০৬:৪০ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।
এটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ গ্রহণের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বর্তমানের সুপারকম্পিউটারগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: ববি হাজ্জাজ
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা মাইকেল ক্রাটসিওস জানিয়েছেন, কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে এগিয়ে থাকা মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইবিএম, মাইক্রোসফট ও গুগল রয়েছে।
এসব প্রতিষ্ঠান ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম বড় আকারের বাণিজ্যিক কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে। সোমবারের আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলো বেসরকারি খাতের সঙ্গে কাজ করে ২০২৮ সালের মধ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহারযোগ্য একটি কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেবে।
সাধারণ কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ‘বিট’ ব্যবহার করে।
আরও পড়ুন: বিএনপির শোভাযাত্রা উপলক্ষে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
এসব বিট ক্ষুদ্র সুইচের মতো কাজ করে, যা হয় বন্ধ (০) অথবা চালু (১) থাকে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে ‘কিউবিট’ ব্যবহৃত হয়, যা একই সময়ে ০ ও ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে।
এর ফলে, কোয়ান্টাম কম্পিউটার একই সময়ে বিপুলসংখ্যক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই এটি বর্তমানের যেকোনো প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।
তবে বর্তমানে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে ত্রুটির পরিমাণ বেশি থাকায় গবেষণার বাইরে নির্ভরযোগ্যভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
পরে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মডেলের সক্ষমতা বেসরকারি খাতের প্রতিশ্রুত প্রযুক্তির তুলনায় কম হবে।
আরও পড়ুন: ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার প্রতিরোধই আসল বিপ্লব: রাশেদ খান
তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির এই উদ্যোগকে ভবিষ্যতের আরও বড় ও সক্ষম প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’
ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা দ্বিতীয় নির্বাহী আদেশে সাইবার নিরাপত্তা ও পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি বা এমন এক ধরণের এনক্রিপশন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার কথা বলা হয়েছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য উন্মোচনের চেষ্টা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
ক্রাটসিওস বলেন, এই আদেশের মাধ্যমে কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী ক্রিপ্টোগ্রাফিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ ত্বরান্বিত হবে।
আরও পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবে করবেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
