০৮:৫১ পি.এম
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : জাম্বিয়ার প্রধান বিরোধী দল সোমবার জানিয়েছে, গত সপ্তাহের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাদের বেশ কয়েকজন সদস্য গ্রেফতার রয়েছেন। মিলিশিয়া বা বিদ্রোহী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার সরকারের করা দাবি তারা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
রোববার গভীর রাতে মন্ত্রিসভার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ১৩ আগস্ট ভোটের দিন একটি সন্দেহভাজন মিলিশিয়া গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযানের মাধ্যমে পুলিশ বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা সহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে। ওই গোষ্ঠীকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ‘গুরুতর হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
লুসাকা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ সম্পর্কে খবর প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
তামাসমৃদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জাম্বিয়াতে বৃহস্পতিবারের নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে নির্বাচনের পূর্বে বিরোধী দলগুলো ভয়ভীতি প্রদর্শন, গ্রেফতার, অপহরণ ও সহিংসতার অভিযোগ উত্থাপন করেছে।
সাবেক সরকারি মন্ত্রী ব্রায়ান মুন্দুবিলে নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী দল এনআরপিইউপি জানায়, অভিযানের সময় মুন্দুবিলের বাড়িতে গুলি ছোড়া হয় এবং তাদের একজন সংসদ সদস্যকে আঘাত করা হয়।
দলটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জাম্বিয়া সরকারের সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগকে এনআরপিইউপি, এর নেতৃত্ব অথবা সদস্যরা চরমভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।’ তারা আরো জানায় যে, বিদ্রোহ, মিলিশিয়া তৎপরতা বা এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে তারা জড়িত ছিল না।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানটি ১৪ আগস্ট নির্বাচনের পরদিন পরিচালিত হয়েছিল।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
তবে মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, ‘সন্দেহভাজন মিলিশিয়া সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেফতারের’ জন্য ১৩ আগস্ট অভিযানটি চালানো হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বরাতে বলা হয়, গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনের সঙ্গে বিদেশি নাগরিকদের সংশ্লিষ্ট সামরিক পরিকল্পনা এবং অবৈধ সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরের যোগসূত্র ছিল। এতে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ‘গুরুতর হুমকি’ সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো জানানো হয়েছে, ‘সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে সশস্ত্র বিদ্রোহে ব্যবহারের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সামরিক অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।’
গ্রেফতার ও কারাগারে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে বিরোধী দলের ছয় নেতার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন
রোববার গভীর রাতে প্রকাশিত সর্বশেষ ফলাফলে দেখা যায়, ২২৬টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে ১৩৫টির ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে এবং হিচিলেমা প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
প্রথম দফাতেই জয়ী হতে একজন প্রার্থীকে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হবে। তা না হলে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন