শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫১ পি.এম
রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনায় শিরিনা আক্তার (২৩) নামে এক গৃহবধূর ঝু/লন্ত মরা/দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত শিরিনা আক্তার ফেনী সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
এ ঘটনায় তার স্বামী ওহিদুর রহমান অন্তরকে (৩১) আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে দক্ষিণখানের আশকোনা এলাকার ৫৫০ নম্বর বাড়ির একটি কক্ষের দরজা ভেঙে শিরিনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরা/দেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম/র্গে পাঠানো হয়েছে।
দক্ষিণখান থানা পুলিশ জানায়, শিরিনাকে কক্ষের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝু/লতে দেখা যায়। ওই সময় তার স্বামী অন্তরও বাসায় ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরা/দেহ উদ্ধার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অন্তরকে আটক করে।
পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিল হোসেন বলেন, ‘রুমের দরজা ভেঙে ঝু/লন্ত অবস্থায় শিরিনার মরা/দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরা/দেহ ম/র্গে পাঠানো হয়েছে।’
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিরিনার গলায় ইউ আকৃতির দাগ পাওয়া গেছে। তবে দৃশ্যমানভাবে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃ/ত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আরও স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আগের রাতেই ঝগড়া, পরদিন মরা/দেহ
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার আগের রাতেও শিরিনা ও তার স্বামীর মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। এরপর রাতেও তিনি স্বামীর সঙ্গেই ছিলেন। পরদিন দুপুরে বাসার কক্ষ থেকে তার ঝু/লন্ত মরা/দেহ উদ্ধার করা হয়।
শিরিনার ভাই আরাফাত আহমেদ অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার বোনের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরোধ চলছিল। তার দাবি, বিয়ের সময় শিরিনাকে দেওয়া স্বর্ণালঙ্কারও অন্তরের মামা-মামি রেখে দিয়েছিলেন।
আরাফাতের আরও অ/ভিযোগ, কয়েক দিন আগে শিরিনার গ্রামের বাড়িতে অন্তরের পরিবারের লোকজন হা/মলা চালায়। এ ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তাদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার বোন বাড়িতেও শান্তিতে থাকতে পারেনি। তাকে বিরক্ত করা হতো। ঢাকায় আসার পরও তাকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া হয়নি।
শিরিনার ভাই আরও অভিযোগ করেন, আগের হা/মলার সময় তাদের হু/মকি দেওয়া হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কে ছিলেন শিরিনা?
শিরিনা আক্তার চট্টগ্রামের মীরসরাই থানার জোড়ারগঞ্জ গ্রামের রাজা মিয়ার মেয়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি সংসার করছিলেন।
ফেনী সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের এই শিক্ষার্থীর আকস্মিক মৃ/ত্যুতে স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আশকোনার ভাড়া বাসায় স্বামী ওহিদুর রহমান অন্তরের সঙ্গে থাকতেন শিরিনা। অন্তর মীরসরাই থানার মাদবরহাটের জমাদার গ্রামের নুর নবীর ছেলে।
মৃ/ত্যু, নাকি অন্য কোনো রহ/স্য?
একদিকে কক্ষে ঝু/লন্ত মরা/দেহ, অন্যদিকে ঘটনার আগের রাতের দাম্পত্য কলহ এবং স্বজনদের নানা অভিযোগ—সব মিলিয়ে শিরিনার মৃ/ত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন।
পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে মরা/দেহে গলায় দাগ ছাড়া দৃশ্যমান অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃ/ত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি স্বজনদের অভিযোগও তদন্ত করে দেখা হবে।
এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণখান থানা পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জে প্রায় ৬০ কিলোমিটার ধাওয়া করে ভারতীয় পণ্যবাহী একটি পিকআপসহ চালককে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন—এসআরবি, সিপিসি-৩।
এসআরবি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বম্ভরপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় পণ্যবাহী একটি পিকআপ সুনামগঞ্জ হয়ে সিলেটের দিকে যাচ্ছে—এমন খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়।
পরে ওয়েজখালী ও মদনপুর এলাকায় পিকআপটি আটকাতে ব্লকেড দেওয়া হলেও দ্রুতগতিতে ব্লকেড অতিক্রম করে পালিয়ে যায় চালক।
তাৎক্ষণিক এসআরবি সদস্যরা প্রায় ৬০ কিলোমিটার পিছু ধাওয়া করে ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় পিকআপটির গতিরোধের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সড়কের পাশে পড়ে যায়। এ সময় চালক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।
আটক চালক জহিনূর মিয়া। তার কাছ থেকে ভারতীয় লেহেঙ্গা, শাড়ি, থ্রিপিচ ও কসমেটিক্সসহ বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করা হয়।
এসআরবি’র তথ্যমতে, জব্দ পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৭ লাখ টাকা এবং পিকআপটির মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা। সর্বমোট ১৫ লাখ টাকার মালামাল জব্দ এবং ১জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।
এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সশস্ত্র সংঘাত, ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জলবায়ুজনিত চাপের কারণে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এই পরিস্থিতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
চীনের বেইজিংয়ে ১৫ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ১৩তম বেইজিং শিয়াংশান ফোরামের চতুর্থ প্লেনারি অধিবেশনে ‘দ্য রোল অ্যান্ড ভিশন অভ ডেভেলপিং কান্ট্রিজ’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জোরদারকরণ, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে রেখেছেন। দেশের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোতে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি একই সঙ্গে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই নীতিতে বিশ্বাসী। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা, উন্নয়ন ও আস্থা তৈরির একটি কাঠামো সৃষ্টি করেছে। তবে কিছু অনিষ্পন্ন বিরোধ, সশস্ত্র ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্থিতিশীলতা টেকসই শান্তি ও উন্নয়নের পথে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
এ প্রেক্ষাপটে তিনি সংলাপ, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন, স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলতি বছরের জুন মাসের চীন সফর দুই দেশের ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক কো-অপারেটিভ পার্টনারশিপ’-এ নতুন গতি সঞ্চার করেছে। তিনি অবকাঠামো, যোগাযোগ, শিল্পায়ন, জ্বালানি, বাণিজ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সবুজ উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
একই সঙ্গে তিনি বাজার সম্প্রসারণ, দায়িত্বশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প ও সরবরাহ শৃঙ্খলে সহযোগিতা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলো কেবল বৈশ্বিক নিরাপত্তা সিদ্ধান্তের অনুসারী নয়; বরং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো গঠনে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তি, জাতীয় সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ–দক্ষিণ সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, বহুমুখী অর্থনীতি, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, সাইবার সহনশীলতা, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলাকে তিনি কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য তিনটি অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো—সংঘাত সৃষ্টির আগেই প্রতিরোধমূলক কূটনীতি, আগাম সতর্কীকরণ ও আঞ্চলিক সংকট ব্যবস্থাপনা জোরদার করা; সাইবার সহযোগিতা, উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার, আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমন, জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষার মাধ্যমে সম্মিলিত সহনশীলতা বৃদ্ধি করা; এবং সংঘাতপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান, জীবিকা, শিক্ষা, অবকাঠামো ও স্থানীয় আস্থা জোরদার করা।
বক্তব্যের পর একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেন। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসব প্রশ্নের উত্তর যৌক্তিক ও তথ্যবহুলভাবে প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ আন্তর্জাতিক ফোরামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং বিশিষ্ট নিরাপত্তা প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে ৫৬৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২৬, লালবাগ বিভাগ থেকে ৪০, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৭৯, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৭৭, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ১১৪, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৫৩, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৬, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৫ এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অভিযানের সময় ২ হাজার ১৯৪ পিস ইয়াবা, তিন কেজি ৭১৫ গ্রাম গাঁজা, ৬২ গ্রাম হেরোইন, ছয়টি মোবাইল ফোন, সাত জোড়া চোরাই জুতা, ২০০.১৫ গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং ১ হাজার পিস রং বা রঙ্গিন কাগজ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন—এটি স্পষ্ট।
এই তথ্যটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে জানা গেছে।
বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা একটি অচলাবস্থায় রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভবন ব্লু হাউসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লি বলেন, ‘এটি স্পষ্ট যে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংলাপ চান। আমিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সংলাপে বসার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ