শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৩ পি.এম
আগামী রবিবার (২৫ অক্টোবর) থেকে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে শীতকালীন সময় কার্যকর হতে যাচ্ছে। ইউরোনিউজের তথ্য অনুযায়ী, এদিন গ্রীষ্মকালীন সময়ের সমাপ্তি ঘটিয়ে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানো হবে।
পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্রে এই পরিবর্তন কার্যকর হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুসারে, প্রতি বছর মার্চের শেষ রবিবার গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হয় এবং অক্টোবরের শেষ রবিবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে স্ট্যান্ডার্ড টাইমে ফিরে আসে।
পর্তুগালের মূল ভূখণ্ডের রাজধানী লিসবন, পোর্তো এবং অন্যান্য শহরে স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১টায় নিয়ে আসা হবে। একই সময়ে মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জেও ঘড়ির কাঁটা পিছানো হবে। তবে আজোরেস দ্বীপপুঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ১২টা করা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশে গ্রীষ্মকালীন সময় ২৫ অক্টোবর শেষ হবে। এর মধ্যে পর্তুগাল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড এবং গ্রিসসহ অন্যান্য সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য অঞ্চলে বিদেশি প্রভাবের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পাহাড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না এবং রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে রুমিন ফারহানা এখন প্রতিপক্ষের ভাষায় কথা বলছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঝিনাইদহ শহরের পাবলিক হেলথ জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, প্রতিবেশী একটি দেশের আশ্রয়ে ও সহায়তায় পাহাড়ের কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ ও নিরীহ মানুষ শান্তি চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুজব ছড়িয়ে ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করার কোনো অপচেষ্টা সরকার বরদাশত করবে না।
বক্তব্যের একপর্যায়ে রাশেদ খান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ার পর থেকেই রুমিন ফারহানা রাজনৈতিকভাবে ছিটকে পড়েছেন। তিনি এখন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সুরেই কথা বলছেন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে যে মব বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন, তা তাঁর রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করে।
এদিকে বিএনপি ভারতের সঙ্গে আঁতাত করছে— জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের এমন বক্তব্যের কড়া জবাব দেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, জামায়াত নেতারা প্রতিনিয়ত মিথ্যাচারের রাজনীতি করছেন। অথচ দেশবাসী জানে নির্বাচনের আগে রাতের আঁধারে কারা বিদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিল। একই সাথে জামায়াত-এনসিপির খুলনা বিভাগীয় লংমার্চ কর্মসূচির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে কোনো কাজ না করায় সাধারণ মানুষ তাদের এসব কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান করেছে।
ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময়কালে ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জেলা সভাপতি ডা. মো. হাসানুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি গির্জায় অনুষ্ঠিত শেষকৃত্য চলাকালে বন্দুকধারীর একটি আকস্মিক হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ১০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা স্থানীয় সময় শুক্রবার কারাক গভর্নোরেটের হাম্মুদ চার্চে ঘটে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও নিরাপত্তা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে অ্যারাব নিউজ জানায়, জানাজার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে একটি গাড়িতে করে দুই বন্দুকধারী গির্জার সামনে উপস্থিত হয়। এরপর তারা অবিরাম গুলি চালাতে শুরু করে এবং প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালানোর পর পালিয়ে যায়। হামলার সময় গির্জার ভেতরে ও বাইরে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নিহতদের বেশিরভাগের বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছিল।
আল-মামলাকা সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, পাবলিক সিকিউরিটি ডিরেক্টরেটের বরাত দিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারী অজ্ঞাতপরিচয় দুই বন্দুকধারীকে গ্রেফতারের জন্য যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জর্ডানের সরকারপ্রধানের যোগাযোগমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-মোমানি জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জর্ডানের কারাক অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। সূত্র: অ্যারাব নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা এবং অনলাইন আসক্তি প্রতিরোধের জন্য বৈশ্বিক উদ্যোগে এবার গ্রিস যুক্ত হয়েছে। দেশটির সংসদে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত একটি কঠোর বিল পাস হয়েছে।
ক্ষমতাসীন দল ‘নিউ ডেমোক্রেসি’র সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে শুক্রবার এই আইনটি পাস হয়। তবে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে এই বিলের বিরুদ্ধে তীব্র বিতর্কের কারণে সমর্থন পাওয়া যায়নি। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিস একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই কঠিন কিন্তু জরুরি পদক্ষেপের পরিকল্পনার কথা প্রথম ঘোষণা করেছিলেন।
নতুন এই আইনটি আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং এর আওতায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাধ্যতামূলক বয়স যাচাই প্রক্রিয়া এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারী কোম্পানির জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর তৈরি করা আসক্তি তৈরি করা অ্যালগরিদম শিশুদের স্ক্রিনের সামনে আটকে রাখে এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে—এমন উদ্বেগের মধ্যে গ্রিস এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এই পদক্ষেপের ফলে গ্রিস অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রাজিল, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। তবে এই আইনগুলোর কার্যকারিতা এবং বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু সমালোচকের মনে এখনও সংশয় রয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ঢুকে গেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্যটি প্রকাশ করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘শুধু জামায়াতের বিরোধিতা করার কারণে আজকে এনসিপির এই দুই নারী নেত্রীকে নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে বাদ দিয়ে দিলো। এই দুই নারী নেত্রীকে বাদ দিয়ে এনসিপি প্রমাণ করলো তারা এখন পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ডুকে গেছে’।
আবু হানিফ তার পোস্টে বলেন, "এনসিপি গঠনের পর থেকেই মানুষের একটা ধারণা ছিলো যে এটা জামায়াত নিয়ন্ত্রিত একটি সংগঠন। নির্বাচনের সময় মানুষের ধারণা বাস্তবে প্রমাণ হয়। জামায়াতের সাথে জোটের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা করেছিলো এনসিপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের দুই সদস্য সামান্তা শারমিন ও নাহিদা সারওয়ার নিভা। এই দুই নারীর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অনেক ভূমিকা ছিলো, শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নয় বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনেও এরা সামনে ছিলো। শুধু জামায়াতের বিরোধিতা করার কারণে আজকে এনসিপির এই দুই নারী নেত্রীকে নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে বাদ দিয়ে দিলো। এই দুই নারী নেত্রীকে বাদ দিয়ে এনসিপি প্রমাণ করলো তারা এখন পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ডুকে গেছে। কেননা এখন আর জামায়াতের বিরোধিতা করার মত এনসিপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে আর কেউ নাই। ফলে এখন থেকে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে এনসিপি আগের চেয়ে আরও বেশি ভূমিকা পালন করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ