। মনে হলো, এই দেশে জেনারেল ওসমানী নামে কোনো লোকের জন্ম হয়নি।’

তিনি জানান, বিষয়টি জানার চেষ্টা করার পর টেলিভিশন ও পত্রিকায় খোঁজ নিয়েছেন। কিন্তু কোথাও জেনারেল ওসমানীর জন্মবার্ষিকী নিয়ে সংবাদ দেখতে পাননি। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে নানা ধরনের টকশো হলেও এ বিষয়ে কেউ গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‘আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে লজ্জা পেয়েছি। আমি ভাবলাম, আমরা কি কিছুই করতে পারলাম না?’—এভাবে তিনি তার হতাশা ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সংসদ সদস্য আরও বলেন, জেনারেল ওসমানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়ভাবেও যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। এ বিষয়ে স্পিকারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জেনারেল ওসমানীর মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অন্তত তার অবদানের জন্য এই দেশের মানুষের—যারা সংশ্লিষ্ট—তাকে স্মরণ রাখা উচিত। মুক্তিযুদ্ধে তিনি কী করেছেন, এটা নিয়ে বলতে গেলে ঘণ্টা লাগবে।’

তিনি অভিযোগ করেন যে, পাঠ্যপুস্তকে জেনারেল ওসমানীর জীবন ও অবদান যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। তিনি বলেন, নিজের সংগ্রহ করা শিশুদের বই ও স্কুলের বিভিন্ন বইয়ে খুঁজেও জেনারেল ওসমানীর বিষয়ে তেমন কোনো আলোচনা পাননি।জেনারেল ওসমানীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘নির্মোহ, নিরহংকার, সৎ ও সাহসী কোনো লোক যদি বাংলাদেশে জন্ম হয়ে থাকে, জেনারেল ওসমানী তাদের একজন।বক্তব্যের শেষ দিকে জেনারেল ওসমানীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি বলেন, তাঁর জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের বিষয়ে সংসদ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে জাতীয় কর্মসূচির আওতায় তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন এবং পাঠ্যপুস্তকে তার জীবন ও অবদান অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে বিরোধী দলকে সভাপতির পদ দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে বিরোধী দলকে সভাপতির পদ দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে বিরোধী দলের জন্য সভাপতি পদ বরাদ্দ করা হবে, এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

বুধবার জাতীয় সংসদে ১০টি মন্ত্রণালয়ের জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। তবে, এই কমিটিগুলোর মধ্যে কোনোটিতেই বিরোধী দলের কাউকে সভাপতি পদ দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিরোধী দলকে সভাপতি পদ না দেওয়ার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি দলের আচরণে বিরোধী দলের সংসদে থাকার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। তিনি ভবিষ্যতে একই প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন হলে ওয়াকআউট করার হুমকি দেন। যদিও আজ ওয়াকআউটের ঘোষণা না দিলেও তাহেরের বক্তব্যের পরে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। তবে এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাইয়েদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা সংসদ কক্ষে অবস্থান করেন।

 

 

বুধবার বৈঠকে দিনের শেষ কার্যসূচি হিসেবে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিরের প্রস্তাবে একে একে ১০টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠন শেষে সংসদের বৈঠকে সভাপতির দায়িত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বৈঠক মুলতবি ঘোষণা করতে গেলে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর চান বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

তাহের বলেন, সরকারি দলের সাথে আমরা বৈঠক করেছি। সেই বৈঠকে সংসদে প্রতিনিধিত্বের আনুপাতিক হারে ২৬ শতাংশ শেয়ার বিরোধী দল পাওয়ার কথা। সরকারি দল সেটি গ্রহণ করেছে এবং সদস্যের ব্যাপারে সরকারি দল তা পালন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সভাপতির পদেও তারা ২৬% পাবেন, কারণ এটি তাদের অধিকার। তিনি বলেন, সভাপতি কোন দল থেকে কত হবে, কী অনুপাতে হবে—এ বিষয়ে কার্যপ্রণালি বিধিতে কোনো উল্লেখ নেই। এক সময় সরকারি দলের পক্ষ থেকে তাদের ১০টি সভাপতির পদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে তালিকাও নেওয়া হয়েছিল এবং তারা তালিকা জমাও দিয়েছেন।

বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, তার মনে হচ্ছে সরকারি দল টু-থার্ড মেজরিটির কারণে কিছুটা বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এবং সেটাই এখানে প্রয়োগ করছে। সরকারি দলের আচরণে বিরোধী দলের সংসদে থাকার আগ্রহ ক্রমশ কমে যাচ্ছে।

তার বক্তব্যের পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য দেবেন এমন ইঙ্গিত দিয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যখনই কোনো কথা বলা হয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা কেউ জবাব না দিলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাঁড়িয়ে যান। তিনি একটি জবাব দেন।

তিনি বলেন, এটি খুবই অশোভন যে সরকারি দল যখন বলে যে আপনারা এই কমিটিতে আসেন তাহলে আপনাদেরকে এটা দেবো। তারা শিশু নয় যে তাদেরকে ললিপপ দেখানো হবে এবং পরে অন্যভাবে ডিল করা হবে।

বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, তারা সভাপতির পদ সরকারের কাছে চাইছেন এবং এটি তাদের অধিকার। সরকার এ অধিকারকে উপেক্ষা করছে।

আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, তারা তো এ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না যে শতভাগ সভাপতি তারা নেবেন। এটি কোথায় লেখা আছে? এটি কি সংবিধানে আছে? তাহলে দ্য উইল অফ দ্য মেজরিটি পার্টি হ্যাজ বিকাম দ্য ল, দ্য ডিসিশন অফ দিস পার্লামেন্ট, এটাই তো স্বৈরাচার।

তাহের বলেন, স্বৈরাচার বলতে বোঝায়, আমি যা চাই, সেটাই আইন, সেটাই আমার আচরণ হবে। তারা এই পার্লামেন্টকে এভাবে দেখতে চান না। তাই তিনি মনে করেন সরকারি দল দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে সম্মান জানিয়ে নিজেদের পার্লামেন্ট এবং পার্লামেন্টের বাইরে বৈষম্য সৃষ্টি করা উচিত নয়। কারণ তারা আরেকটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চান না। বিরোধী দলকে কোনো সভাপতি পদ না দেওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। ভবিষ্যতে এভাবে কমিটি গঠন হলে বিরোধী দল নাও থাকতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, পরবর্তী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে যদি একই নীতিমালা অনুসরণ করা হয়, তাহলে ওই সময় তারা সংসদে থাকতে নাও পারে।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উপনেতা বক্তব্য দিয়েছেন, তিনি এখন জবাব শুনতে চান না। সম্ভবত ওয়াকআউট নয়, তবে ওয়াকআউট। যাই হোক, ওই আরকি, তাল পড়িয়া ধপ করিল না পড়িয়া দপ করিল।

তিনি বলেন, বিরোধী দলের সদস্যদের আসনের অনুপাতিক হারে সভাপতি দেওয়া যাবে না, এটি কোথাও নেই, আবার বাধ্যবাধকতাও নেই। অতীতের ইতিহাসেও এমন কিছু দেখা যায়নি। তিনি বলেন, বিরোধী দলকে ১০টি সভাপতি দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আলোচনা হয়নি।

স্বৈরাচার বিষয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য থাকলেও বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিলুপ্ত করেনি। বিএনপি যখন দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি থাকে এবং সরকার গঠন করে, তখন গণতন্ত্রের পদ্ধতিকে সুদৃঢ় করে।সালাহউদ্দিন বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ যেটা রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা তারা করেছেন, আমরাও করেছি। সেখানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি—এই সংসদীয় চর্চায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটিতে সংখ্যার অনুপাতে, আসনের সংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দলীয় সদস্যরা সভাপতিত্ব পাবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা যে অঙ্গীকার করেছেন তা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে, সংবিধান সংশোধিত হলে, তখন কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হবে। আনুপাতিক হারে বিরোধী দল সভাপতি পাবে। কিন্তু জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য বিরোধী দল কোনো সহযোগিতায় আসছে না।

বিরোধী দলের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা বাইরে রাজনীতি না করে সংসদে আসুন। এখানেই কথা বলি। যদি সংবিধান সংশোধনীর জায়গায় আপনারা সংস্কার বলতে আরাম পান, তাহলে তাই বলবেন। কিন্তু সংশোধনী হিসেবে তো সংসদীয় ভাষায় এখানে এমেন্ডমেন্টটা গৃহীত হতে হবে।

দশটি কমিটি গঠন

রাজনৈতিকখবর আপডেট

কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে নিয়োগ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সভাপতি শিক্ষক নেতা সেলিম ভূঁইয়া, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে সেলিমা রহমান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে হুইপ রকিবুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে কলিম উদ্দিন আহমেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে আমানউল্লাহ আমান, পরিবেশ মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে হুইপ জি কে গউছকে, ভূমি মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে নাসের রহমান এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে রফিকুল ইসলাম জামালকে নিয়োগ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের ৫০টি সংসদীয় কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এবং ১১টি সংসদ সংক্রান্ত। এর মধ্যে ২৫টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১৯টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত। এর মধ্যে সংসদ সম্পর্কিত একটি কমিটিতে বিরোধী দলের উপনেতাকে সভাপতি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইল জেলা বেসরকারী বৈদ্যুতিক শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ পি.এম


টাঙ্গাইল জেলা বেসরকারী বৈদ্যুতিক শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন

টাঙ্গাইল জেলা বেসরকারী বৈদ্যুতিক শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন-২০২৬ইং মোট ৩৩টি নমিনেশন ফরম বিক্রী করা হয়। তন্মধ্যে ১৬ জন প্রার্থী ২৭/৮/২০২৬ ও ২৮/৮/২০২৬ ইং তারিখে রাত্রী ৯টার মধ্যে নমিনেশন ফরম জমা প্রদান করেন। তফসীল অনুযায়ী ২৯/৮/২০২৬ তারিখ নমিনেশন ফরম যাচাই বাছাই করা হয়।যাচাই বাছাই শেষে জমা প্রদানকৃত ১৬টি নমিনেশন ফরম বৈধ প্রার্থী হিসাবে গৃহীত হয়। সে কারণে ২৯/৮/২০২৬ তারিখ রাত্রী ৯ ঘটিকায় খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। ৩০/৮/২০২৬ তারিখ নমিনেশন প্রত্যাহারের তারিখে কেহ নমিনেশন প্রত্যাহার করেন নাই। সে কারনে ৩১/৮/২০২৬ ইং তারিখ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। কোন পদের বিপরীতে একাধিক প্রার্থী না থাকায় প্রতীক বরাদ্ধ ও ভোট গ্রহন করার কোন সুযোগ নাই। সে কারণে ৩১/৮/২০২৬ তারিখের চুড়ান্ত প্রার্থীর তালিকায় উল্লেখিত প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্ধীতায় নির্বাচিত ঘোষনা করেন প্রফেসর আলীম আল রাজী প্রধান নির্বাচন কমিশনার টাঙ্গাইল জেলা বেসরকারি বৈদ্যুতিক শ্রমিক ইউনিয়ন টাঙ্গাইল।আগামী তিন বছরের জন্য পদের বিপরীতে প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ খাইরুল ইসলাম খায়ের,সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আলিম,সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম খান বেনু,সহ-সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী সেন্টু, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক তাজুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃসিরাজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নুর মোহাম্মদ সজল, দপ্তর সম্পাদক মোঃফজলুল হক,প্রচার সম্পাদক মোঃ মঙ্গল আলী,ধর্ম সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান, কোষাধক্ষ্য মোঃ খোরশেদ আলম খসরু,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃআবুল কাশেম, কার্যকরী সদস্য ১মোঃ টিটু মিয়া,কার্যকরী সদস্য ২ মোঃশাহিন মিয়া, কার্যকরী সদস্য ৩ বাবু শ্যামল কুমার দাস নির্বাচিত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ বছরের শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু: আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা /রহস্য উদঘাটনের দাবি বাবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দিলশান আরা অনিমা স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


৯ বছরের শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু: আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা /রহস্য উদঘাটনের দাবি বাবার

 

ঢাকার সাভারে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী জান্নাত ওরফে শালমী মণ্ডলের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ৯ বছর বয়সী এই শিশুর মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বাবা রিপন মণ্ডল। তিনি দাবি করেছেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। একই সঙ্গে মৃত্যুর আগে শিশুটির সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

গত ১৮ ই আগস্ট ২০২৬ তারিখে শালমী মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়, তাকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে একটি ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন—এমন কোনো ব্যক্তির কথা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরে শিশুটির মা মৌসুমি আক্তার তাকে নিচে নামিয়ে রাখেন বলে জানা গেছে।

মায়ের পেশা ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে তথ্য

শালমীর মা মৌসুমি আক্তার সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র নার্স হিসেবে কর্মরত বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। একই সূত্রের দাবি অনুযায়ী, মৌসুমি আক্তার এ পর্যন্ত তিনটি বিবাহ করেছেন। তার প্রথম বিবাহের পর দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন রিপন মণ্ডল এবং পরবর্তীতে তৃতীয় স্বামী হিসেবে ডা. আরিফ আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে তার বিবাহ হয়।

রিপন মণ্ডল খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এবং মৌসুমি আক্তার মুসলিম ধর্মাবলম্বী বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। রিপন মণ্ডল ও মৌসুমি আক্তারের দাম্পত্য জীবনের প্রায় তিন বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বর্তমানে মৌসুমি আক্তারের স্বামী হিসেবে ডা. আরিফ আশরাফুল ইসলামের নাম পরিবারের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মৌসুমি আক্তারের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পর্কের এসব তথ্যের সঙ্গে শালমীর মৃত্যুর কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

ঘটনার দিন সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন ম্যাট্রন ফোন করে রিপন মণ্ডলকে তার মেয়ের মৃত্যুর খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রিপন মণ্ডল। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তার মেয়ের মরদেহ নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি মরদেহ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আটকানোর চেষ্টা করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।

পরে পুলিশের একজন সাব-ইন্সপেক্টর ঘটনাস্থলে এসে একটি ওড়না ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তবে ততক্ষণে মরদেহ নিচে নামানো হয়ে গিয়েছিল।

শিশুটির বাবা রিপন মণ্ডলের দাবি, তার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। তিনি বলেন, শালমীর ঘাড় অস্বাভাবিকভাবে নরম বা ঢিলে মনে হয়েছে। এ কারণে তার সন্দেহ, শিশুটির ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়ে থাকতে পারে। এমনকি মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে কোনো যৌন নির্যাতন বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

তবে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত নয়। শালমীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। তদন্ত ও চিকিৎসা পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই মৃত্যুটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড—তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

এদিকে শালমীর মা মৌসুমি আক্তার দাবি করেছেন, ঘটনার দিন মেয়ের সঙ্গে তার কোনো ঝগড়া, বিবাদ বা গালাগালির ঘটনা ঘটেনি। তিনি জানান, তিনি একটি প্রশিক্ষণে ছিলেন এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সিসি ক্যামেরা দেখে মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগও করেছিলেন। এরপর হঠাৎ কী ঘটেছে, তা তিনি জানেন না। তার দাবি, শালমী একটি হিজাবের ওড়না ব্যবহার করে আত্মহত্যা করেছে।

তবে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা থাকলেও ঘটনার দিনের ফুটেজ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে মৌসুমি আক্তারের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি ফুটেজ তার কাছে রয়েছে এবং সময়মতো তা প্রকাশ করবেন বলে জানান। ফলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ফুটেজটি সংগ্রহ করে পরীক্ষা করলে ঘটনার প্রকৃত সময় ও পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

শালমীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শালমী ও তার আরেক বোন যমজ। অপর বোন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং ঢাকায় থেকে পড়াশোনা করে। শালমী তার মা ও পরিবারের সঙ্গে থাকত।

শিশুটির বাবার অভিযোগ, তার মেয়ে মাত্র ৯ বছরের। এত অল্প বয়সে সে আত্মহত্যার বিষয়টি কতটা বুঝত—এ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, মৃত্যুর ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন এবং কোনো ধরনের অপরাধ হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

ঘটনায় শিশুটির মা মৌসুমি আক্তার এবং তার বর্তমান স্বামী ডা.আশরাফুল ইসলাম আরিফ কে নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সন্দেহের কথা বলা হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে নানা রকম গুঞ্জন চলছে ।

এ বিষয়ে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, পুলিশ পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং রিপন মণ্ডলের লিখিত অভিযোগ অমরা পেয়েছি,পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে ।

এদিকে শালমী মণ্ডলের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যেও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শিশুটির মৃত্যু কীভাবে হলো, মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে কী ঘটেছিল, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কী রয়েছে এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অমীমাংসিত।

শালমীর বাবা রিপন মণ্ডলের দাবি, তার মেয়ের মৃত্যুর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। তিনি দ্রুত পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ফরেনসিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

একটি শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো অপরাধী যেন আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে—এমন একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তই এখন সবার প্রত্যাশা। শালমীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তার বাবা রিপন মণ্ডল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার জারি করা একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়াকে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সভাপতি পদে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন।

এছাড়াও, প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে ৫ বছর অথবা তার ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত, যা আগে ঘটে, সে সময় পর্যন্ত এ পদে বহাল থাকবেন।

এর আগে, সম্প্রতি অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম পিএসসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%