প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী জিএমবি আকাশের একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘এমবার’ শুরু হয়েছে। এই প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হলো শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে জনসম্পর্ক ও মানবিক সংযোগকে গভীর করা।
গ্যালারি ৩৫০-এর উদ্যোগে আয়োজিত প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপাল, ভারত ও পাকিস্তানের প্রান্তিক জনগণের জীবন সংগ্রাম, মানবিক মর্যাদা, সহনশীলতা ও সামাজিক মেলবন্ধনের বিভিন্ন দিক অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
গতকাল রোববার প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করা হয়। আজ বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম, জাপানের রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও শ্রীলঙ্কার কূটনৈতিক প্রতিনিধিবৃন্দসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, মালদ্বীপের শিল্প ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিত্ব এবং প্রবাসীরা।
হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে বলেন, "সংস্কৃতি ও শিল্প হলো বাংলাদেশের জন কূটনীতি এবং ‘সফট পাওয়ার’-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঐতিহ্যগত প্রাতিষ্ঠানিক কূটনীতির সীমানা ছাড়িয়ে শিল্প দুই দেশের মানুষের মধ্যে সরাসরি মানবিক অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান ঘটাতে সক্ষম।
তিনি ‘পাওয়ার অব বন্ডিং’ বা জনসম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক কেবল সরকার-টু-সরকার যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই ধরনের প্রদর্শনী মালদ্বীপের জনগণের কাছে বাংলাদেশের মানুষ ও তাদের জীবনযাত্রাকে নতুনভাবে চিনতে সাহায্য করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে।
আলোকচিত্রী জিএমবি আকাশ অনুষ্ঠানে তার প্রদর্শিত আলোকচিত্রগুলোর পেছনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বিশেষ করে সমাজের শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগণের ন্যায্য মজুরি, মানবিক কর্মপরিবেশ এবং তাদের অর্জিত মর্যাদাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জোর আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে ভবিষ্যতে মালদ্বীপে শিল্প প্রদর্শনী, সাহিত্য চর্চা, শিক্ষামূলক উদ্যোগ ও শিল্পী বিনিময়ের মতো নানাবিধ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।
২০ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত গ্যালারি ৩৫০-এ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন