মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১২ পি.এম
হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে একটি মার্কিন মানববিহীন সাবমার্সিবল বা পানির নিচে চলাচলকারী স্বয়ংক্রিয় যান আটক করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, তাদের বাহিনী হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে অভিযান চালিয়ে ওই মার্কিন সাবমার্সিবলটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
ইরানি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, আটক করা যানটি একটি আধুনিক প্রযুক্তির মানববিহীন সাবমার্সিবল, যাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে যানটির মডেল, আকার, পরিচালন পদ্ধতি কিংবা এটি কী ধরনের নজরদারি বা সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।
আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, আটক করা যানটির ছবি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে নিজেদের দাবির পক্ষে দৃশ্যমান প্রমাণ উপস্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরানি বাহিনী।
তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইরান যে মার্কিন মানববিহীন সাবমার্সিবল আটক করেছে বলে দাবি করেছে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি
ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস রফতানির একটি বড় অংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছায়। ফলে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যেকোনও সামরিক তৎপরতা বা উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক নৌবাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
এই জলপথের প্রবেশমুখে মার্কিন কোনও মানববিহীন সামুদ্রিক যান আটক করার ইরানি দাবি সত্য হলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
মানববিহীন সাবমার্সিবল সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন সামরিক বা প্রযুক্তিগত মিশনে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ইরান যে যানটি আটক করার দাবি করেছে, সেটির নির্দিষ্ট সক্ষমতা বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে কোনও তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে আইআরজিসি নৌবাহিনীর বক্তব্য প্রচারিত হলেও ঘটনাটির বিষয়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্বাধীন কোনও সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে আটক করা যানটির ছবি বা অন্যান্য প্রমাণ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত দাবিটির বিস্তারিত যাচাই করা সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া না আসায় ঘটনাটি নিয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষা তৈরি হয়েছে।
ইরানের এমন দাবি এর আগেও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও নজরদারি কার্যক্রম ঘিরে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামনে এসেছে। ফলে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে তা দুই দেশের সামরিক তৎপরতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ভূমি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন পদে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে আসছিল একটি চক্র। দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা তাদের এজেন্টরা চাকরি প্রার্থীদের টার্গেট করে পরিচিতজনদের মাধ্যমে টোপ ফেলতো। শুরুতে বলা হতো মাস্টার রোলে নিয়োগে ৩ মাস চাকরি করতে হবে। এরপর নিয়োগের প্রজ্ঞাপন দেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। ওই প্রজ্ঞাপনেই পূর্ণাঙ্গ সরকারি চাকরি হবে। চাকরির মাধ্যম হিসেবে মধ্যবয়সী একজনকে সাজানো হতো যুগ্ম সচিব। এরপর সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ওয়েটিং রুমে ডাকা হতো চাকরি প্রত্যাশীদের। সেখান থেকে ক্যান্টিনে বা আশপাশের কোনো রেস্টুরেন্টে নিয়ে হাতে দেওয়া হতো চাকরির নিয়োগপত্র।
অনেককে সংশ্লিষ্ট অফিসের সামনে ডেকে হাজিরা নেওয়া হতো। কাউকে কাউকে গ্রেড অনুযায়ী একমাসের বেতন অগ্রিমও দেওয়া হতো। ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে অফিস সহকারী পদের চাকরি দেওয়ার নামে ভুয়া কাগজ ও অভিনব কৌশলে প্রতারণা করা একটি চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-মূলহোতা নিশিথ ওরফে রুবেল, তার দুই সহযোগী মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ও রিংকু হোসেন। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ভূমি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের চাকরির নিয়োগপত্র, নিয়োগের পর কথিত হাজিরা খাতা, প্রজ্ঞাপন এবং পরিচয়পত্র। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ডিসি মোল্লা মোহাম্মদ শাহিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, পল্লবী থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে সোমবার পৃথক অভিযানে এই চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়। তারা মাত্র ৬ জন চাকরি প্রত্যাশীর কাছ থেকেই হাতিয়ে নিয়েছে অর্ধকোটি টাকা।
ডিসি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় এই চক্রের সদস্যরা চাকরি প্রার্থীদের ফাঁদে ফেলছে। এই চক্রের হাতে প্রতারণার শিকার হয়েছেন সাবেক পুলিশ সদস্যের সন্তান থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও অন্য পেশার সন্তানরা। অনেকে জমিজমা বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে দিতো এই প্রতারক চক্রের সদস্যদের কাছে।
প্রতারণার শিকার চাকরি প্রত্যাশীরা জানিয়েছেন, অধিদপ্তরে ডেকে ৭-৮ জনের একটি চক্র এমন অভিনয় করতো মনে হতো তারা ওই অফিসের প্রভাবশালী কেউ। এই চক্রে সংশ্লিষ্ট অফিসের কেউ জড়িত কিনা সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মোল্লা মোহাম্মদ শাহিন বলেন, কেউ যদি বিশেষ সুবিধায় চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট অফিস বা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে যাচাই করা উচিত। তাহলে এই প্রতারণা কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মাতা আমেনা বেগমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
আমেনা বেগম মঙ্গলবার রাজধানীর নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স ছিল ১০৩ বছর। তিনি চার পুত্র, পাঁচ কন্যা এবং অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এক শোকবার্তায় জাতীয় সংসদের স্পিকার মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর সড়ক বিভাগাধীন গড়িয়ারপাড়-বানারীপাড়া-ছারছীনা-স্বরূপকাঠী-কাউখালী-নৈকাঠী (জেড-৮০৩৩) জেলা মহাসড়কের ৪৪তম (অংশ) কিলোমিটারে কচুয়াকাঠী বেইলী সেতুর স্থানে একটি আধুনিক পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। নতুন সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় উক্ত সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন।
সেতু নির্মাণের সুবিধার্থে কচুয়াকাঠী বেইলী সেতুর উত্তর পার্শ্বে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের মালিকানাধীন জমিতে গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনা ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সওজ সড়ক উপ-বিভাগ, কাউখালীর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ আল-আমীন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে জানানো হয়, কচুয়াকাঠী মৌজার (জে এল নং-২৪, বিএস খতিয়ান নং-৩, বিএস দাগ নং-১৬৩) সওজ-এর জমিতে গড়ে তোলা টিনশেড, আধাপাকা বাড়ি ও দোকানঘরসহ সব ধরণের অবৈধ স্থাপনা জরুরি ভিত্তিতে অপসারণ করতে হবে।
নোটিশে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে স্থান খালি না করা হলে "মহাসড়ক আইন, ২০২১ অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। জনস্বার্থে ও সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বার্থে বিষয়টিকে অতীব জরুরী হিসেবে গণ্য করতে আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ