প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ সরকারি সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং উপজেলা কৃষি বিভাগ।
কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে এই ঘটনার তত্ত্বাবধান করা হয়। সোমবার (১৩ জুলাই) গোপন তথ্যে ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বটতলী কবরস্থান মোড় এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালীন, স্থানীয় ‘লম্বা কালো’ দোকানের পাশের একটি বাড়ি থেকে ১৩০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে যে, নাফনদ তীরের ওই বাড়িটিতে তিন ব্যক্তি মিয়ানমারে পাচারের জন্য সার মজুদ করেছিলেন। ৩ জন মজুদদার হলেন যথাক্রমে কামাল উদ্দিনের ছেলে মুফিজ উদ্দিন (৪৫), যার নিকট থেকে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার হয়, দুদু মিয়ার ছেলে সাগর, যার কাছ থেকে ২১ বস্তা সার উদ্ধার হয়েছে, এবং নাজির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ ইউনুস, যার কাছ থেকে ৩৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক তথ্য ও তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত সারগুলো সীমান্ত পার করে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদে রাখা হয়েছিল। এই পাচার ও অবৈধ মজুদ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনের নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন স্থানীয় গয়াল মারা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সোনা মিয়া এবং তার ভাই ইউনুস, আনজুমান পাড়ার আবদুল জব্বারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, পশ্চিম পালংখালী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বাদশা মিয়া এবং পূর্ব ফারির বিল গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে সাগর।
অভিযানে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের মাহমুদ এবং বিজিবির সুবেদার তরিকুল ইসলামসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার জানান, ‘কৃষি উপকরণ সম্পূর্ণভাবে কৃষকদের কল্যাণের জন্য বরাদ্দ।
এগুলো কোনোভাবেই অবৈধভাবে মজুত করা বা সীমান্ত দিয়ে অন্য দেশে পাচারের সুযোগ নেই।’
জব্দকৃত সারগুলো বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন