ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদ্যালয়ের ৯৫০ কেজি রড গায়েব নাকি ষড়যন্ত্র? ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় তীব্র সমালোচনা


বিদ্যালয়ের ৯৫০ কেজি রড গায়েব নাকি ষড়যন্ত্র? ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় তীব্র সমালোচনা

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ১ নম্বর পশ্চিম চেঁচরীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো প্রায় ৯৫০ কেজি রড বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে রড বিক্রির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি ভ্যানগাড়িতে করে পুরোনো রড নিয়ে যাচ্ছেন এক ভাঙারি ব্যবসায়ী। ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি রডগুলোর উৎস জানতে চাইলে ওই ব্যবসায়ী দাবি করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা মিলে রডগুলো তাঁর কাছে বিক্রি করেছেন। তবে ভিডিওতে রডগুলো সুনির্দিষ্টভাবে কোন বিদ্যালয়ের, তা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১ নম্বর পশ্চিম চেঁচরীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে পুরোনো সিঁড়িকক্ষ ভাঙার সময় বিপুল পরিমাণ রড বের হয়, যা বিদ্যালয়েই সংরক্ষিত ছিল। তাঁদের দাবি, পূর্ববর্তী শিক্ষকের দায়িত্ব হস্তান্তরের তালিকায় (চার্জ লিস্ট) উল্লেখ থাকা ৬৫ কেজি রডের সঙ্গে এই ৯৫০ কেজি রডের কোনো সম্পর্ক নেই। তালিকাভুক্ত ৬৫ কেজি রড মূলত ঠিকাদারের রেখে যাওয়া অতিরিক্ত টুকরা রড ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার যোগসাজশ করে ওই পুরোনো রডগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নাসিরনগরের চাপরতলায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচারণায় সরগরম মাঠ, বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে আলোচনা

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা সিফাত জানান, রডগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে ভ্যানগাড়িতে তোলার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে রাতে কিছু রড এনে পুনরায় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে এনে রাখা হয়। সে সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, রড বিক্রির বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘বিদ্যালয় থেকে কোনো রড বিক্রি করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ।’ তাঁর দাবি, বহিরাগত কিছু ছেলে রাতে অনধিকার চর্চা করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করত। তাদের প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল জানান, ‘গত ৭ অক্টোবর রড বিক্রির বিষয়টি জানতে পেরে ৮ অক্টোবর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করি। ওই সময় বিদ্যালয়ের স্টোররুমে কিছু রড পাওয়া যায়। তবে দায়িত্ব হস্তান্তরের তালিকায় উল্লেখিত রড এবং বিক্রির অভিযোগ ওঠা রড এক নয়—এমন তথ্য নতুন করে সামনে এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুনরায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার অনুসারী শীর্ষ সন্ত্রাসী কেচ্ছা রাসেল গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকৃতির রঙিন শিকারি মাছরাঙা, জলাশয় ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন প্রতিবেদক:

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


প্রকৃতির রঙিন শিকারি মাছরাঙা, জলাশয় ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

বাংলার প্রকৃতিতে সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক মাছরাঙা পাখি। উজ্জ্বল রঙের পালক, লম্বা ঠোঁট ও ক্ষিপ্র শিকার করার দক্ষতার কারণে পাখিটি সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নদী, খাল, বিল, পুকুর ও জলাশয়ের আশপাশে সাধারণত মাছরাঙার দেখা মেলে।

মাছরাঙা মূলত ছোট মাছ শিকারের জন্য পরিচিত। পানির ওপর কোনো ডাল কিংবা খুঁটিতে বসে শিকারের অপেক্ষা করে পাখিটি। পানিতে মাছের উপস্থিতি টের পেলেই দ্রুত ডুব দিয়ে ঠোঁটে শিকার ধরে আবার নিজের বসার জায়গায় ফিরে আসে। এ অসাধারণ শিকার কৌশল প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে মাছরাঙাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙা দেখা যায়। প্রজাতিভেদে এদের আকার, রং ও খাদ্যাভ্যাসে পার্থক্য রয়েছে। মাছ ছাড়াও কিছু প্রজাতির মাছরাঙা ছোট জলজ প্রাণী, পোকামাকড় ও অন্যান্য ক্ষুদ্র প্রাণী খেয়ে থাকে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মাছরাঙা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাদ্যশৃঙ্খলের অংশ হিসেবে এরা জলজ প্রাণী ও পোকামাকড়ের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পাশাপাশি কোনো এলাকার জলাশয় ও প্রাকৃতিক পরিবেশের অবস্থা বুঝতেও পাখির উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে জলাশয় ভরাট, গাছপালা ও ঝোপঝাড় কমে যাওয়া, পানি দূষণ এবং মানুষের অসচেতনতার কারণে মাছরাঙাসহ বিভিন্ন বন্য পাখির আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে জলাশয় সংরক্ষণ, দূষণ রোধ এবং পাখি শিকার বন্ধে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

প্রকৃতির এই রঙিন পাখিকে টিকিয়ে রাখতে হলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মাছরাঙার অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলার নদী-খাল-বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতায় আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, বাংলাদেশের স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতায় আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, বাংলাদেশের স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিষয়কমন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। সাক্ষাৎকালে, দেশটির পক্ষ থেকে তিস্তা প্রকল্পে সম্ভাব্য কারিগরি সহায়তা প্রদানের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের কাছে ব্রিফিং করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

তিনি উল্লেখ করেন, নেদারল্যান্ডস তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সমীক্ষা পরিচালনার জ্ঞান এবং কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী। বাংলাদেশ এই বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে।

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস উভয়ই ব-দ্বীপ রাষ্ট্র। তাই অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

এ সময়, প্রধানমন্ত্রী ভূমি পুনরুদ্ধারে নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূমি পুনরুদ্ধার, চর উন্নয়ন এবং অভিযোজনক্ষম নদীব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ম মন্ত্রীর সাথে খেলাফত আন্দোলন নেতাদের সাক্ষাৎ, আহতদের জন্য সহযোগিতা চাওয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


ধর্ম মন্ত্রীর সাথে খেলাফত আন্দোলন নেতাদের সাক্ষাৎ, আহতদের জন্য সহযোগিতা চাওয়া

সউদী আরবের রিয়াদে হুতিদের হামলায় মুফতী নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আহতদের সুচিকিৎসা, শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান নিয়ে খেলাফত আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ আজ মঙ্গলবার ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সঙ্গে তার বাসায় সাক্ষাৎ করেছেন।

আমীরে খেলাফত মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীর নেতৃত্বে সাক্ষাৎকারী প্রতিনিধি দলে ছিলেন হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) এর খালিফা মাওলানা আব্দুল হক মোমেনশাহী, মাওলানা সাইদুর রহমান, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জমিয়ত নেতা মাওলানা গাজী ইয়াকুব ওসমানী, মুফতি সাইফুল ইসলাম মাদানী, মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী, মুফতি সুলতান মাহিউদ্দিন ও মাওলানা ইয়ামিন হুসাইন আজমী। সাক্ষাৎকালে ধর্মমন্ত্রী সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

ইসলামি বই খুঁজুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি উপাচার্য সমাবর্তনের কাজ দ্রুত সম্পন্নের নির্দেশ দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


ইবি উপাচার্য সমাবর্তনের কাজ দ্রুত সম্পন্নের নির্দেশ দিলেন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আসন্ন ৫ম সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন কমিটির কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি কমিটিগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

ইসলামি বই খুঁজুন

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে সমাবর্তন উপলক্ষে গঠিত বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপাচার্য এসব কথা বলেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলীসহ বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ২০২৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই আয়োজনের জন্য একটি মূল কমিটির অধীনে ২২টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় জানানো হয়, প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী সমাবর্তনে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা হতে পারে প্রায় ১০ হাজার। তবে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) ও রিসেপশন প্রক্রিয়া শেষ হলে চূড়ান্ত সংখ্যা জানা যাবে। এছাড়া বাজেট দ্রুত পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত করা এবং পূর্ববর্তী সমাবর্তনের সনদের (সার্টিফিকেট) নকশার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কাজ সহজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় উপাচার্য উল্লেখ করেন, “আগামী ডিসেম্বরের যেকোনো সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অনুষ্ঠান আয়োজনের উপযোগী অবস্থায় পৌঁছানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কমিটিকে নিজ নিজ দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতে হবে। এটি কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা থাকবে। ফলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সমন্বয়হীনতার সুযোগ দেওয়া যাবে না।”

প্রস্তুতি কার্যক্রমে গতি আনতে উপাচার্য জানান, যদি কোনো সদস্য কমিটিতে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারেন, তবে তা আগেই আহ্বায়ককে জানাতে হবে, যাতে প্রয়োজনে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যায়। এছাড়া, কাজে গতি আনতে কোনো কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্য যুক্ত করার প্রয়োজন হলে লিখিত সুপারিশ দেওয়ার কথা বলা হয়। বয়স ও কাজের চাপ বিবেচনা করে কিছু দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।

সমাবর্তনের বিভিন্ন উপ-কমিটির পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে উপাচার্য আবাসিক, পরিবহন, উপহারসহ অন্যান্য কমিটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রকৌশল দপ্তর ও স্টেট শাখার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে অতিথিদের আসন বিন্যাস, ভিআইপি ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা পাস যথাসময়ে নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%