মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৯ এম
ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আকাশ মেঘলা থাকতে পারে, তবে আগামী কয়েক ঘণ্টায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ সকাল ৯টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে, আগামীকাল সূর্যোদয় সকাল ৫টা ৪৮ মিনিটে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টায় বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপান সিরিয়ার ১৬টি সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তেল, ব্যাংকিং ও টেলিযোগাযোগ খাতের সংস্থাগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, এবং এসব সংস্থার ওপর থাকা সম্পদ জব্দের ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে জানায়, সিরিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের তালিকায় সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের তালিকায় সিরীয় পেট্রোলিয়াম কোম্পানি, সিরিয়া ট্রেডিং অয়েল কোম্পানি, সিরিয়ার বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান সিরিয়াটেলসহ বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দের ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হবে।
এর আগে ২০২৫ সালে জাপান সিরিয়ার কয়েকটি ব্যাংকের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছিল। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাংক, পপুলার ক্রেডিট ব্যাংক, সেভিং ব্যাংক এবং অ্যাগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক।
তবে উল্লেখযোগ্য যে, জাপানের নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। তাসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫৯ ব্যক্তি ও ১৮টি সিরীয় প্রতিষ্ঠান এখনও জাপানের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
সিরিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রক্রিয়া গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন দেশ ও জোটের মধ্যে অগ্রসর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সিরিয়ার ওপর থাকা বিস্তৃত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে, যদিও বাশার আল-আসাদ এবং কিছু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের নানটাকেট দ্বীপে ভয়াবহ ঝড়ের পর সমুদ্রসৈকতে ভেসে উঠেছে প্রায় ১৪২ বছর আগে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজের কাঠের অংশ। ইতিহাসবিদদের ধারণা, কাঠের এই অংশটি ‘ওয়ারেন সয়্যার’ নামের একটি তিন মাস্তুলের পালতোলা জাহাজের ধ্বংসাবশেষ।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।
১৮৬৯ সালে নির্মিত জাহাজটি ১৮৮৪ সালের ২২ ডিসেম্বর নানটাকেট দ্বীপের কাছে ডুবে যায়। ওই সময় জাহাজটি নিউ অরলিন্স থেকে বোস্টনের দিকে যাচ্ছিল। এতে এক হাজার ১১৫টির বেশি তুলার গাঁট এবং ২৮ টন লোহার ভাঙা অংশ ছিল।
ম্যাসাচুসেটসের পানির নিচের প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ বিষয়ক সংস্থার পরিচালক ও প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক ডেভিড রবিনসন জানিয়েছেন, উনিশ শতকে পণ্য পরিবহনের জন্য জাহাজটি ব্যবহৃত হতো। সে সময় এটি বর্তমান সময়ের বড় পণ্যবাহী যানবাহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
সাম্প্রতিক ঝড়ের পর নানটাকেটের সমুদ্রসৈকতে পচে যাওয়া কাঠের তক্তা ও কাঠামোর বেশ কিছু অংশ দেখা যায়। এসব কাঠের অংশে এখনও অসংখ্য পেরেক রয়েছে। ঢেউয়ের আঘাতে ধ্বংসাবশেষগুলো বারবার নড়াচড়া করছিল।
স্থানীয় ইতিহাসবিদদের মতে, একই এলাকায় ২০২২ ও ২০২৩ সালেও ওই জাহাজের আরও কিছু ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল। ফলে এবারের পাওয়া কাঠের অংশটিও ‘ওয়ারেন সয়্যার’-এর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৮৮৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে জাহাজটির দুর্ঘটনার ভয়াবহ বিবরণও প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে জাহাজটির পেছনের একটি বড় অংশ ভেঙে যায় এবং সাগরের প্রচণ্ড ঢেউয়ের সামনে জাহাজের ভেতরের অংশ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।
নানটাকেটকে ঐতিহাসিকভাবে ‘আটলান্টিকের জাহাজকবরস্থান’ বলা হয়। উনিশ শতকে প্রতিদিন শত শত জাহাজ এই ছোট দ্বীপটির পাশ দিয়ে চলাচল করত। ঝড় ও সমুদ্রের অগভীর বালুচরের কারণে দ্বীপটির আশপাশের পানিতে প্রায় ৭০০টি জাহাজডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে নানটাকেট জাহাজডুবি ও জীবনরক্ষা জাদুঘর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাইকেল ওলিসের গোলের পর জিনেদিন জিদানের উদযাপন ছিল অত্যন্ত উন্মাদনা পূর্ণ। এমন ধরনের উদযাপন তার খেলোয়াড়ি জীবনে খুব কমই দেখা গেছে। তিনি যেভাবে দৌড়ে গিয়ে টাচ লাইনের বাইরে রাখা বলটিকে কিক করলেন, তা ছিল নজরকাড়া।
জিদান ওলিসের গোলের মাধ্যমে যে আত্মতৃপ্তি লাভ করেছেন, তা ফ্রান্সের কোচের উদযাপন না দেখলে বোঝা সম্ভব নয়। উদযাপনের পর তিনি ম্যাচ শেষে শিষ্যকে প্রশংসিত করেছেন।
জিদানের মতে, ওলিসে একজন বিরল প্রতিভাবান ফুটবলার। তিনি জানিয়েছেন, ওলিসের ড্রিবলিংয়ের সময়েই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে গোলটি হতে যাচ্ছে। সাবেক ফরাসি মিডফিল্ডার বলেছেন, “যখন আমি একজন ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে কাটিয়ে যেতে দেখলাম, তখনই মনে মনে বললাম, ‘সে গোল করতে যাচ্ছে।’ আমি হৃদয় দিয়ে উদযাপন করছিলাম। সে সত্যিই অসাধারণ প্রতিভা। আমি এমন খেলোয়াড়দের খুব পছন্দ করি।”
জিদান জানান, ওলিসে খেলা দর্শকদের বিমোহিত করে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ফুট মারকাতো’কে তিনি আরও বলেন, ‘সে যখন মাঠে থাকে, দর্শকদের বিনোদন দিতে চায়। কিন্তু বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। তার খেলার ওপর দারুণ দখল এবং সূক্ষ্ম জ্ঞান রয়েছে। সে প্রতিপক্ষের মুভমেন্ট আগে থেকেই অনুমান করতে পারে এবং জানে কখন আক্রমণে উঠতে হবে এবং কখন পেছনে ফিরে আসতে হবে।’
বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের ৮৮ মিনিটে ওলিসে ফ্রান্সের জয়সূচক গোলটি করেন। তিনি নিজেদের বক্সের একটু সামনে বল পেয়ে ট্রেডমার্ক দৌড় শুরু করেন। প্রথমে শরীরের সঙ্গে লেগে থাকা প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে দৌড়ে ছিটকে ফেলেন। পরে বক্সের মাঝ বরাবর ঢুকে সামনে থাকা তিন প্রতিদ্বন্দ্বীর ফাঁক গলে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ওলিসে। গোলটি হওয়ার পর জিদান পাগলাটে উদযাপনে মেতে ওঠেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ছয় বছর পর, তাঁর ময়নাতদন্ত নিয়ে নতুন একটি দাবি সামনে এনেছেন বোন শ্বেতা সিং কীর্তি। সম্প্রতি একটি ভিডিওবার্তায় শ্বেতা উল্লেখ করেছেন যে, সুশান্তের ময়নাতদন্তকারী এক চিকিৎসকের সঙ্গে কয়েক দিন আগে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে। ওই চিকিৎসকের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, অভিনেতার মৃত্যুর সময় বন্দুক ব্যবহার এবং শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল।
শ্বেতার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই চিকিৎসক তাঁকে জানিয়েছেন যে, সুশান্তের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল এবং তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন যে, অভিনেতার চোখেও আঘাতের চিহ্ন ছিল।
২০২০ সালের ১৪ জুন, মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাসা থেকে সুশান্ত সিং রাজপুতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, পরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা এবং তদন্ত হয়। সুশান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই দাবি করা হয়েছে যে, তিনি আত্মহত্যা করেননি।
মৃত্যুর পর সুশান্তের তৎকালীন বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ ওঠে। তবে তদন্ত শেষে সিবিআইয়ের ক্লোজার রিপোর্টে বলা হয় যে, তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুশান্তের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড ছিল—এমন দাবির পক্ষে তদন্তে প্রমাণ মেলেনি।
তবে শ্বেতা এখনো ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন। ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি জানতে পেরেছি, যিনি আমার ভাইয়ের ময়নাতদন্ত করেছিলেন, তিনি বলেছেন ঘটনার সময় বন্দুক ব্যবহার করা হয়েছিল। তার পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল এবং অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছিল। চোখেও আঘাত ছিল।’
সুশান্তের মৃত্যুর সময় শ্বেতা দেশের বাইরে ছিলেন। করোনা মহামারির কারণে ভাইয়ের শেষযাত্রাতেও উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে শ্বেতা বলেন, সুশান্তের মৃত্যুর পর অনেকেই তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং অভিনেতার জন্য কেঁদেছিলেন। তার ভাষায়, সবারই মনে হয়েছিল, সুশান্তের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা ঠিক হয়নি।
ভাইকে হারানোর কষ্টের কথা বলতে গিয়ে শ্বেতা আরও বলেন, প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা তিনি নিজে অনুভব করেছেন। জীবনে নানা ধরনের অন্যায় ও কষ্ট এলেও সেই অভিজ্ঞতা মানুষকে পরিবর্তনের পথে নিয়ে যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভালোবাসার মধ্য দিয়েই সুস্থ হয়ে ওঠার কথা বলেন সুশান্তের বোন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ