ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন বেতন কাঠামোর ‘পে ফিক্সেশন’ কাল শুরু, ভুল তথ্যে বিপদের আশঙ্কা


নতুন বেতন কাঠামোর ‘পে ফিক্সেশন’ কাল শুরু, ভুল তথ্যে বিপদের আশঙ্কা

নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি চাকরিজীবীরা অক্টোবর মাসের বেতনসহ প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার অর্থ পাবেন। তবে প্রত্যেকের বকেয়ার পরিমাণ একরকম হবে না। এটি নির্ভর করবে গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোতে নির্ধারিত মূল বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ বা ‘পে ফিক্সেশন’ কার্যক্রম আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে। অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

নতুন বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। চাকরিজীবীদের পোর্টালে প্রবেশ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্ম তারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যও যাচাই করতে হবে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙরের আক্রমণে ৬৫ বছরের নারীর মৃত্যু

যদি চাকরিজীবীরা পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট তথ্যও প্রদান করতে হবে। এসব তথ্যের সমর্থনে অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেছেন যে, যদি এসব তথ্য সঠিক না থাকে, তাহলে নতুন বেতন ও বকেয়া পাওনার হিসাব সঠিকভাবে করা সম্ভব হবে না। ভুল তথ্যে হিসাবের গরমিল হতে পারে, যা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নতুন কাঠামোর আওতায় কার মূল বেতন কত হবে, তা বেতন নির্ধারণের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের কাছে এ প্রক্রিয়া পে ফিক্সেশন হিসেবে পরিচিত। নতুন ও আগের বেতনের পার্থক্য এবং কার্যকর তারিখের ভিত্তিতে বকেয়া হিসাব করতে হবে।

বর্তমান বিএনপি সরকার গত ১৯ সেপ্টেম্বর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রুপপুর পারমাণবিক বিদ‍্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে মূল বেতন ছিল, তার ভিত্তিতে নতুন কাঠামোতে বেতন নির্ধারণ করা হবে। নতুন ও পুরনো মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদান করা হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পার্থক্যের ৭০ শতাংশ এবং এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে।

ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। চলতি অর্থবছরে দুই দফায় মূল বেতনের ৭০ শতাংশ দেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।

বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অর্থ বিভাগের ‘সেবা দেওয়া সক্ষম করতে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি’র (এসপিএফএমএস) আওতায় আইবাস প্লাস প্লাস এই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। প্রধান হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (সিএএফও), বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক (ডিসিএ), জেলা হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (ডিএএফও) এবং উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা (ইউএও) কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া আইনপ্রণেতার ওপর হামলার অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছরে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


এক বছরে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে ‘রেসকিউ ও স্যালভেজ অপারেশনের’ মাধ্যমে, এমন মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন, এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারা পরিবর্তিত হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকনির্ভর অর্থায়ন থেকে বের হয়ে নতুন অর্থায়নের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে পুঁজিবাজার, বন্ড মার্কেট ও অন্যান্য আর্থিক উপকরণের মাধ্যমে। এ লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত রয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান সভাপতিত্ব করেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক ও আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, পুঁজিবাজারকে দীর্ঘদিন প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন সময়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন আনা হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। অর্থনীতির পাশাপাশি পুঁজিবাজারকেও গভীর সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে।

তিনি বলেন, এটি এখন রেসকিউ অপারেশন এবং স্যালভেজ অপারেশন। পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য কিছু কঠিন ও বেদনাদায়ক সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কিন্তু এর বিকল্প নেই।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের অর্থায়ন ব্যবস্থায় ব্যাংকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারী, সরকার ও বেসরকারি খাত—সবাই মূলত ব্যাংকনির্ভর। তবে স্বল্পমেয়াদি আমানতের বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়ার ফলে কাঠামোগত অসামঞ্জস্য দেখা দিয়েছে। তাই ‘হাই স্ট্রিট ব্যাংকিং’ থেকে বের হয়ে ‘ওয়াল স্ট্রিটে’ যেতে হবে। পুঁজিবাজারকে বিকল্প অর্থায়নের প্রধান পথ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, পুঁজিবাজার পুনরুদ্ধারে কোনো একটি প্রতিষ্ঠান একা সফল হতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, আইডিআরএ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং আর্থিক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এতদিন প্রতিষ্ঠানগুলো আলাদা আলাদাভাবে কাজ করেছে। এখন পুরো আর্থিক ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেমের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজারের অংশীজনদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করার ওপরও গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ব্রোকার, স্টক এক্সচেঞ্জ, কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি, আর্থিক প্রতিবেদক ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর মধ্যে স্বচ্ছতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভালো কোম্পানিকে বাজারে আনতে হলে পুঁজিবাজারকে ‘ক্যাসিনো’ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের নির্ভরযোগ্য জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের আর্থিক স্থাপত্যে বড় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্কে ডলার বন্ড, হংকংয়ে বাংলাদেশভিত্তিক ইকুইটি ফান্ড, পাণ্ডা বন্ড, সামুরাই বন্ড, স্থানীয় বন্ড ও স্থানীয় মুদ্রার বন্ডসহ বিভিন্ন অর্থায়ন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে যেতে হলে উন্নয়ন সহযোগীদের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বর্তমান উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারায় বড় পরিবর্তন আসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার ঘানি বলেন, গত চার মাসে পুঁজিবাজারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হয়েছে। সরাসরি তালিকাভুক্তির নিয়ম পুনর্গঠন, আইপিও অনুমোদনের সময় ১৮ মাস থেকে তিন মাসে নামিয়ে আনা, ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়া, সার্কিট ব্রেকার ব্যবস্থায় সংস্কার এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা তহবিল থেকে অর্থ বিতরণের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণের পাশাপাশি কনভার্টিবল বন্ড, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট (রিটস), কর্মীদের ইকুইটি স্টক অপশন ও স্থানীয় মুদ্রার বন্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে বীমা ও পেনশন খাতের অর্থ কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, আইডিআরএ ও এনবিআরের চার নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাসিক সমন্বয় সভাও শুরু হয়েছে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, নতুন ব্যবস্থায় আইপিও অনুমোদনের সময় কমিয়ে তিন মাসে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আইপিওতে আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে মূল্যায়ন ও মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বহুজাতিক ও বড় দেশীয় কোম্পানিকে বাজারে আনতে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে ডিজিটালাইজেশনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ব্রোকারদের ব্যাক অফিস সফটওয়্যার একীভূত করা, রিয়েল টাইমে নজরদারি, অ্যাপভিত্তিক অর্ডার ব্যবস্থাপনা এবং কাগজের ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুঁজিবাজার ট্রাইব্যুনাল কার্যকর করতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ এবং ক্লিয়ারিং করপোরেশন অব বাংলাদেশকে নতুন ব্যবস্থায় কার্যকর করার কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপিনো অভিযানে চীনা জাহাজের বাধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপিনো অভিযানে চীনা জাহাজের বাধা

দক্ষিণ চীন সাগরে সন্দেহভাজন ডিনামাইট দিয়ে মাছ ধরার বিরুদ্ধে ফিলিপাইনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চীনা জাহাজের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, চীনা নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার আকাশপথে তাদের ওপর নজরদারি চালায়। রবিবার ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রণাধীন থিতু দ্বীপের কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড (পিসিজি) জানায়, থিতু দ্বীপের পশ্চিমে প্রায় তিন নটিক্যাল মাইল দূরে স্যান্ডি কেইস ২ ও ৩-এর কাছে ডিনামাইট বা বিস্ফোরক ব্যবহার করে মাছ ধরার সন্দেহে একটি বিদেশি মাছ ধরার নৌযানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে অংশ নেয় কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী এবং ফিলিপাইন ন্যাশনাল পুলিশের মেরিটাইম গ্রুপের সদস্যরা।

পিসিজির দাবি, অভিযানের সময় দুটি চায়না কোস্ট গার্ডের জাহাজ হর্ন বাজিয়ে ফিলিপিনো দলের সদস্যদের রেডিওতে চ্যালেঞ্জ করে। এরপর তারা ফিলিপিনো নৌযানগুলোর গতিবিধি অনুসরণ করে এবং সেগুলোর পথ আটকে দেয়।

একই সময়ে, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার ফিলিপিনো সদস্যদের ওপর চারবার চক্কর দেয়। ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড এটিকে ‘অপ্রয়োজনীয় ভীতি প্রদর্শন’ বলে অভিহিত করেছে।

ফিলিপিনো দলের সদস্যরা অভিযানে সন্দেহভাজন মাছ ধরার নৌযানটিকে থামার নির্দেশ দেয় এবং একাধিকবার রেডিওতে যোগাযোগ করে। কিন্তু নৌযানটি নির্দেশ অমান্য করে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে চীনের নিয়ন্ত্রণাধীন সুবি রিফের দিকে চলে যায়। নিরাপত্তার কারণে ফিলিপিনো বাহিনী পরে ধাওয়া বন্ধ করে থিতু দ্বীপে ফিরে আসে।

পিসিজি বলেছে, থিতুর আঞ্চলিক জলসীমায় চায়না কোস্ট গার্ডের কোনো আইন প্রয়োগের এখতিয়ার নেই। তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে সন্দেহভাজন নৌযানটি পালিয়ে যেতে আরও সুবিধা পেয়েছে বলেও দাবি করেছে ফিলিপাইন।

এদিকে, ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার বিতর্কিত স্কারবরো শোলের কাছে একটি ফিলিপাইন টহল বিমানের খুব কাছে চীনের জে-১৬ যুদ্ধবিমান বারবার এসে গতিপথ পরিবর্তন করে। এতে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে।

ফিলিপাইনের সশস্ত্র বাহিনী ঘটনাটিকে তাদের বৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাহাজ ও বিমানের বিরুদ্ধে ‘অনিরাপদ ও জবরদস্তিমূলক আচরণের ধারাবাহিক প্রবণতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। দক্ষিণ চীন সাগরে সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে একাধিক সামুদ্রিক উত্তেজনার মধ্যে সর্বশেষ এসব ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে ফিলিপিনে চীনা দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ড সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ড সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার :  সমাজকল্যাণমন্ত্রী

খুলনা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন যে, ফ্যামিলি কার্ড সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার।

মন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠ পর্যায়েও বাস্তবায়িত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুপারভিশন এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ সকালে সচিবালয়ের নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন কার্যক্রম অবহিতকরণ শীর্ষক খুলনা বিভাগীয় সেমিনারের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, জনবল বৃদ্ধি, যন্ত্রপাতি বাড়ানো এবং পদোন্নতির বিষয়ে কাজ চলছে। কিছু বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে, তবে আরও অনেক কিছু দৃশ্যমান হতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং হঠাৎ ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনাকাঙ্কিত ঘটনার বিষয়ে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য সবাইকে আরও সচেতন ও উদ্যোগী হতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, মানুষ যত আধুনিক ও উন্নত হচ্ছে, সমাজে তত ধরনের বিভিন্ন সমস্যা ও বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সমাজকল্যাণের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এছাড়া, স্বাভাবিক জনগণের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী এবং পিছিয়ে পড়া জনগণের জন্যও কাজ করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান।

সেমিনারে খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।

বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়ের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রতিষ্ঠান) মোহা. কামরুজ্জামান।

এতে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার সমাজসেবা দপ্তরের উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিসার, উপজেলা সমাজসেবা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া-তুরস্কের হাত মেলানো বিশ্ব মুসলিম-বান্ধব পর্যটনের বাজার দখলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


মালয়েশিয়া-তুরস্কের হাত মেলানো বিশ্ব মুসলিম-বান্ধব পর্যটনের বাজার দখলে

মালয়েশিয়া মুসলিম-বান্ধব পর্যটনে সহযোগিতা আরও গভীর করার জন্য তুর্কিয়ের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ব্যবস্থাপনা এবং ট্রানজিট ট্যুরিজমের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়। ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছেন।

মোহাম্মদ ফয়সাল বিন আবু শুয়াইব খান, সেন্টারের মহাপরিচালক, বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে বলেন, "ঐতিহাসিক স্থানগুলোর সংরক্ষণ এবং সেগুলোর বাণিজ্যিক ব্যবহারের মাধ্যমে পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তুর্কিয়ের অভিজ্ঞতা মালয়েশিয়ার জন্য দারুণ শিক্ষণীয় হতে পারে।"

তিনি উল্লেখ করেন, "ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ব্যবস্থাপনায় তুর্কিয়ের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। যেভাবে আপনারা ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো থেকে আয় করছেন এবং একই সাথে সেগুলোর সংস্কার, যত্ন ও ব্যবস্থাপনার তহবিল সংগ্রহ করছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া বেশ ব্যয়বহুল।"

ফয়সাল আরও বলেন, "যেভাবে আপনারা ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু নিদর্শন সংরক্ষণ করে সেগুলোকে চমৎকার পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করছেন, তা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি।"

দুই দেশই বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান মুসলিম পর্যটন বাজারকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের বিশাল পর্যটন শিল্পকে সম্প্রসারিত করতে চায়। তুর্কিয়ের পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটি পর্যটন খাত থেকে ৬,৫২৩ কোটি ডলার আয় করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৬.৮ শতাংশ বেশি।

২০২৫ সালে দেশটির জাদুঘর এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোতে প্রায় ৬ কোটি ৫৯ লাখ দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে, যা বছরভিত্তিক হিসাবে ৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। অন্যদিকে, ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার তথ্যানুসারে, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়া ৪ কোটি ২২ লাখ আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীকে স্বাগত জানিয়েছে, যা আগের বছরের ৩ কোটি ৮০ লাখের চেয়ে বেশি।

'ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬' ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশটি এই খাতকে আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা করছে।

তুর্কিয়ের ‘ট্রানজিট ট্যুরিজম’ মডেল

ফয়সাল ইস্তাম্বুল হয়ে ভ্রমণের নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জানান, তুর্কিয়ের এই বিশেষ পর্যটন পদ্ধতিটি মালয়েশিয়াও গ্রহণ করতে পারে। রাশিয়ার কাজান যাওয়ার পথে ইস্তাম্বুলে প্রায় আট ঘণ্টার যাত্রাবিরতিকালে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে তাঁকে এবং তাঁর এক সহকর্মীকে ইস্তাম্বুল শহর ঘুরে দেখার একটি বিশেষ ট্যুর প্রস্তাব করা হয়।

তিনি বলেন, "তারা আমাদের বিমানবন্দর থেকে শহরে নিয়ে যায়, এরপর বসফরাস প্রণালী বরাবর ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো দেখানোর জন্য একটি ক্রুজ ভ্রমণের ব্যবস্থা করে। যেখানে গোল্ডেন হর্নসহ প্রতিটি ঐতিহাসিক ভবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হয়।"

যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল ওই প্রোগ্রামে। তিনি বলেন, "এটি দারুণ একটি উদ্যোগ ছিল। ছোট কিন্তু সুন্দর এই সৌজন্যমূলক উপহারটি আমাদের মনে আবারও সেখানে ফিরে আসার ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে।"

"তারা ট্যুরটি এমনভাবে সাজিয়েছিল যা ছিল আমাদের জন্য একটি চমৎকার ‘টিজার’ বা আগাম ঝলকের মতো, যাতে আমরা পরবর্তীতে আবার ইস্তাম্বুলে আসি, দীর্ঘ সময় থাকি এবং শহরটিকে উপভোগ করি।"

ফয়সাল জানান, তিনি চান কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দীর্ঘ ট্রানজিটে থাকা যাত্রীদের জন্য মালয়েশিয়াও একই ধরনের মডেল তৈরি করুক।

ইস্তাম্বুলের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন, "আমি চাই, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ ও ২ নম্বর টার্মিনাল ব্যবহারকারী ট্রানজিট পর্যটকদের জন্য আমরাও একই ব্যবস্থা করি। যাতে আমরা তাঁদের কুয়ালালামপুর শহর ঘুরিয়ে দেখাতে পারি এবং ভবিষ্যতে তারা যেন আবারও ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন। তুর্কিয়ের কাছ থেকে শেখার মতো এটি খুবই আকর্ষণীয় একটি বিষয়।"

সহযোগিতা হতে পারে দ্বিপাক্ষিক

ফয়সাল জোর দিয়ে বলেন, এই সহযোগিতা কেবল মালয়েশিয়ার শেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং কাঠামোগতভাবে মুসলিম-বান্ধব পর্যটন মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে কুয়ালালামপুরের যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাও তারা বিনিময় করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, "আমরা সেখান থেকে যেমন শিখতে পারি, তেমনি আমাদের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিতে পারি। এটি দুই তরফেই দ্বিপাক্ষিকভাবে হতে পারে।"

মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত 'ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টার' মূলত মুসলিম-বান্ধব পর্যটন ও আতিথেয়তার জন্য মান নির্ধারণ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ করে থাকে। ফয়সাল বলেন, "আমাদের মূল মনোযোগ মুসলিম-বান্ধব পর্যটন ও আতিথেয়তার ওপর। আমরা মান নির্ধারণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও গবেষণার কাজ করি।"

সংস্থাটির অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হলো 'মুসলিম-ফ্রেন্ডলি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যান্ডরিকগনিশন', যা মুসলিম পর্যটকদের প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদানকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃত দিয়ে থাকে। মালয়েশিয়ায় বর্তমানে ৫০০টিরও বেশি ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠান 'মুসলিম-বান্ধব' হিসেবে নিবন্ধিত, যার মধ্যে রয়েছে ৭৩টি হোটেল, ৩৯টি ট্রাভেল এজেন্সি, ১১টি স্পা সেন্টার এবং ৩৯০ জন পর্যটক গাইড।

ফয়সাল মনে করেন, মালয়েশিয়ার এই মানদণ্ড সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা তুর্কিয়ের সুপ্রতিষ্ঠিত পর্যটন অবকাঠামোকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। তিনি বলেন, "আমাদের একটি স্বীকৃত মুসলিম-বান্ধব সনদ রয়েছে। এর ফলে তুর্কিয়ে সফরকারী পর্যটকেরা সহজেই নিশ্চিত হতে পারবেন যে তাঁরা কোনো বিশ্বস্ত ও মুসলিম-বান্ধব হোটেলে অবস্থান করছেন।"

তুর্কিয়েতে এমনিতেই সমৃদ্ধ ইসলামী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, হালাল খাবার, মসজিদ এবং মুসলিম পর্যটকদের উপযোগী সুবিধার দরুন একটি বিশাল মুসলিম-বান্ধব পর্যটন বাজার রয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, "তুর্কিয়ের রয়েছে সমৃদ্ধ মুসলিম ও ইসলামিক ইতিহাস। ফলে তাদের জন্য এই কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া এবং একই সঙ্গে মুসলিম-বান্ধব বাজারটিতে সহজে প্রবেশ করা খুবই সহজ হবে।"

মুসলিম বিশ্বের বাইরেও সুযোগ সম্প্রসারণ

সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়া ৯৭ লাখ মুসলিম দর্শনার্থীকে স্বাগত জানিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১ কোটি ৫২ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার এই স্বীকৃতি কাঠামোটি আন্তর্জাতিকভাবেও বিস্তৃত হচ্ছে। রাশিয়া, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রাজিলের মতো বাজারগুলোতে এই সংক্রান্ত সহযোগিতা বাড়াচ্ছে সেন্টারটি।

ফয়সাল জানান, অ-মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে এই মানদণ্ড বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে, কারণ সেখানে ভ্রমণকারীদের জন্য উপযুক্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ ও সেবা খুঁজে পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হয়। তিনি বলেন, "অ-মুসলিম দেশগুলোর ক্ষেত্রে আমরা স্থানীয় হালাল সনদ প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করি। তারা বর্তমানে হালাল খাবারের সনদ দেয়, আমরা তার সঙ্গে 'মুসলিম-বান্ধব নিশ্চয়তা স্বীকৃতি' পণ্যটি যুক্ত করি। এর ফলে তারা হালাল রেস্তোরাঁর পাশাপাশি নানা ধরণের হোটেলের সুযোগও দিতে পারে। একটি মাত্র সেবার বদলে হোটেলগুলোর জন্য তারা মুসলিম-বান্ধব নিশ্চয়তা যুক্ত করতে পারছে।"

"যেসব পর্যটক এই অ-মুসলিম দেশগুলোতে যাবেন, তাঁরা স্বস্তিতে থাকতে পারবেন কারণ তারা নির্দিষ্ট কিছু নির্ভরযোগ্য সেবা পাচ্ছেন। আমরা তাঁদের চাহিদামতো সুবিধা নিশ্চিত করি," যোগ করেন ফয়সাল।

ফয়সাল বিশ্বাস করেন, তুর্কিয়ে ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ভ্রমণকারীদের দুটি দেশকেই একসঙ্গে ঘুরে দেখার ব্যাপারে উৎসাহিত করবে। তিনি বলেন, "এটি দ্বি-মুখী হতে পারে। ভ্রমণকারীরা তুর্কিয়ে ঘুরে তারপর মালয়েশিয়া আসতে পারেন, অথবা মালয়েশিয়া থেকে কোনো তৃতীয় দেশে যাওয়ার পথে তুর্কিয়েতে কিছুদিন অবস্থান করতে পারেন।"

"আমাদের লক্ষ্য একটাই, আর বাজারও একই। তাই নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় না নেমে আমরা একসাথে বেড়ে উঠতে পারি," বলেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%