মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৫ এম
চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর, যিনি চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন, তিনি জানিয়েছেন যে, ফটিকছড়িতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে না। তিনি এ ধরনের কার্যকলাপে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
আজ সোমবার সকালে ফটিকছড়ি উপজেলা ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা যৌথ আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও সমন্বয় সভার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম।
সরোয়ার আলমগীর আরও বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, মব ভায়োলেন্স এবং বাল্যবিবাহের মতো অপরাধে জড়িতদের প্রতি কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলো চলমান থাকবে।
রাবার পাচারের বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন। সংসদীয় এলাকার মধ্যে চলাচলকারী রাবারবাহী গাড়িগুলোর বৈধতা যাচাইয়ের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, চোরাকারবারিদের ফটিকছড়ির সড়ক ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্লাহ, ভুজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে, ফটিকছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল আলম, উপজেলা প্রকৌশলী এম. জুনায়েদ, নাজিরহাট হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মো. আজিজসহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে ইউরেনিয়াম ও বিরল খনিজসমৃদ্ধ প্রায় ১১ কোটি টন আকরিকের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে দেশটি। জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান জানিয়েছেন, মদিনার জাবাল সাইয়িদ প্রকল্প এলাকায় অনুসন্ধান ও ভূতাত্ত্বিক জরিপের মাধ্যমে এসব আকরিকের সন্ধান মিলেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।
সৌদি সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনাক্ত হওয়া আকরিকের মধ্যে ভারী ধরনের বিরল খনিজের উচ্চমাত্রার উপস্থিতি রয়েছে। একইসঙ্গে এতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইউরেনিয়াম থাকার সম্ভাবনাও পাওয়া গেছে।
তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে জ্বালানি ও খনিজসম্পদের বহুমুখীকরণে সৌদি আরবের চলমান উদ্যোগের মধ্যে এই আবিষ্কারকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে ভিশন ২০৩০ কর্মসূচির আওতায় দেশটি অভ্যন্তরীণভাবে ইউরেনিয়াম উত্তোলন এবং বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যেও সৌদির এই ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। সৌদি ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকায় দেশটি ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যেও রয়েছে। একই সময়ে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের তৎপরতায় লোহিত সাগরে সৌদি আরবের সামুদ্রিক যোগাযোগ চাপের মুখে রয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উদ্বেগও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের অন্যতম কারণ। তাদের দাবি, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচির মাধ্যমে অস্ত্র তৈরির দিকে এগোচ্ছে। তবে তেহরান বরাবরই বলে আসছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক ব্যবহারের জন্য।
এদিকে মদিনায় ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ আকরিকের সন্ধানের দাবি সামনে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা জোরদারের সময়। গত জুলাইয়ে দুই দেশ বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি উন্নয়নে একটি চুক্তি করে। এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিও হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন কোম্পানিগুলো সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচি উন্নয়নে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে সৌদি আরব নিজ ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি তদারকি থাকবে না।
মদিনায় পাওয়া আকরিকের প্রকৃত ইউরেনিয়াম মজুদ এবং বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ অবশ্য আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান ও মূল্যায়নের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব-২০২৬ আসরে সেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে শফিকুল কবির ট্রফি অর্জন করেছেন বাতেন বিপ্লব, যিনি এশিয়ান টিভির প্রতিনিধিত্ব করেন। সেরা নারী ক্রীড়াবিদ হিসেবে এম আনোয়ারুল হক ট্রফি পেয়েছেন জাহিদা পারভেজ ছন্দা, যিনি দি প্রেসেঞ্জা নিউজ এজেন্সির সদস্য।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে এবং মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি ও জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জাবের, ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল এবং সাবেক ক্রীড়ালেখক, সংগঠক ও ব্যাংকার সেলিম নজরুল হকসহ অন্যান্য ডিআরইউ নেতারা।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে জানান, দেশের সকল ক্রীড়া ফেডারেশনকে একটি সিড মানি প্রদান করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "এর লভ্যাংশ থেকে যে অর্থ পাওয়া যাবে, তা দিয়ে খেলা চালানো যাবে। ঠিক সেরকম একটি সিড মানি ডিআরইউকেও দেওয়ার কথা ভাবছি আমরা। যাতে সাংবাদিকদের খেলা আয়োজন করতে কোনো সমস্যা না হয়।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবদুল্লাহ জাবের বলেন, "খেলাধুলা দেশের যুব সমাজের চালিকাশক্তি। খেলায় মনন বিকশিত হয়, শরীর ভালো থাকে। তাই আমি ডিআরইউর এই আয়োজনকে স্বাগত জানাই।"
সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, "সাংবাদিকরা লেখালেখির পাশাপাশি খেলাতেও যে সেরা, সেটি আবার প্রমাণিত হয়েছে। আমরা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে খেলাধুলার বিষয়ে সহযোগিতা চাই।"
ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, "ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েই কাজ করে না, সদস্যদের বিনোদন, মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা প্রতিদিন অত্যন্ত ব্যস্ততা, চাপ ও নানা ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করেন। তাই কর্মব্যস্ততার বাইরে তাদের মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।"
তিনি আরও জানান, "ডিআরইউ বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে। সামনে ডিআরইউর উদ্যোগে ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। এসব আয়োজনকে আরও আকর্ষণীয় ও বৃহৎ পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে।"
মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, "ডিআরইউর ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সিড মানির প্রয়োজন রয়েছে। এ জন্য সরকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ক্রীড়াপ্রেমী ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি ডিআরইউকে সিড মানি দেওয়ার আহ্বান জানাই। এ সহযোগিতা পাওয়া গেলে ডিআরইউ বছরজুড়ে আরও বেশি খেলাধুলার আয়োজন করতে পারবে।"
এবারের আসরে ১৫টি ইভেন্টে ডিআরইউর প্রায় তিন শতাধিক সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। ইভেন্টজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার মধ্যে দুই দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে, নেটজ বাংলাদেশের সহায়তা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক এর উদ্যোগে আজ সোমবার সকালে শহরের ম্যানগ্রোভ সভা ঘরে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
উদ্বোধনী সেশনে প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর কুমারেশ চন্দ্র বাউলিয়া প্রশিক্ষণের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যসূচি তুলে ধরেন।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পরিবেশগত ক্ষতি এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে উদ্ভূত পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলোকে দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরা।
দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম, টেনিক্যাল অফিসার সুপর্ণা মিত্র, নেটস প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জান, এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভিন, ফিল্ড ফ্যসিলিটেট রাসেদুল হাসান প্রমুখ।
এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম শাহীন গোলদার, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক-ই-এলাহিসহ অন্যান্যরা।
কর্মশালার প্রথম দিনে আশাশুনি থেকে ৫ জন, শ্যামনগর থেকে ৫ জন এবং সাতক্ষীরা সদরের ১৪ জনসহ মোট ২৪ জন স্থানীয় সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় পরিবেশগত মানবাধিকারের ধারণা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জীববৈচিত্রের ওপর সৃষ্ট প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে সাংবাদিকরা স্থানীয় প্রেক্ষাপটে পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণসমূহ চিহ্নিত করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিজস্ব মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
আয়োজক সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, প্রশিক্ষণ শেষে সাংবাদিকরা তাদের অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট, স্থানীয় পরিবেশীয় সমস্যা, সিএসও ও স্টুডেন্ট ফোরামের ইতিবাচক পরিবেশীয় উদ্যোগ এবং অভিযোজন কৌশল নিয়ে গভীর ও প্রভাব বিস্তারকারী সংবাদ প্রকাশে সক্ষম হবেন, যা নীতি নির্ধারকদের নীতি নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
আগামীকাল মঙ্গলবার প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে বাস্তব ভিত্তিক বিষয় নির্বাচন, প্রতিবেদন প্রস্তুতকরণের কৌশল, ডিজিটাল নৈতিকতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত কর্মপরিকল্পনা তৈরির মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বর্তমান সময়ে সবথেকে আধুনিক ও অভিজাত অস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব অস্ত্র নিয়মিতভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্টে জানান, সম্প্রতি তিনি একটি প্রতিবেদন পেয়েছেন যা নির্দেশ করে যে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র উৎপাদন অভূতপূর্ব গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কারখানাগুলো বর্তমানে ২৪ ঘণ্টা এবং সপ্তাহের ৭ দিন (২৪/৭) পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করছে। প্রতিটি কারখানা গড়ে ৪ থেকে ৫টি বিশাল আকারের নতুন উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করছে।
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প আরও জানান, এই বিপুল উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্যাট্রিয়ট মিসাইল, থাড (THAAD) সিস্টেম, টমাহক এবং অন্যান্য মানসম্মত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, এসব আধুনিক অস্ত্রের বিশাল মজুত ইতিমধ্যেই মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে রয়েছে এবং উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ