প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাইকেল ওলিসের গোলের পর জিনেদিন জিদানের উদযাপন ছিল অত্যন্ত উন্মাদনা পূর্ণ। এমন ধরনের উদযাপন তার খেলোয়াড়ি জীবনে খুব কমই দেখা গেছে। তিনি যেভাবে দৌড়ে গিয়ে টাচ লাইনের বাইরে রাখা বলটিকে কিক করলেন, তা ছিল নজরকাড়া।
জিদান ওলিসের গোলের মাধ্যমে যে আত্মতৃপ্তি লাভ করেছেন, তা ফ্রান্সের কোচের উদযাপন না দেখলে বোঝা সম্ভব নয়। উদযাপনের পর তিনি ম্যাচ শেষে শিষ্যকে প্রশংসিত করেছেন।
জিদানের মতে, ওলিসে একজন বিরল প্রতিভাবান ফুটবলার। তিনি জানিয়েছেন, ওলিসের ড্রিবলিংয়ের সময়েই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে গোলটি হতে যাচ্ছে। সাবেক ফরাসি মিডফিল্ডার বলেছেন, “যখন আমি একজন ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে কাটিয়ে যেতে দেখলাম, তখনই মনে মনে বললাম, ‘সে গোল করতে যাচ্ছে।’ আমি হৃদয় দিয়ে উদযাপন করছিলাম। সে সত্যিই অসাধারণ প্রতিভা। আমি এমন খেলোয়াড়দের খুব পছন্দ করি।”
জিদান জানান, ওলিসে খেলা দর্শকদের বিমোহিত করে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ফুট মারকাতো’কে তিনি আরও বলেন, ‘সে যখন মাঠে থাকে, দর্শকদের বিনোদন দিতে চায়। কিন্তু বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। তার খেলার ওপর দারুণ দখল এবং সূক্ষ্ম জ্ঞান রয়েছে। সে প্রতিপক্ষের মুভমেন্ট আগে থেকেই অনুমান করতে পারে এবং জানে কখন আক্রমণে উঠতে হবে এবং কখন পেছনে ফিরে আসতে হবে।’
বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের ৮৮ মিনিটে ওলিসে ফ্রান্সের জয়সূচক গোলটি করেন। তিনি নিজেদের বক্সের একটু সামনে বল পেয়ে ট্রেডমার্ক দৌড় শুরু করেন। প্রথমে শরীরের সঙ্গে লেগে থাকা প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে দৌড়ে ছিটকে ফেলেন। পরে বক্সের মাঝ বরাবর ঢুকে সামনে থাকা তিন প্রতিদ্বন্দ্বীর ফাঁক গলে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ওলিসে। গোলটি হওয়ার পর জিদান পাগলাটে উদযাপনে মেতে ওঠেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন