ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যশোরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময়


যশোরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময়

যশোর, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি।

তিনি যশোরের আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

আজ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষ ‘অমিতাক্ষর’-এ অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।

আরও পড়ুন: নাগেশ্বরীতে ১,১৭০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার

সভায় আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, ডেঙ্গু মোকাবিলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়। উপজেলা পর্যায়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে কর্মকর্তাদের মতামতও নেওয়া হয়।

শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে সঠিক তথ্য-উপাত্ত দিলে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়া ও তা বাস্তবায়ন সহজ হবে।" তিনি আরও বলেন, "সরকার সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং প্রশাসনেও পরিবর্তনের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।"

তিনি যোগ করেন, "সবাই দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে জেলার আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও মানুষের জীবন-জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব।"

দায়িত্ব গ্রহণের পর যশোরসহ তাঁর দায়িত্ব প্রাপ্ত জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নতুন মুখ, সভাপতি আচ্ছু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মিলন

তিনি উল্লেখ করেন, "সরকার বিভিন্ন জেলার সমস্যা সম্পর্কে তথ্য নিয়ে সেগুলো সমাধানে কাজ করছেন।"

সভায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নী, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু ও যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সভায় জেলার আট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: চুয়েট ভিসিকে না মানার ৬ কারণ দেখিয়ে বিএনপি মহাসচিবকে স্মারকলিপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকদের বদলি নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


শিক্ষকদের বদলি নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল

গত ১৩ সেপ্টেম্বর বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ শেষ হওয়ার পর দ্রুত ফল প্রকাশ করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনও সেই বহুল প্রতীক্ষিত ফল প্রকাশিত হয়নি। এর ফলে আবেদনকারী শিক্ষকদের মনে ক্ষোভ ও দুশ্চিন্তার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে দিন দিন।

এদিকে, কেন এই বিলম্ব ঘটছে, তা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কথা বলেছে। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, বদলি আবেদনের পুরো প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা ও অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে টেলিটকের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন বা ‘স্ট্যাটাস’ চাওয়া হয়েছে।

টেলিটকের কাছ থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পর জরুরি পর্যালোচনায় বসবেন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সার্বিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ফাইল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ সংকেত পেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে বদলির কাঙ্ক্ষিত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, "আমরা টেলিটকের কাছে তথ্য চেয়েছি। টেলিটকের স্ট্যাটাস না জানা পর্যন্ত বদলি নিয়ে সভা করা সম্ভব হচ্ছে না। সভার পর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।"

এদিকে, ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া ১৯৫ শিক্ষককে প্রতিস্থাপন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই পদগুলোতে বদলির জন্য আবেদন করেছিলেন বদলিপ্রত্যাশী শিক্ষকরা। তবে প্রতিস্থাপনের কারণে ওই পদগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আবেদনকারীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা জানান, "১৯৫টি পদের বিষয়ে আমরা অবগত। আমাদের পরিকল্পনা হলো- ভুক্তভোগী প্রার্থীদের নিজ উপজেলার অন্য যে প্রতিষ্ঠানে পদ ফাঁকা রয়েছে সেখানে বদলির সুযোগ দেওয়ার। উপজেলা না হলে জেলা, জেলা না হলে পাশের জেলায় বদলির সুযোগ দেওয়া হতে পারে। সভা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যে ভারতীয় পরিবারে কন্যা শিশু ভ্রূণহত্যার উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


যুক্তরাজ্যে ভারতীয় পরিবারে কন্যা শিশু ভ্রূণহত্যার উদ্বেগ

ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে বসবাসকারী ভারতীয় পরিবারগুলোর মধ্যে ছেলে সন্তানের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা পক্ষপাতিত্বের কারণে কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই তাদের ওপর ‘লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা’ চালানো হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে একটি দাতব্য সংস্থা। সাম্প্রতিক কিছু তথ্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, কন্যাসন্তান এড়াতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অভিভাবকেরা গর্ভপাতের (অ্যাবোরশন) আশ্রয় নিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা ‘জিনা ইন্টারন্যাশনাল’ (Jeena International)-এর প্রতিষ্ঠাতা রানি বিলখু এই উদ্বেগজনক প্রবণতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, তাদের সংস্থা যেসব পরিবারকে সহায়তা দেয়, সেখানে অনেক নারীকে ছেলে সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য তীব্র পারিবারিক চাপ, মানসিক নির্যাতন ও জোরজুলুমের মুখোমুখি হতে হয়। তিনি আরও বলেন, "অনেক সংস্কৃতিতে মনে করা হয় কেবল একটি ছেলেই পরিবারে নারীর মর্যাদা বাড়াতে পারে এবং তাকে সার্থক প্রমাণ করতে পারে। যুক্তরাজ্যে অভিবাসী হওয়া অনেক নারীর ক্ষেত্রেই এই মানসিকতা ও পারিবারিক চাপ অপরিবর্তিত রয়েছে।"

অন্যান্য পরিসংখ্যান ও বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাজ্যে ভারতীয় পরিবারগুলোর মধ্যে জাতীয় গড় হারের তুলনায় প্রতি ১০০ জন কন্যা শিশুর বিপরীতে ছেলে শিশু জন্ম নেওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশেষ করে তৃতীয় সন্তানটি মেয়ে হলে গর্ভপাতের মাধ্যমে তা নষ্ট করার এক ধরনের গোপন প্রবণতা বা পারিবারিক চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে লিঙ্গ নির্ধারণ করে গর্ভপাত করা সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই ধরনের লৈঙ্গিক বৈষম্য ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের ঘটনা মানবাধিকার কর্মী ও সমাজকর্মীদের ভাবিয়ে তুলছে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এই প্রাচীন মানসিকতার কারণে একটি মেয়ে শিশু পৃথিবীতে আসার আগেই যেভাবে তার বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, তাকে ‘লৈঙ্গিক সহিংসতা’ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্ট অধিকার কর্মীরা। সূত্র : দ্য টাইমস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বকশীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো : নিয়াজ মোরশেদ জামালপুর (বকশীগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


বকশীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রেজাউল করিম, বকশীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুশাহেদ খান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মানিক সওদাগর, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোহাম্মদ খায়রুল বাশার, নিলক্ষীয়া পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান রঞ্জু, খয়ের উদ্দিন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ, ধানুয়া কামালপুর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার হালিম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার নওশেদ আলী, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, প্রেসক্লাব বকশীগঞ্জের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রনি, সাংবাদিক আবু তাহের

,মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক লালন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু এবং মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল মুজাহিদ বাবু।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদারকরণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা, বিজিবি সদস্য, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনে শীর্ষে চট্টগ্রাম জেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনে শীর্ষে চট্টগ্রাম জেলা

চট্টগ্রাম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বড় ব্যবধানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। এখানে নিবন্ধন করেছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঢাকায় নিবন্ধন হয়েছে ৫৯ হাজার ৫৮০ জন। এর মানে হলো, ঢাকার চেয়ে চট্টগ্রামে ১ লাখ ২১ হাজার ৫৬০ জন বেশি নিবন্ধন করেছেন।

নিবন্ধনের এই বিপুলসংখ্যক পেছনে খেলাধুলার প্রতি স্থানীয়দের আগ্রহের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রচার-প্রচারণা এবং উদ্যোগের প্রভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, নিবন্ধনে সবার মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা ছিল- কে কত বেশি নিবন্ধন করাতে পারে। জেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তাদের প্রচার-প্রচারণা ও প্রচেষ্টার কারণে নিবন্ধনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

তিনি চট্টগ্রামের মানুষের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহের কথা উল্লেখ করে বলেন, চট্টগ্রামে খেলাধুলার অনেক আয়োজন রয়েছে। জাতীয় পর্যায়েও এই জেলা থেকে অনেক ভালো খেলোয়াড় উঠে আসেন।

জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবদুল বারী জানান, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পরিকল্পিত প্রচারণার পাশাপাশি উপজেলা, ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ধারাবাহিক সমন্বয় করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

ইউনিয়ন পর্যায়েও নিবন্ধন কার্যক্রম বিস্তৃত করা হয়েছে। নির্ধারিত রূপরেখা অনুযায়ী ইউনিয়ন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এসব কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তারাও এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন।

আবদুল বারী আরও বলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সময়মতো দেওয়া নির্দেশনা নিবন্ধন বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। প্রতিদিন নিবন্ধন বাড়ানোর কার্যক্রম চালানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মাঠপর্যায়ের প্রচারণার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার চালানো হয়েছে। স্থানীয় সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের পাশাপাশি ফেসবুকে প্রতিযোগিতার তথ্য প্রচার করা হয়েছে। স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকেরাও এতে যুক্ত হয়েছেন। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য অফিসও প্রচারণায় সহযোগিতা করেছে।

এ কার্যক্রমে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিনের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেছেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা।

জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে চট্টগ্রামের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা। তৃতীয় স্থানে কুমিল্লা, যেখানে নিবন্ধন হয়েছে ৫১ হাজার ৮৪৮ জন। চতুর্থ স্থানে বরিশাল ৫১ হাজার ৫৮০ এবং পঞ্চম স্থানে পটুয়াখালীতে ৪৯ হাজার ৫৬৫ জন নিবন্ধন করেছেন।

শীর্ষ ২০ জেলার তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে দিনাজপুরে ৪১ হাজার ৬৯৯, সপ্তম স্থানে সিলেটে ৪০ হাজার ৫৩৬, অষ্টম স্থানে ময়মনসিংহে ৪০ হাজার ৫৪, নবম স্থানে কক্সবাজারে ৩৬ হাজার ৫৪৬ এবং দশম স্থানে বগুড়ায় ৩৪ হাজার ৯৬৮ জন নিবন্ধন করেছেন।

গত আসরে আটটি ইভেন্ট থাকলেও এবার আরও দুটি যুক্ত করে মোট ১০টি ইভেন্ট রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে দল গঠনের পর উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বালক ও বালিকা উভয় বিভাগে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, মার্শাল আর্ট ও টেবিল টেনিসে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%