ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপে মুসলিম ফুটবলারদের উত্থান, ইউরোপে নতুন বার্তা দিচ্ছে ফুটবল


বিশ্বকাপে মুসলিম ফুটবলারদের উত্থান, ইউরোপে নতুন বার্তা দিচ্ছে ফুটবল

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কেবল মাঠের লড়াইয়ের জন্যই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেই। বরং এই বিশ্বকাপ ইউরোপীয় সমাজে ইসলামের অবস্থান নিয়ে চলা দীর্ঘস্থায়ী বিতর্কেও নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গত কয়েক দশকে ইউরোপের রাজনীতিতে ইসলাম একটি স্পর্শকাতর ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তবে এবারের বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতার মাঠে খেলা ফুটবলারদের পারফরম্যান্স এবং তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস সেই পুরনো ধারণাগুলোর চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাজির হয়েছে।

স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল যখন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গোল করে মাঠে সিজদা করে তার বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটান, তখন এটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর আগে বার্সেলোনায় খেলার সময় তার বিরুদ্ধে হওয়া বর্ণবাদী বা বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের জবাবে তিনি গর্বের সঙ্গে নিজের ধর্মীয় পরিচয় তুলে ধরেন।

এদিকে, ইয়ামাল একাই নন, জার্মানির আন্তোনিও রুডিগার এবং সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারির মতো ফুটবলাররাও তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস প্রকাশ করার কারণে রাজনৈতিক মহল এবং কিছু স্থানীয় সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। এই ঘটনা মূলত ইউরোপের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে নিয়ে আসে, যা ইসলামকে কেবল ‘বিদেশি’ কিছু হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন: ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের আহ্বান

তবে মাঠের বাইরের এই টানাপোড়েনের বিপরীত চিত্রও রয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলে মুসলিম খেলোয়াড়দের সংখ্যা বর্তমানে বাড়ছে, যাদের মধ্যে অনেকেই জন্মগতভাবে মুসলিম, আবার অনেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। নেদারল্যান্ডসের ক্ল্যারেন্স সিডর্ফ এবং ফ্রান্সের পল পগবার মতো তারকাদের উত্তরসূরি হিসেবে কেপ ভার্ডের মতো দেশের খেলোয়াড়রাও ইসলামে দীক্ষিত হয়ে নতুন উদাহরণ সৃষ্টি করছেন। জ্যামিরো মন্টেরো, লোগান কস্তা এবং স্টিভেন মোরেইরার মতো খেলোয়াড়রা জানিয়েছেন, সতীর্থদের সংস্পর্শে এসে ইসলামের শান্তির বাণী তাদের জীবনে কতটা পরিবর্তন এনেছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ফুটবলাররা তাদের জাতীয় দলের জন্য খেলছেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব ও জাতীয় ঐক্য ধর্মের চেয়ে বড় পরিচয় হিসেবে গড়ে উঠছে। কেপ ভার্ডের মুসলিম ও খ্রিস্টান খেলোয়াড়দের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার দৃশ্যটি প্রমাণ করে যে, বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষরা একই পতাকাতলে একত্রিত হতে সক্ষম।

বিশ্বকাপে ফুটবল মাঠগুলো এখন শুধুমাত্র গোলের আনন্দ ছড়িয়ে দিচ্ছে না, বরং এটি বোঝাচ্ছে যে, আধুনিক ইউরোপীয় সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে ইসলাম। বিদ্বেষের বেড়াজাল ভেঙে মাঠে এসব ফুটবলাররা নতুন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইউরোপের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান তারেক রহমানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান তারেক রহমানের

দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরের মতো ঐক্য ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, মত পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু ঐক্য যেন নষ্ট না হয়। যেভাবে বিগত সময়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, আগামীতেও সেইভাবে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। বিগত নির্বাচনে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দলকে জিতিয়ে এনেছেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঠিক সেভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে দলকে জিতিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সেটা নিশ্চিত করা গেলে ফ্যাসিস্ট এবং গুপ্তকেরা ঢুকতে বা সুবিধা করতে পারবে না। যেহেতু ঐক্য থাকলে তাদের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি সাংগঠনিক সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিগত ১৭ বছরের কথা উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা দলকে গত ১৭ বছরে টিকিয়ে রেখেছেন। তখন গুম খুন নির্যাতনের শিকার হয়েও ঐক্যবদ্ধভাবে দল সমালিয়েছেন, তাই এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবেন না। যদিও তখন সবাই দিতে হয়েছিল।

তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে হাইব্রিড এবং গুপ্তদের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে জরুরি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশের বাইরে এবং দেশে বিভিন্ন গোষ্ঠী এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। দলের শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। হাইব্রিড এবং গুপ্তদের সদস্যদের দলে ঢুকতে না দিতে হবে।

নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও বিএনপির দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকুক আপনারা, তাহলে তৃণমূলে ঐক্য ভালো রাখতে হবে যা শক্তিশালী লক্ষ্যমাত্রা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা উল্লেখ করে দলের প্রধান বলেন, অনেক প্রস্তুতি দরকার। প্রস্তুতি না থাকলে জয় সম্ভব নয়। সরকারের থাকা সম্ভব নয়। নির্বাচনের আগে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

তিনি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বক্তব্য শুরুতে বিগত ১৭ বছরে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন এবং বলেন, উন্নয়ন বলতে কি শুধু রাস্তা ঘাট? বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা হচ্ছে, উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং শিশুদের বিষয়ে উন্নয়নের পরিকল্পনা করেন। BNP সরকার দুর্নীতি পরিচালনার সুযোগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ব্যাংকিং খাত দুর্বল হয়েছে।

সবকিছুর শুরুতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংকটের সময়েও রোজার সময় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

শেষে তিনি বলেন, আপনারা এখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। তাই পরিবারের মতোই দেশ পরিচালনার দায়িত্বও সমান গুরুত্বের দাবি রাখে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে পালানোর পথে আটক রোহিঙ্গা মা-শিশু, পাঠানো হলো ক্যাম্পে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


ভারতে পালানোর পথে আটক রোহিঙ্গা মা-শিশু, পাঠানো হলো ক্যাম্পে

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া এক রোহিঙ্গা নারী ও তার এক বছর বয়সী কন্যাশিশুকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে দুর্গাপুর সীমান্ত থেকে মাজিদা (২৫) নামে ওই নারীকে তার সন্তানসহ আটক করে স্থানীয়রা।

সংবাদ পেয়ে বিজয়পুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-মেয়েকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে সোমবার দুপুরে তাদের দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১১৫১/৩-এস থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভাংতি বাজার এলাকায় মাজিদা নামে এক রোহিঙ্গা নারী ও তার এক বছর বয়সী মেয়ে আয়েশাকে স্থানীয় লোকজন আটক করেন। তারা ভারতের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে বিজয়পুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-মেয়েকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাদের দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ জানায়, মাজিদা কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুল আলিম। তবে তার স্বামী বেলাল মারা গেছেন বলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান মাজিদা।

পরে সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে দুইজন নারী কনস্টেবলের সঙ্গে পুলিশি নিরাপত্তায় মাজিদা ও তার মেয়েকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানোর জন্য রওনা হয়।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে যথাযথ পুলিশি নিরাপত্তায় তাদেরকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় তাদেরকে নিজ ক্যাম্পে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রওনা হয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবহাওয়ার উন্নতি হলে পুনর্বাসনেই মূল গুরুত্ব: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ এম


আবহাওয়ার উন্নতি হলে পুনর্বাসনেই মূল গুরুত্ব: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, কক্সবাজারে পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি উপজেলার মধ্যে পাঁচটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গতদের উদ্ধারে এবং ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ প্রথম দিন থেকেই চলমান রয়েছে। তিনি বলেছেন, "আবহাওয়ার উন্নতি হলে মূল ফোকাস থাকবে পুনর্বাসনে।" তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্য খামারি এবং গবাদি পশুর মালিকদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের উদ্যোগ রয়েছে।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই কক্সবাজারসহ বন্যাকবলিত অন্যান্য জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি জানান, দায়িত্ব পাওয়ার পর বিভাগের কমিশনারের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারে এই সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, "গত ৭-৮ দিনে কক্সবাজারে ৮০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যেখানে সাধারণত পুরো জুলাই মাসে গড়ে প্রায় ৯০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।" অল্প সময়ের মধ্যে অস্বাভাবিক এই ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল এবং বঙ্গোপসাগরের বিরূপ আবহাওয়ার সম্মিলিত প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দফতর এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "তাদের তথ্য ও প্রতিবেদন সরকারের কাছে মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।"

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চলমান বন্যার পরিস্থিতি, সরকারের সহায়তার অগ্রগতি এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে। তিনি বলেন, "কোনো বন্যাদুর্গত স্থানে জরুরি সহায়তার প্রয়োজন হলে তা দ্রুত নিশ্চিত করা হবে।" একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল ও জেলার বিভিন্ন সরকারি দফতরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, জেলার ১০ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা ভার্চুয়ালি সভায় অংশ নেন। বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া রেফারির মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ এম


বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া রেফারির মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাজ্যে পুলিশের তদন্তের মুখোমুখি হয়ে ফিফা বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ডাচ ফুটবল রেফারি রব ডাইপারিনক। স্থানীয় পুলিশের দ্বারা সোমবার সকালের দিকে তার বাসভবনের সামনের সড়ক থেকে এই রেফারির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএনভিবি) এক বিবৃতির মাধ্যমে এই অকাল মৃত্যুর জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এই ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত এবং শোকার্ত। তবে রেফারির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত এপ্রিল মাসে। লন্ডনের ক্রয়েডনের একটি ঠিকানায় এক কিশোরকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু পুলিশি তদন্তের পর পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল ডিভাইসসহ সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে অভিযোগটি প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে যে মানদণ্ড প্রয়োজন তা পূরণ করতে পারেনি। তাই তার বিরুদ্ধে আর কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ফিফা তাকে এবারের বিশ্বকাপের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ডাচ সংবাদপত্র ডি টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাইপারিনক দাবি করেছিলেন যে, তাকে ভুলভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, তদন্তের শুরু থেকেই তিনি পুলিশের সাথে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং ফিফা, উয়েফা ও কেএনভিবি-র কাছে সব তথ্য স্বচ্ছভাবে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার সিদ্ধান্তে তিনি যে অত্যন্ত হতাশ ছিলেন, তাও প্রকাশ করেছিলেন।

২০১৭ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ লিগ এরেডিভিসিতে রেফারিং করে আসা ডাইপারিনক গত ইউরো ২০২৪-এ ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া ৯ এপ্রিল ক্রিস্টাল প্যালেস ও ফিওরেন্টিনার মধ্যকার ইউরোপা কনফারেন্স লিগের ম্যাচেও তিনি ভিএআর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুর জন্য কেএনভিবি শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। ফুটবল অঙ্গনে তিনি একজন অত্যন্ত মূল্যবান রেফারি ও নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মী হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%