মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ পি.এম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আসন্ন ৫ম সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন কমিটির কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি কমিটিগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
ইসলামি বই খুঁজুন
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে সমাবর্তন উপলক্ষে গঠিত বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপাচার্য এসব কথা বলেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলীসহ বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, ২০২৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই আয়োজনের জন্য একটি মূল কমিটির অধীনে ২২টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় জানানো হয়, প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী সমাবর্তনে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা হতে পারে প্রায় ১০ হাজার। তবে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) ও রিসেপশন প্রক্রিয়া শেষ হলে চূড়ান্ত সংখ্যা জানা যাবে। এছাড়া বাজেট দ্রুত পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত করা এবং পূর্ববর্তী সমাবর্তনের সনদের (সার্টিফিকেট) নকশার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কাজ সহজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় উপাচার্য উল্লেখ করেন, “আগামী ডিসেম্বরের যেকোনো সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অনুষ্ঠান আয়োজনের উপযোগী অবস্থায় পৌঁছানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কমিটিকে নিজ নিজ দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতে হবে। এটি কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা থাকবে। ফলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সমন্বয়হীনতার সুযোগ দেওয়া যাবে না।”
প্রস্তুতি কার্যক্রমে গতি আনতে উপাচার্য জানান, যদি কোনো সদস্য কমিটিতে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারেন, তবে তা আগেই আহ্বায়ককে জানাতে হবে, যাতে প্রয়োজনে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যায়। এছাড়া, কাজে গতি আনতে কোনো কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্য যুক্ত করার প্রয়োজন হলে লিখিত সুপারিশ দেওয়ার কথা বলা হয়। বয়স ও কাজের চাপ বিবেচনা করে কিছু দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।
সমাবর্তনের বিভিন্ন উপ-কমিটির পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে উপাচার্য আবাসিক, পরিবহন, উপহারসহ অন্যান্য কমিটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রকৌশল দপ্তর ও স্টেট শাখার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে অতিথিদের আসন বিন্যাস, ভিআইপি ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা পাস যথাসময়ে নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আজারবাইজান ও ইরাক সফরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন, যা মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের জানান, "আমি আজ রাতে আজারবাইজানের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছি। ১৫ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে থাকব।" সফরের বিস্তারিত তুলে ধরার সময় তিনি বলেন, "আজ রাতে আমি আজারবাইজানের উদ্দেশে রওনা হব। ১৫-১৬ অক্টোবর সেখানে থাকব।"
আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপবিষয়ক সম্মেলনের (সিআইসিএ) আওতায় উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, সভায় বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
সফরের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের এখন মধ্য এশিয়ার সঙ্গে আরও নিবিড় যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা গড়ে তোলা প্রয়োজন।" তিনি এই অঞ্চলটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কার্যক্রম সম্প্রসারণের নতুন ক্ষেত্র ও মাত্রা হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, "পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে মধ্য এশিয়া একটি নতুন ক্ষেত্র ও মাত্রা। আমরা সেখানে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছি।" বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক বহুমুখী করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত যোগাযোগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজারবাইজান সফর শেষে ১৭ অক্টোবর ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে বাগদাদ যাবেন বলেও জানান হুমায়ুন কবির।
তিনি আরো বলেন, "আমি সেখানে অংশ নেব এবং আমাদের সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেব।" ওআইসির ওই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি বক্তব্যও দেবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
হুমায়ুন কবির বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উল্লেখযোগ্য ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের এ সময়ে বাগদাদের বৈঠককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।" দীর্ঘ কয়েক দশকের সংঘাত ও অস্থিতিশীলতার পর ইরাকে পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, "দেশটিতে উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।"
তিনি বলেন, "এ সময়ে বাগদাদ একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। গত ২০ বছরে নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর সেখানে সুযোগ ও যোগাযোগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।" দীর্ঘদিনের অস্থিতিশীলতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো ধীরে ধীরে নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করায় ইরাকসহ বৃহত্তর অঞ্চলের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাংলাদেশ খতিয়ে দেখবে বলেও জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে বাংলাদেশের গভীর আগ্রহের কথা তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, "এ অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী রয়েছেন।" তিনি বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। সেখানে আমাদের প্রায় ৮০ লাখ কর্মী রয়েছেন, যা একটি বিশাল কর্মীবাহিনী।"
বিশেষ করে অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত ও নিরাপত্তাঝুঁকির প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও সার্বিক মঙ্গল সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর অন্যতম বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওপরই নয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানিস্বার্থের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।" তিনি জানান, আঞ্চলিক সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে বর্তমানে বিভিন্ন কূটনৈতিক ও অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে তৎপরতা চলছে।
তিনি বলেন, "শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে অনেক অংশীজন আনুষ্ঠানিক ও কূটনৈতিকভাবে কাজ করছেন। পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক ও পর্দার আড়ালের আলোচনাও চলছে।" জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভূমিকার কথা উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবদান রাখার যেকোনো প্রস্তাব বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।"
তিনি বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের কাছে যেকোনো প্রস্তাব এলে আমরা তা সব সময় ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার ভিসার আবেদনকারীদের দালালের খপ্পরে পড়ে হয়রানি ও জটিলতায় না জড়াতে পরামর্শ প্রদান করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, আবেদনকারীদের নিজস্বভাবে ভিসার আবেদন করতে হবে এবং দালালের সহায়তা না নিয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা উচিত। সময়মতো আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তির ঝুঁকি কমে যাবে।
আজ দুপুরে রাজশাহী নগরীর বর্ণালী মোড়ে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ভিসার আবেদন করতে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং সেবার পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার জানান, ভিসা কেন্দ্রের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলছে কি না এবং আবেদনকারীরা কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কি না, তা দেখতে তিনি নিয়মিত পরিদর্শনে আসেন।
তিনি বলেন, আজকের পরিদর্শনও তার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। পরিদর্শনে তিনি বিশেষ কোনো সমস্যা দেখতে পাননি। তবে আবেদনকারীদের চাপ সামলাতে ভিড় ব্যবস্থাপনা নিয়মিত পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভিড় ব্যবস্থাপনা সহজ কাজ নয়। এ জন্য নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হয়। একই সঙ্গে সেবা নিতে আসা মানুষ যাতে অযথা ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
দালালদের বিষয়ে সতর্ক করে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার বলেন, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দালালদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে থাকে।
ভিসা আবেদনকারীদের কোনো এজেন্ট বা দালালের ওপর নির্ভর না করে নিজেরাই নির্ধারিত সময়ের স্লট বুক করার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
মনোজ কুমার আরও বলেন, দালালরা আবেদনকারীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিতে পারে। তাঁদের মাধ্যমে আবেদন করলে কাগজপত্র-সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি থাকে।
তিনি সেবার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা, আবেদনকারীদের চাপ সামলানো এবং কার্যকর ভিড় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দালালের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো গেলে আবেদনকারীদের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি কমানো সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির প্রবীণ নেতা আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুর জন্য।
মঙ্গলবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এক শোকবার্তায় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা যেন তার জীবনের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে সব নেক আমল কবুল করেন এবং তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাকাম দান করেন।
এছাড়া, তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার ধৈর্য দানের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবের কারণে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে কাতারের মোট রাজস্ব ৪২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে দেশটির গ্যাস অবকাঠামোর ক্ষতি এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার কারণে। খবরটি প্রকাশ করেছে ডন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দোহায় শূরা কাউন্সিলের বার্ষিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এই তথ্য তুলে ধরেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানায় বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে।
কাতার এলএনজি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম প্রধান দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের পর এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক হিসেবে পরিচিত। আমিরের বক্তব্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে কাতারের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে এবং রাস লাফান শিল্পনগরীর কিছু জ্বালানি স্থাপনায় সরাসরি ক্ষয়ক্ষতির কারণে দেশের রপ্তানির একটি বড় অংশ ব্যাহত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকটের প্রভাব দেশের সরকারি অর্থনীতিতেও পড়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে কাতারের মোট রাজস্ব ৪২ শতাংশ কমে গেছে।
কাতারের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি এবং রপ্তানি কার্যক্রমে বিঘ্ন দেশের সরকারি আয়কে চাপের মধ্যে ফেলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ