মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৩ পি.এম
বাংলার প্রকৃতিতে সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক মাছরাঙা পাখি। উজ্জ্বল রঙের পালক, লম্বা ঠোঁট ও ক্ষিপ্র শিকার করার দক্ষতার কারণে পাখিটি সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নদী, খাল, বিল, পুকুর ও জলাশয়ের আশপাশে সাধারণত মাছরাঙার দেখা মেলে।
মাছরাঙা মূলত ছোট মাছ শিকারের জন্য পরিচিত। পানির ওপর কোনো ডাল কিংবা খুঁটিতে বসে শিকারের অপেক্ষা করে পাখিটি। পানিতে মাছের উপস্থিতি টের পেলেই দ্রুত ডুব দিয়ে ঠোঁটে শিকার ধরে আবার নিজের বসার জায়গায় ফিরে আসে। এ অসাধারণ শিকার কৌশল প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে মাছরাঙাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙা দেখা যায়। প্রজাতিভেদে এদের আকার, রং ও খাদ্যাভ্যাসে পার্থক্য রয়েছে। মাছ ছাড়াও কিছু প্রজাতির মাছরাঙা ছোট জলজ প্রাণী, পোকামাকড় ও অন্যান্য ক্ষুদ্র প্রাণী খেয়ে থাকে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মাছরাঙা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাদ্যশৃঙ্খলের অংশ হিসেবে এরা জলজ প্রাণী ও পোকামাকড়ের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পাশাপাশি কোনো এলাকার জলাশয় ও প্রাকৃতিক পরিবেশের অবস্থা বুঝতেও পাখির উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তবে জলাশয় ভরাট, গাছপালা ও ঝোপঝাড় কমে যাওয়া, পানি দূষণ এবং মানুষের অসচেতনতার কারণে মাছরাঙাসহ বিভিন্ন বন্য পাখির আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে জলাশয় সংরক্ষণ, দূষণ রোধ এবং পাখি শিকার বন্ধে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
প্রকৃতির এই রঙিন পাখিকে টিকিয়ে রাখতে হলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মাছরাঙার অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলার নদী-খাল-বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও সমৃদ্ধ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিষয়কমন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। সাক্ষাৎকালে, দেশটির পক্ষ থেকে তিস্তা প্রকল্পে সম্ভাব্য কারিগরি সহায়তা প্রদানের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের কাছে ব্রিফিং করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
তিনি উল্লেখ করেন, নেদারল্যান্ডস তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সমীক্ষা পরিচালনার জ্ঞান এবং কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী। বাংলাদেশ এই বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে।
বৈঠকে আরও আলোচনা হয় বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস উভয়ই ব-দ্বীপ রাষ্ট্র। তাই অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।
এ সময়, প্রধানমন্ত্রী ভূমি পুনরুদ্ধারে নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূমি পুনরুদ্ধার, চর উন্নয়ন এবং অভিযোজনক্ষম নদীব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সউদী আরবের রিয়াদে হুতিদের হামলায় মুফতী নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আহতদের সুচিকিৎসা, শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান নিয়ে খেলাফত আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ আজ মঙ্গলবার ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সঙ্গে তার বাসায় সাক্ষাৎ করেছেন।
আমীরে খেলাফত মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীর নেতৃত্বে সাক্ষাৎকারী প্রতিনিধি দলে ছিলেন হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) এর খালিফা মাওলানা আব্দুল হক মোমেনশাহী, মাওলানা সাইদুর রহমান, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জমিয়ত নেতা মাওলানা গাজী ইয়াকুব ওসমানী, মুফতি সাইফুল ইসলাম মাদানী, মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী, মুফতি সুলতান মাহিউদ্দিন ও মাওলানা ইয়ামিন হুসাইন আজমী। সাক্ষাৎকালে ধর্মমন্ত্রী সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
ইসলামি বই খুঁজুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আসন্ন ৫ম সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন কমিটির কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি কমিটিগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
ইসলামি বই খুঁজুন
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে সমাবর্তন উপলক্ষে গঠিত বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপাচার্য এসব কথা বলেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলীসহ বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, ২০২৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই আয়োজনের জন্য একটি মূল কমিটির অধীনে ২২টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় জানানো হয়, প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী সমাবর্তনে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা হতে পারে প্রায় ১০ হাজার। তবে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) ও রিসেপশন প্রক্রিয়া শেষ হলে চূড়ান্ত সংখ্যা জানা যাবে। এছাড়া বাজেট দ্রুত পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত করা এবং পূর্ববর্তী সমাবর্তনের সনদের (সার্টিফিকেট) নকশার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কাজ সহজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় উপাচার্য উল্লেখ করেন, “আগামী ডিসেম্বরের যেকোনো সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অনুষ্ঠান আয়োজনের উপযোগী অবস্থায় পৌঁছানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কমিটিকে নিজ নিজ দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতে হবে। এটি কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা থাকবে। ফলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সমন্বয়হীনতার সুযোগ দেওয়া যাবে না।”
প্রস্তুতি কার্যক্রমে গতি আনতে উপাচার্য জানান, যদি কোনো সদস্য কমিটিতে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারেন, তবে তা আগেই আহ্বায়ককে জানাতে হবে, যাতে প্রয়োজনে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যায়। এছাড়া, কাজে গতি আনতে কোনো কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্য যুক্ত করার প্রয়োজন হলে লিখিত সুপারিশ দেওয়ার কথা বলা হয়। বয়স ও কাজের চাপ বিবেচনা করে কিছু দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।
সমাবর্তনের বিভিন্ন উপ-কমিটির পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে উপাচার্য আবাসিক, পরিবহন, উপহারসহ অন্যান্য কমিটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রকৌশল দপ্তর ও স্টেট শাখার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে অতিথিদের আসন বিন্যাস, ভিআইপি ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা পাস যথাসময়ে নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আজারবাইজান ও ইরাক সফরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন, যা মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের জানান, "আমি আজ রাতে আজারবাইজানের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছি। ১৫ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে থাকব।" সফরের বিস্তারিত তুলে ধরার সময় তিনি বলেন, "আজ রাতে আমি আজারবাইজানের উদ্দেশে রওনা হব। ১৫-১৬ অক্টোবর সেখানে থাকব।"
আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপবিষয়ক সম্মেলনের (সিআইসিএ) আওতায় উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, সভায় বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
সফরের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের এখন মধ্য এশিয়ার সঙ্গে আরও নিবিড় যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা গড়ে তোলা প্রয়োজন।" তিনি এই অঞ্চলটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কার্যক্রম সম্প্রসারণের নতুন ক্ষেত্র ও মাত্রা হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, "পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে মধ্য এশিয়া একটি নতুন ক্ষেত্র ও মাত্রা। আমরা সেখানে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছি।" বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক বহুমুখী করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত যোগাযোগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজারবাইজান সফর শেষে ১৭ অক্টোবর ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে বাগদাদ যাবেন বলেও জানান হুমায়ুন কবির।
তিনি আরো বলেন, "আমি সেখানে অংশ নেব এবং আমাদের সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেব।" ওআইসির ওই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি বক্তব্যও দেবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
হুমায়ুন কবির বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উল্লেখযোগ্য ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের এ সময়ে বাগদাদের বৈঠককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।" দীর্ঘ কয়েক দশকের সংঘাত ও অস্থিতিশীলতার পর ইরাকে পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, "দেশটিতে উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।"
তিনি বলেন, "এ সময়ে বাগদাদ একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। গত ২০ বছরে নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর সেখানে সুযোগ ও যোগাযোগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।" দীর্ঘদিনের অস্থিতিশীলতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো ধীরে ধীরে নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করায় ইরাকসহ বৃহত্তর অঞ্চলের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাংলাদেশ খতিয়ে দেখবে বলেও জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে বাংলাদেশের গভীর আগ্রহের কথা তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, "এ অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী রয়েছেন।" তিনি বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। সেখানে আমাদের প্রায় ৮০ লাখ কর্মী রয়েছেন, যা একটি বিশাল কর্মীবাহিনী।"
বিশেষ করে অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত ও নিরাপত্তাঝুঁকির প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও সার্বিক মঙ্গল সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর অন্যতম বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওপরই নয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানিস্বার্থের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।" তিনি জানান, আঞ্চলিক সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে বর্তমানে বিভিন্ন কূটনৈতিক ও অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে তৎপরতা চলছে।
তিনি বলেন, "শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে অনেক অংশীজন আনুষ্ঠানিক ও কূটনৈতিকভাবে কাজ করছেন। পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক ও পর্দার আড়ালের আলোচনাও চলছে।" জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভূমিকার কথা উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবদান রাখার যেকোনো প্রস্তাব বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।"
তিনি বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের কাছে যেকোনো প্রস্তাব এলে আমরা তা সব সময় ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ