শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২১ পি.এম
দেশের স্বাধীনতা, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপির অবদান রয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির ঘরে দেশের সেরা তিনটি অর্জনের ট্রফি রয়েছে। তিনি বলেন, "তাই তিনটি ট্রফি জয় করা দলকে পতনের হুমকি দিয়ে লাভ নেই।"
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকার নির্বাচিত ১৬১ জন প্রতিভাবান শিক্ষকের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আগে শিক্ষকদের পরীক্ষা নিয়ে তাদের মধ্য থেকে ১৬১ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পরে জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে নির্বাচিত শিক্ষকদের জাইমা রহমানের ছবিসংবলিত মগ উপহার দেন প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, ১৯৭১ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের অবদান ছিল। জুলাইয়ের আন্দোলনে বিএনপি ও জামায়াতের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
শিক্ষকদের অবহেলিত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সব পেশার মানুষকে গড়ে তোলেন শিক্ষকেরা। অথচ বাংলাদেশের শিক্ষকসমাজ যথাযথ মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।" তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন দেশপ্রেমিক সরকার ক্ষমতায় না থাকায় এ অবহেলা বেড়েছে। শিক্ষকদের মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বাধীনতার ইতিহাস প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার আগে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, তাজউদ্দীন আহমদসহ অনেকে অনুরোধ করলেও শেখ মুজিব ঘোষণা দিতে রাজি হননি। পরে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারও জিয়াউর রহমানের ঘোষণাকে স্বীকৃতি দিয়ে ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করে। এখন ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি হাস্যকর।
জিয়াউর রহমানের শাসনামলের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান দেশকে স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়। পরে খালেদা জিয়া দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চাঙা করার চেষ্টা করেন। ওয়ান-ইলেভেনের সরকার দেশের রাজনীতিতে স্বৈরাচারের ধারার সূচনা করে এবং পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণ শুরু করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, "দীর্ঘ সংকট থেকে দেশকে উত্তরণের দায়িত্ব এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর বর্তেছে।"
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম দাবি করেন, স্বৈরাচারের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়ন ডলার। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময়ে তা বেড়ে ২৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। বর্তমান সরকার সাত মাসে রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে। তার ভাষ্য, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছেন। তবে দেশের চলমান সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
জ্বালানিসংকট প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তেল-গ্যাসের সংকটকে বড় করে দেখানোর জন্য আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলের একটি অংশ যোগসাজশ করে পরিকল্পিতভাবে পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইনের দৃশ্য সংবাদমাধ্যমে প্রচার করিয়েছে। তার দাবি, তেলের দাম কিছুটা বাড়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এ ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে শিক্ষকদের সামাজিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, "শিক্ষকদের শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সমাজের অনিয়ম, অসংগতি ও অপরিচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।" পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠন, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের নেতৃত্বে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অনুমোদনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন কমিটি গঠনের অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত যাদেরকে পছন্দ করেনি, তারা এনসিপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেননি। তার মতে, দলটিকে এখন ‘প্রক্সি জামায়াত পার্টি’ বলার ক্ষেত্রে ভুল হবে না।
আজ শুক্রবার, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন। এর আগে, দুপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পুনর্গঠিত কমিটির তালিকা প্রকাশ করে।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘অনেক আশা জাগিয়ে নতুন বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখানো এনসিপির কোনো ধরনের কাউন্সিল ছাড়াই নতুন কমিটি হয়েছে। যারা সারাদিন গণতন্ত্রের বুলি আউড়ায় ও বিএনপির রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তারা একটি কাউন্সিল পর্যন্ত করে কমিটি দিতে পারল না। এর থেকে বড় লজ্জা আর কি হতে পারে?’
তিনি অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে এনসিপির সাংগঠনিক দুর্বলতা ও নেতৃত্ব কুক্ষিগত করার চরিত্র প্রকাশ পেয়েছে। রাশেদ খান বলেন, ‘যতটুকু তথ্য পেয়েছি, জামায়াতের অনুমোদনে এনসিপির এই নতুন কমিটি হয়েছে। অর্থাৎ জামায়াত যাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদে চায়নি, কমিটিতে তাদেরকে অগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে এনসিপির মধ্যে যারা স্বতন্ত্র রাজনীতির স্বপ্ন দেখে কিংবা জামায়াতবিরোধী, কমিটিতে তাদের পদাবনতি হয়েছে।’
এছাড়া, তিনি অভিযোগ করেন যে, এনসিপির নতুন কমিটির শীর্ষে ছাগলচোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের পদে আসীন করা হয়েছে।
রাশেদ খান দাবি করেন, এনসিপির নতুন কমিটি জামায়াতের যুব শাখা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বারের বেশি কেউ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হতে পারবেন না। দেখা যাক, নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেনের এই মেয়াদই শেষ মেয়াদ হয় কি না। নাকি নতুন বন্দোবস্তের নামে নতুন ভণ্ডবস্তের পথেই এগোবে এনসিপি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এনসিপি গণ-অভ্যুত্থানের স্বপ্ন ধারণ করে নতুন ধারার রাজনীতি উপহার দিতে পারলে দলটিকে সবাই সাধুবাদ জানাত। নতুন কমিটির ফরমেট দেখে মনে হলো, কিছু আসন ও আসন প্রতি নির্বাচনী খরচের বিনিময়ে এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের কাছে বিক্রি হয়ে গেল। বাংলাদেশে এনসিপির আর কোনো স্বতন্ত্র রাজনীতি করার ন্যূনতম সুযোগ রইল না। এনসিপিকে বর্তমানে প্রক্সি জামায়াত পার্টি বললেও আর ভুল হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মিডিয়া সম্পাদক পদে নিযুক্ত হয়েছেন ইয়াসির আরাফাত। তিনি পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার দুপুরে ১৯৫ সদস্য বিশিষ্ট পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির তথ্য এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এনসিপিতে যোগদান করেন ইয়াসির আরাফাত। এনসিপিতে যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি সাংবাদিকদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন 'বাংলাদেশ ফ্রি প্রেস ইনিশিয়েটিভ'। এনসিপিতে যোগদানের সময় তিনি সাংবাদিক সংগঠনটির আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
গণ-অভ্যুত্থানের সাংস্কৃতিক বিষয়াবলি সংরক্ষণে কাজ করেছেন ইয়াসির আরাফাত। তিনি জুলাইয়ের গ্রাফিতি, গান, স্লোগান, কবিতার বিশাল আর্কাইভ ‘জুলাই মেমোরিজ’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা। দেশের ১১টি জেলার ১০ হাজারের মতো গ্রাফিতির ছবি সংরক্ষিত রয়েছে জুলাই মেমোরিজের ওয়েবসাইটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে সভাটির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর। তিনি বলেন, "গত ১৭ বছরে সমস্যার পাহাড় জমেছে। এসব সমস্যা পাঁচ বছরে সম্পূর্ণ সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে কথা দিচ্ছি, এম ইলিয়াস আলীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। কোনো এলাকা উন্নয়নবঞ্চিত থাকবে না।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেই না। ২০১২ সাল থেকে প্রতিটি এলাকায় আমার বিচরণ রয়েছে। দুই উপজেলার সব সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে।"
সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর বলেন, "১৭ বছরের সমস্যা এক-দুই দিনে সমাধান করা যাবে সম্বব নয়। কারণ আমাদের সম্পদ সীমিত। তাই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি সড়ক ও অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে দুই উপজেলার ১৪৪টি ওয়ার্ডে সামগ্রিক উন্নয়ন হবে। গত সাত মাসে প্রতিটি ওয়ার্ডে ছোট-বড় উন্নয়নকাজ হয়েছে। ইতিমধ্যে ১০০টি সড়ক সংস্কার প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।"
সভায় খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বশর মো. ফারুকের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদ আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব সরকারের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌছ খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. ময়নুল হক, যুক্তরাজ্যের নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিন খান মুন্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তালুকদার গিয়াস উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এম. কয়েছ আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক কাওছার খান এবং সদস্য সচিব আশিকুর রহমান রানা।
কোরআন তেলাওয়াত করেন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রহিম আলী।
এছাড়া বক্তব্য দেন ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মাসুক মিয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আপ্তাব আলী, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিক খান, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ধনাই মিয়া, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইছবর আলী, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান এবং ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার নন্দীগ্রামে জন্মগত চোখের ত্রুটিতে আক্রান্ত তিন বছর বয়সী আবু বক্করের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতোমধ্যে শিশুটির চোখে তিনবার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, যদি আরো দুটি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে তার চোখ পুরোপুরি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ।
আবু বক্কর বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের সিদেল গ্রামের কৃষক বাদশা মিয়ার সন্তান। ছেলের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে তিনি চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হন।
সন্তানের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি মানবিক বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে শিশুটির উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর বগুড়ার প্রতিনিধি মো. রাশেদুজ্জামান পিয়াস জানান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন এবং সংগঠনটির সদস্যসচিব মুকছেদুল মোমিন মিথুনের তত্ত্বাবধানে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের ফলে আবু বক্করের পরিবার নতুন করে আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাদের সন্তান সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে—এমন প্রত্যাশা পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ