শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩০ পি.এম
বরিশাল, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি জানিয়েছেন, আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে শিগগিরই বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
তিনি আজ বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মিয়ারচর লঞ্চঘাট এলাকা পরিদর্শনকালে এসব মন্তব্য করেন।
এ সময় নদীভাঙনকবলিত এলাকায় কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, "নদী ভাঙন রোধে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, সারা দেশের নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আড়িয়াল খাঁ নদী এলাকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে একটি যুদ্ধ হচ্ছে ভাঙন মোকাবিলা করা।
এ সময় তিনি স্থানীয় জনগণের জানমাল রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি নির্দেশনা দেন।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ ইব্রাহীম, বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্যসচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপনসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজার জন্য যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত শান্তি পরিকল্পনার বাস্তবায়নে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারকে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি।
আল-থানি সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে, নেতানিয়াহু সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘনের একটি দীর্ঘ তালিকা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, মধ্যস্থতাকারীরা চুক্তিটি কার্যকর রাখতে চেষ্টা করলেও ইসরায়েলি সরকারের অবস্থানের কারণে শান্তি পরিকল্পনার অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
কাতার গাজা শাসনকারী হামাসের সামরিক শাখাকে কখনো অর্থায়ন করেনি বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন আল-থানি। তিনি জানান, গাজায় কাতারের পাঠানো অর্থ জাতিসংঘ ও ইসরায়েল সরকারের পূর্ণ সমন্বয় ও অনুমোদনের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে এবং হামাসের সামরিক শাখায় কাতার কোনো অর্থ দেয়নি।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কাতারের ভূমিকা নিয়েও আল-থানি কথা বলেন। তিনি হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো দেশ বা পক্ষের নৌপথ অবরোধ করে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করা গ্রহণযোগ্য নয়।
কাতার এবং ইরানের সম্পর্কের বিষয়ে আল-থানি বলেন, দুই দেশ প্রতিবেশী এবং কয়েক দশক ধরে তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক বজায় রয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, উভয় পক্ষের জন্য উদ্বেগের কারণ না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য এবং পেশাগত অনিশ্চয়তা দূর করার জন্য বক্তারা স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায্য বেতন কাঠামো প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের জন্য একটি জাতীয় ন্যূনতম বেতন কাঠামো প্রণয়ন, নিয়োগ ও কর্মপরিবেশের লিখিত নীতিমালা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণসহ ছুটি ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে রুটস অ্যান্ড রুটস ফাউন্ডেশনের (আরএনআর ফাউন্ডেশন) আয়োজনে ‘কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য: একটি জাতীয় সংকটের রূপরেখা’ শীর্ষক উন্মুক্ত সেমিনারে বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন।
সেমিনারে ঢাকার উত্তরখানের জামিয়া আরাবিয়া নুরুল ইসলামের মহাপরিচালক মাওলানা তোফায়েল গাজালী মন্তব্য করেন, ‘মাদ্রাসা কারও বাবার সম্পদ নয়। যারা মাদ্রাসায় পড়ান, তারা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অনুগ্রহের ওপর নির্ভরশীল কর্মী নন। তারা একটি প্রজন্মকে শিক্ষা দিচ্ছেন। তাই তাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসার স্বায়ত্তশাসন ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সম্মান রেখে শিক্ষকদের বেতন, কর্মঘণ্টা, ছুটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করা জরুরি। মাদ্রাসার নামে স্বায়ত্তশাসন থাকবে, কিন্তু শিক্ষকরা মানবেতর বেতন পাবেন, এই ব্যবস্থা চলতে পারে না।
সেমিনারে বক্তারা উল্লেখ করেন, কওমি মাদ্রাসার বিপুলসংখ্যক শিক্ষক অত্যন্ত কম বেতনে দীর্ঘ সময় ধরে পাঠদান করে আসছেন। অনেক ক্ষেত্রে একজন শিক্ষকের মাসিক বেতন এমন পর্যায়ে রয়েছে, যা তার ন্যূনতম জীবনযাপন ব্যয় মেটানোর জন্যও যথেষ্ট নয়। অথচ এসব শিক্ষক ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন শিক্ষা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করছেন।
তারা আরও বলেন, কওমি শিক্ষকদের বেতন ও কর্মপরিবেশ নিয়ে নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। ফলে সমস্যাটির প্রকৃত আকার নির্ধারণ এবং কার্যকর নীতি প্রণয়ন কঠিন হয়ে পড়েছে। এ জন্য দ্রুত একটি জাতীয় জরিপ পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
সেমিনারে মহিলা কওমি মাদ্রাসার নারী শিক্ষকদের বেতন ও কর্মপরিবেশ পৃথকভাবে জরিপ করে লিঙ্গভিত্তিক বেতন বৈষম্য দূর করতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আরএনআর ফাউন্ডেশনের প্রধান মাওলানা সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
সেমিনারে আলোচনা করেন, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপক মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী, ধানমণ্ডি তাকওয়া মসজিদের খতিব মাওলানা সাইফুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক আশরাফ মাহদী, বাংলাদেশ গ্রীণ পার্টির আহ্বায়ক রিদওয়ান হাসান, মীর হুজাইফা, হাফেজ কেফায়েত, আবদুস সাত্তার আইনী, আবদুল গাফফার, সাঈদ আবরার নদভী, আহমাদ গালিব, জাওয়াদ আহমাদ, রুহুল আমিন সাদী, আনছারুল হক ইমরান, শারাফাত শরীফ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকরা সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের শিক্ষাগত ও নৈতিক বিকাশে ভূমিকা রাখছেন। তাদের পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থের বিষয় নয়, এটি দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।
আরএনআর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, কওমি মাদ্রাসার স্বাধীনতা ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রেখে শিক্ষক সমাজের বেতন বৈষম্য, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তার প্রশ্নে একটি বাস্তবসম্মত জাতীয় নীতিগত আলোচনা এখন সময়ের দাবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার চরখোলাবাড়িয়ায় রাস্তা থেকে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ ইট তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে কুদ্দুসকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি আলহাজ খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দিগনগর ঘাট থেকে ট্রলারযোগে মধুমতি নদীর ভাঙনকবলিত চরখোলাবাড়িয়া এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। পরে আল হেলা দাখিল মাদ্রাসার হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ দাবি জানান।
খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, আমি পুলিশ প্রশাসনকে বলব, ইউএনওকে বলব,অনতিবিলম্বে কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার করতে হবে।” তিনি বলেন, রাস্তা থেকে বিপুল পরিমাণ ইট তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
নদীভাঙনের ভয়াবহতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আপনারা আমাকে ভোট না দিলেও আমার মনটা আমার এলাকার মানুষের জন্য কাঁদে। মানুষের বাড়িঘর, চাষাবাদের জমি, বসতভিটা, সবকিছু নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আপনারা যেমন চোখের পানি ফেলছেন, আমার চোখ দিয়ে হয়তো পানি পড়ছে না, কিন্তু আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চরখোলাবাড়িয়ার নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। পরদিন পানিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ভাঙন পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা করবেন বলেও জানান।
খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, যা ভেঙেছে, তা তো ভেঙেই গেছে। কিন্তু সামনে আর ভাঙন রোধ করা যায় কি না, সেই চেষ্টার জন্য কাল থেকেই আমি লাগব।
এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “উপায় নাই ভাই, ধৈর্য ধরতে হবে। একমাত্র আল্লাহর কাছে আল্লাহর রহমত চাইতে হবে।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক নূরুজ্জামান খসরু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান হাসিব, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন, প্রচার সম্পাদক নিয়ামত হোসেন পারভেজ, পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কদর, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লিটন মোল্যা, বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম ও স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা শাখা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটি শহরের বনরূপায় ইসলামিক সেন্টারের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
‘মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার অফিস সম্পাদক জালাল উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফ্যাকাল্টি অব সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন ড. এনায়েত উল্লাহ পাঠওয়ারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আমীর আব্দুল আলীম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ সম্পাদক নোমান হোসেন নয়ন, সোহরাওয়ার্দী হলের ভিপি নেয়ামতুল্লাহ আবরার এবং সংগঠনটির সাবেক দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সাফি।
বক্তারা বলেন, ভালো ফলাফল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও শুধু ফলাফলের মধ্যে সাফল্য সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হয়ে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। অর্জিত মেধা ও জ্ঞানকে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এনায়েত উল্লাহ পাঠওয়ারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তোমাদের হাত ধরেই আগামী দিনের দেশ গড়ে উঠবে। তাই ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের সময়োপযোগী করে তুলতে হবে।’
বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা এবং সময়ের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বাবা-মা ও শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সৎ, নৈতিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার জন্যও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ