ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিয়ানমারে পাচারের আগেই ১৩০ বস্তা সার জব্দ


মিয়ানমারে পাচারের আগেই ১৩০ বস্তা সার জব্দ

মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ সরকারি সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং উপজেলা কৃষি বিভাগ।

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে এই ঘটনার তত্ত্বাবধান করা হয়। সোমবার (১৩ জুলাই) গোপন তথ্যে ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বটতলী কবরস্থান মোড় এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন, স্থানীয় ‘লম্বা কালো’ দোকানের পাশের একটি বাড়ি থেকে ১৩০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে যে, নাফনদ তীরের ওই বাড়িটিতে তিন ব্যক্তি মিয়ানমারে পাচারের জন্য সার মজুদ করেছিলেন। ৩ জন মজুদদার হলেন যথাক্রমে কামাল উদ্দিনের ছেলে মুফিজ উদ্দিন (৪৫), যার নিকট থেকে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার হয়, দুদু মিয়ার ছেলে সাগর, যার কাছ থেকে ২১ বস্তা সার উদ্ধার হয়েছে, এবং নাজির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ ইউনুস, যার কাছ থেকে ৩৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জুয়ার আসর থেকে তিন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক তথ্য ও তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত সারগুলো সীমান্ত পার করে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদে রাখা হয়েছিল। এই পাচার ও অবৈধ মজুদ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনের নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন স্থানীয় গয়াল মারা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সোনা মিয়া এবং তার ভাই ইউনুস, আনজুমান পাড়ার আবদুল জব্বারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, পশ্চিম পালংখালী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বাদশা মিয়া এবং পূর্ব ফারির বিল গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে সাগর।

অভিযানে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের মাহমুদ এবং বিজিবির সুবেদার তরিকুল ইসলামসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার জানান, ‘কৃষি উপকরণ সম্পূর্ণভাবে কৃষকদের কল্যাণের জন্য বরাদ্দ।

এগুলো কোনোভাবেই অবৈধভাবে মজুত করা বা সীমান্ত দিয়ে অন্য দেশে পাচারের সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন: মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান সিরাজগঞ্জে

জব্দকৃত সারগুলো বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাবদ্ধ মাঠে ডাকসু নেতাদের মাছ ছাড়ার প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ এম


বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাবদ্ধ মাঠে ডাকসু নেতাদের মাছ ছাড়ার প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা এবং সংস্কার কাজে প্রশাসনের অবহেলার প্রতিবাদে জলাবদ্ধ মাঠে দেশীয় মাছ অবমুক্ত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা।

সোমবার (১৩ জুলাই) এই প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।

ডাকসু নেতাদের অভিযোগ হলো, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে ২ কোটি টাকার অর্থায়ন নিশ্চিত করা হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রিতা ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অসহযোগিতার কারণে এখনো সেই সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। অর্থ বরাদ্দ থাকার পরও কাজ শুরু না হওয়ায় নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

নেতৃবৃন্দ জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে পানি জমে থাকে এবং এটি নিষ্কাশন না হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে মাঠটি ব্যবহারযোগ্য হয়ে পড়ে না।

এটি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন নিয়মিতভাবে ব্যাহত করেছে।

কর্মসূচিতে ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের পর আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উদ্যোগ ছিল কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কার এবং মেয়েদের জন্য একটি আধুনিক জিমনেসিয়াম স্থাপন। উভয় প্রকল্পের জন্যই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা ও অসহযোগিতার কারণে কোনো প্রকল্পই বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।

বিসিবি থেকে মাঠ সংস্কারের জন্য দুই কোটি টাকা আনার পরও সেই অর্থ ব্যবহার করে কাজ শুরু করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অবিলম্বে সংস্কার কাজ শুরু করা প্রয়োজন।’

এসময় অবিলম্বে মাঠের সংস্কারকাজ শুরু করার, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার এবং শিক্ষার্থীবান্ধব উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে প্রশাসনিক অসহযোগিতা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রপ্রতিনিধিরা। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল এবং ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

প্রতীকী এই কর্মসূচিতে ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসীম, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, বিজ্ঞান সম্পাদক ইকবাল হায়দার, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবিব ইমরোজ, ফজলুল হক হল সংসদের জিএস ইমামুল হাসান, ড. মুহম্মদ শহিদুল্লাহ হল সংসদের জিএস তাওকির হাসান, বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ, এজিএস ইমরান হোসেনসহ বিভিন্ন হল সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে মুসলিম ফুটবলারদের উত্থান, ইউরোপে নতুন বার্তা দিচ্ছে ফুটবল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩০ এম


বিশ্বকাপে মুসলিম ফুটবলারদের উত্থান, ইউরোপে নতুন বার্তা দিচ্ছে ফুটবল

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কেবল মাঠের লড়াইয়ের জন্যই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেই। বরং এই বিশ্বকাপ ইউরোপীয় সমাজে ইসলামের অবস্থান নিয়ে চলা দীর্ঘস্থায়ী বিতর্কেও নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গত কয়েক দশকে ইউরোপের রাজনীতিতে ইসলাম একটি স্পর্শকাতর ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তবে এবারের বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতার মাঠে খেলা ফুটবলারদের পারফরম্যান্স এবং তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস সেই পুরনো ধারণাগুলোর চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাজির হয়েছে।

স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল যখন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গোল করে মাঠে সিজদা করে তার বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটান, তখন এটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর আগে বার্সেলোনায় খেলার সময় তার বিরুদ্ধে হওয়া বর্ণবাদী বা বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের জবাবে তিনি গর্বের সঙ্গে নিজের ধর্মীয় পরিচয় তুলে ধরেন।

এদিকে, ইয়ামাল একাই নন, জার্মানির আন্তোনিও রুডিগার এবং সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারির মতো ফুটবলাররাও তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস প্রকাশ করার কারণে রাজনৈতিক মহল এবং কিছু স্থানীয় সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। এই ঘটনা মূলত ইউরোপের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে নিয়ে আসে, যা ইসলামকে কেবল ‘বিদেশি’ কিছু হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করে।

তবে মাঠের বাইরের এই টানাপোড়েনের বিপরীত চিত্রও রয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলে মুসলিম খেলোয়াড়দের সংখ্যা বর্তমানে বাড়ছে, যাদের মধ্যে অনেকেই জন্মগতভাবে মুসলিম, আবার অনেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। নেদারল্যান্ডসের ক্ল্যারেন্স সিডর্ফ এবং ফ্রান্সের পল পগবার মতো তারকাদের উত্তরসূরি হিসেবে কেপ ভার্ডের মতো দেশের খেলোয়াড়রাও ইসলামে দীক্ষিত হয়ে নতুন উদাহরণ সৃষ্টি করছেন। জ্যামিরো মন্টেরো, লোগান কস্তা এবং স্টিভেন মোরেইরার মতো খেলোয়াড়রা জানিয়েছেন, সতীর্থদের সংস্পর্শে এসে ইসলামের শান্তির বাণী তাদের জীবনে কতটা পরিবর্তন এনেছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ফুটবলাররা তাদের জাতীয় দলের জন্য খেলছেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব ও জাতীয় ঐক্য ধর্মের চেয়ে বড় পরিচয় হিসেবে গড়ে উঠছে। কেপ ভার্ডের মুসলিম ও খ্রিস্টান খেলোয়াড়দের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার দৃশ্যটি প্রমাণ করে যে, বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষরা একই পতাকাতলে একত্রিত হতে সক্ষম।

বিশ্বকাপে ফুটবল মাঠগুলো এখন শুধুমাত্র গোলের আনন্দ ছড়িয়ে দিচ্ছে না, বরং এটি বোঝাচ্ছে যে, আধুনিক ইউরোপীয় সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে ইসলাম। বিদ্বেষের বেড়াজাল ভেঙে মাঠে এসব ফুটবলাররা নতুন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইউরোপের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান তারেক রহমানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান তারেক রহমানের

দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরের মতো ঐক্য ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, মত পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু ঐক্য যেন নষ্ট না হয়। যেভাবে বিগত সময়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, আগামীতেও সেইভাবে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। বিগত নির্বাচনে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দলকে জিতিয়ে এনেছেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঠিক সেভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে দলকে জিতিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সেটা নিশ্চিত করা গেলে ফ্যাসিস্ট এবং গুপ্তকেরা ঢুকতে বা সুবিধা করতে পারবে না। যেহেতু ঐক্য থাকলে তাদের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি সাংগঠনিক সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিগত ১৭ বছরের কথা উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা দলকে গত ১৭ বছরে টিকিয়ে রেখেছেন। তখন গুম খুন নির্যাতনের শিকার হয়েও ঐক্যবদ্ধভাবে দল সমালিয়েছেন, তাই এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবেন না। যদিও তখন সবাই দিতে হয়েছিল।

তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে হাইব্রিড এবং গুপ্তদের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে জরুরি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশের বাইরে এবং দেশে বিভিন্ন গোষ্ঠী এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। দলের শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। হাইব্রিড এবং গুপ্তদের সদস্যদের দলে ঢুকতে না দিতে হবে।

নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও বিএনপির দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকুক আপনারা, তাহলে তৃণমূলে ঐক্য ভালো রাখতে হবে যা শক্তিশালী লক্ষ্যমাত্রা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা উল্লেখ করে দলের প্রধান বলেন, অনেক প্রস্তুতি দরকার। প্রস্তুতি না থাকলে জয় সম্ভব নয়। সরকারের থাকা সম্ভব নয়। নির্বাচনের আগে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

তিনি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বক্তব্য শুরুতে বিগত ১৭ বছরে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন এবং বলেন, উন্নয়ন বলতে কি শুধু রাস্তা ঘাট? বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা হচ্ছে, উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং শিশুদের বিষয়ে উন্নয়নের পরিকল্পনা করেন। BNP সরকার দুর্নীতি পরিচালনার সুযোগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ব্যাংকিং খাত দুর্বল হয়েছে।

সবকিছুর শুরুতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংকটের সময়েও রোজার সময় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

শেষে তিনি বলেন, আপনারা এখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। তাই পরিবারের মতোই দেশ পরিচালনার দায়িত্বও সমান গুরুত্বের দাবি রাখে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে পালানোর পথে আটক রোহিঙ্গা মা-শিশু, পাঠানো হলো ক্যাম্পে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


ভারতে পালানোর পথে আটক রোহিঙ্গা মা-শিশু, পাঠানো হলো ক্যাম্পে

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া এক রোহিঙ্গা নারী ও তার এক বছর বয়সী কন্যাশিশুকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে দুর্গাপুর সীমান্ত থেকে মাজিদা (২৫) নামে ওই নারীকে তার সন্তানসহ আটক করে স্থানীয়রা।

সংবাদ পেয়ে বিজয়পুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-মেয়েকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে সোমবার দুপুরে তাদের দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১১৫১/৩-এস থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভাংতি বাজার এলাকায় মাজিদা নামে এক রোহিঙ্গা নারী ও তার এক বছর বয়সী মেয়ে আয়েশাকে স্থানীয় লোকজন আটক করেন। তারা ভারতের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে বিজয়পুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-মেয়েকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাদের দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ জানায়, মাজিদা কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুল আলিম। তবে তার স্বামী বেলাল মারা গেছেন বলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান মাজিদা।

পরে সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে দুইজন নারী কনস্টেবলের সঙ্গে পুলিশি নিরাপত্তায় মাজিদা ও তার মেয়েকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানোর জন্য রওনা হয়।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে যথাযথ পুলিশি নিরাপত্তায় তাদেরকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় তাদেরকে নিজ ক্যাম্পে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রওনা হয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%