সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৬ পি.এম
চট্টগ্রাম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বড় ব্যবধানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। এখানে নিবন্ধন করেছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঢাকায় নিবন্ধন হয়েছে ৫৯ হাজার ৫৮০ জন। এর মানে হলো, ঢাকার চেয়ে চট্টগ্রামে ১ লাখ ২১ হাজার ৫৬০ জন বেশি নিবন্ধন করেছেন।
নিবন্ধনের এই বিপুলসংখ্যক পেছনে খেলাধুলার প্রতি স্থানীয়দের আগ্রহের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রচার-প্রচারণা এবং উদ্যোগের প্রভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, নিবন্ধনে সবার মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা ছিল- কে কত বেশি নিবন্ধন করাতে পারে। জেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তাদের প্রচার-প্রচারণা ও প্রচেষ্টার কারণে নিবন্ধনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
তিনি চট্টগ্রামের মানুষের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহের কথা উল্লেখ করে বলেন, চট্টগ্রামে খেলাধুলার অনেক আয়োজন রয়েছে। জাতীয় পর্যায়েও এই জেলা থেকে অনেক ভালো খেলোয়াড় উঠে আসেন।
জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবদুল বারী জানান, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পরিকল্পিত প্রচারণার পাশাপাশি উপজেলা, ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ধারাবাহিক সমন্বয় করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।
ইউনিয়ন পর্যায়েও নিবন্ধন কার্যক্রম বিস্তৃত করা হয়েছে। নির্ধারিত রূপরেখা অনুযায়ী ইউনিয়ন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এসব কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তারাও এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন।
আবদুল বারী আরও বলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সময়মতো দেওয়া নির্দেশনা নিবন্ধন বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। প্রতিদিন নিবন্ধন বাড়ানোর কার্যক্রম চালানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মাঠপর্যায়ের প্রচারণার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার চালানো হয়েছে। স্থানীয় সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের পাশাপাশি ফেসবুকে প্রতিযোগিতার তথ্য প্রচার করা হয়েছে। স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকেরাও এতে যুক্ত হয়েছেন। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য অফিসও প্রচারণায় সহযোগিতা করেছে।
এ কার্যক্রমে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিনের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেছেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা।
জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে চট্টগ্রামের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা। তৃতীয় স্থানে কুমিল্লা, যেখানে নিবন্ধন হয়েছে ৫১ হাজার ৮৪৮ জন। চতুর্থ স্থানে বরিশাল ৫১ হাজার ৫৮০ এবং পঞ্চম স্থানে পটুয়াখালীতে ৪৯ হাজার ৫৬৫ জন নিবন্ধন করেছেন।
শীর্ষ ২০ জেলার তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে দিনাজপুরে ৪১ হাজার ৬৯৯, সপ্তম স্থানে সিলেটে ৪০ হাজার ৫৩৬, অষ্টম স্থানে ময়মনসিংহে ৪০ হাজার ৫৪, নবম স্থানে কক্সবাজারে ৩৬ হাজার ৫৪৬ এবং দশম স্থানে বগুড়ায় ৩৪ হাজার ৯৬৮ জন নিবন্ধন করেছেন।
গত আসরে আটটি ইভেন্ট থাকলেও এবার আরও দুটি যুক্ত করে মোট ১০টি ইভেন্ট রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে দল গঠনের পর উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বালক ও বালিকা উভয় বিভাগে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, মার্শাল আর্ট ও টেবিল টেনিসে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের সায়েন্স ল্যাব থেকে বাটা সিগন্যাল মোড় পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার জন্য অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানের সময়, ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শন ও সিটি করপোরেশনের নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে সড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা ও ভাসমান দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচলের জন্য উপযোগী করা হয়।
আরো পড়ুন
সৎ লোকের শাসন চাই, স্লোগান দেয় তারা : আদালতে পিপি
এ সময় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, সাইনবোর্ড কর পরিশোধ করা হয়েছে কি না এবং ফুটপাত অবৈধভাবে সাইনবোর্ড বা মালামাল রাখা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।
এছাড়া, বিভিন্ন দোকান, রেস্তোরাঁ ও ভবনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) পানি ফুটপাতে ফেলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং এডিস মশার লার্ভা বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
অভিযান চলাকালে ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শন এবং সিটি করপোরেশনের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে এবং নগরবাসীর জন্য সুশৃঙ্খল ও চলাচল উপযোগী ফুটপাত নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ডিএসসিসি জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী জিএমবি আকাশের একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘এমবার’ শুরু হয়েছে। এই প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হলো শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে জনসম্পর্ক ও মানবিক সংযোগকে গভীর করা।
গ্যালারি ৩৫০-এর উদ্যোগে আয়োজিত প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপাল, ভারত ও পাকিস্তানের প্রান্তিক জনগণের জীবন সংগ্রাম, মানবিক মর্যাদা, সহনশীলতা ও সামাজিক মেলবন্ধনের বিভিন্ন দিক অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
গতকাল রোববার প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করা হয়। আজ বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম, জাপানের রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও শ্রীলঙ্কার কূটনৈতিক প্রতিনিধিবৃন্দসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, মালদ্বীপের শিল্প ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিত্ব এবং প্রবাসীরা।
হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে বলেন, "সংস্কৃতি ও শিল্প হলো বাংলাদেশের জন কূটনীতি এবং ‘সফট পাওয়ার’-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঐতিহ্যগত প্রাতিষ্ঠানিক কূটনীতির সীমানা ছাড়িয়ে শিল্প দুই দেশের মানুষের মধ্যে সরাসরি মানবিক অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান ঘটাতে সক্ষম।
তিনি ‘পাওয়ার অব বন্ডিং’ বা জনসম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক কেবল সরকার-টু-সরকার যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই ধরনের প্রদর্শনী মালদ্বীপের জনগণের কাছে বাংলাদেশের মানুষ ও তাদের জীবনযাত্রাকে নতুনভাবে চিনতে সাহায্য করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে।
আলোকচিত্রী জিএমবি আকাশ অনুষ্ঠানে তার প্রদর্শিত আলোকচিত্রগুলোর পেছনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বিশেষ করে সমাজের শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগণের ন্যায্য মজুরি, মানবিক কর্মপরিবেশ এবং তাদের অর্জিত মর্যাদাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জোর আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে ভবিষ্যতে মালদ্বীপে শিল্প প্রদর্শনী, সাহিত্য চর্চা, শিক্ষামূলক উদ্যোগ ও শিল্পী বিনিময়ের মতো নানাবিধ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।
২০ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত গ্যালারি ৩৫০-এ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) বেলায়েত হোসেন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তার পদ থেকে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিনি ব্যক্তিগত কারণে আইন ও বিচার বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এর আগে, ৯ সেপ্টেম্বর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাদিয়া আফরিন শাপলা পদত্যাগ করেছিলেন। তারও দুই দিন আগে, ৭ সেপ্টেম্বর, পাঁচজন উচ্চপদস্থ আইন কর্মকর্তা একযোগে পদত্যাগ করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) সুলতানা আক্তার রুবি, মামুন চৌধুরী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) রোহানী সিদ্দিকা ও প্রোজ্জ্বল চাকমা।
এছাড়া, পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নূরুল করিম সম্প্রতি আইনমন্ত্রী বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে সরে দাঁড়ান।
আরো পড়ুন
তেলের দাম না বাড়ালে এলসি খোলার অর্থের ঘাটতি মেটানো কঠিন ছিল।
এর আগে, জুন মাসে সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত ও অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে জামায়াত সমর্থিত ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলসহ মোট ১৮ জন কর্মকর্তা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতা এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তারা সম্মিলিতভাবে পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সরকারি কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল (সিপিএফ)-এর মুনাফার হার নির্ধারণ করেছে।
সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের প্রারম্ভিক স্থিতির জন্য মুনাফার হার পূর্বের অবস্থানেই রাখা হয়েছে। তবে, জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১২ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে।
আজ সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ নাহিদুল করিম।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার ১৩ শতাংশ হবে। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির জন্য ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা থেকে তদূর্ধ্ব স্থিতির ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা প্রদান করা হবে। এই হারগুলো আগের অর্থবছরের মতোই রয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার উপরও সংশ্লিষ্ট স্তরের ভিত্তিতে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদায় ১৩ শতাংশ, ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা থেকে তদূর্ধ্ব জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা প্রযোজ্য হবে।
এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ১৫ লাখ টাকার বেশি জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে, নতুন অর্থবছরে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদার মুনাফার হার এক শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে গেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ ভবিষ্য তহবিল ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের জন্য নির্ধারিত এই হারগুলো ১৯৭৯ সালের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২(১) বিধি এবং ১৯৭৯ সালের প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২ বিধির আওতায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সব প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলভুক্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা সমান নয়। স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব আর্থিক বিধিবিধানের আলোকে ছকে নির্ধারিত স্তরভিত্তিক হারকে সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে বিবেচনা করে কর্মচারীদের জন্য মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ