ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্পের সহযোগিতা চাইছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট


ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্পের সহযোগিতা চাইছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো হোয়াইট হাউস সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করার একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করবেন। রিপোর্ট জানাচ্ছে, এই তথ্যটি রয়টার্সের।

প্রায় দুই দশকের মধ্যে এই প্রথম কোনো লেবানিজ রাষ্ট্রপ্রধান হোয়াইট হাউস সফর করছেন। গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে আউন দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত লেবানিজ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ট্রাম্পের সঙ্গে এটিই হবে তার প্রথম সরাসরি বৈঠক।

এখন এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন সময়ে, যখন দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও ইসরায়েলি সেনা অবস্থান করছে। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং হিজবুল্লাহ সরকার পরিচালিত নিরস্ত্রীকরণ উদ্যোগ ও ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিরোধিতা করছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

গত সপ্তাহে দেওয়া এক বক্তব্যে আউন জানান, তিনি ট্রাম্পকে ইসরায়েলের ওপর প্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানাবেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ২৬ জুন হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়ন করা যায়। ওই সমঝোতার লক্ষ্য হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করা।

লেবাননের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আউন ট্রাম্পের হাতে একটি লিখিত প্রস্তাব তুলে দেবেন, যেখানে হিজবুল্লাহর বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার কীভাবে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনা যায় তার রূপরেখা থাকবে। লেবাননের বিশ্বাস, ইসরায়েলকে সেনা প্রত্যাহারে চাপ দেওয়ার মতো প্রভাব বর্তমানে ট্রাম্পেরই সবচেয়ে বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্মাণ সামগ্রীর দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, আবাসন খাত চরম সংকটে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


নির্মাণ সামগ্রীর দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, আবাসন খাত চরম সংকটে!

দেশের আবাসন ও নির্মাণ খাতে গতি কমে গেছে। গত এক বছরে রড, বালু, সিমেন্টসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটেছে। একই সময়ে, পরিবহন ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ সূচিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দ্বারা প্রকাশিত বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস প্রাইস ইনডেক্সের (বিএমপিআই) তথ্য এমন চিত্রই উপস্থাপন করছে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি হচ্ছে যে, বাস্তবে ব্যয় সরকারি হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং শুল্কের চাপ আবাসন খাতকে ক্রমেই ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে আবাসনবান্ধব নীতিসহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নীতির কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নও কমে গেছে। অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের সময় মে পর্যন্ত বরাদ্দের অর্ধেকও কার্যকর হওয়া সম্ভব হয়নি। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আবাসন ও নির্মাণ খাতে।

এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা গেছে বিবিএসের বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস প্রাইস ইনডেক্সে (বিএমপিআই)। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যেখানে সূচকের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ, সেখানে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ২ দশমিক ০২ শতাংশে। অর্থাৎ রড, বালু, সিমেন্টসহ নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, শুধুমাত্র কর বৃদ্ধির কারণে ২৫ লাখ টাকার একটি লিফটের দাম এখন ৩৫ লাখ টাকায় পৌঁছে গেছে। বালু, সিমেন্ট, তারকাঁটা, বাঁশের চাটাই, টাইলস, রড—প্রায় সব নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়েছে। যার ফলে পুরো খাত চরম সংকটে রয়েছে।

এদিকে, নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহার কমলেও পরিবহন এবং শ্রমিকের মজুরিতে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএমপিআইর তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল জানান, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পরিবহন খরচ বেড়েছে। জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধির ফলে শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। আগে যে ফ্ল্যাট প্রতি বর্গফুট ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হত, এখন তার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১৩ হাজার টাকায় পৌঁছেছে।

তবে ব্যবসায়ীদের হিসাব বলছে, গত পাঁচ বছরে আবাসন ও নির্মাণ খাতে প্রবৃদ্ধি ৬০ শতাংশের বেশি কমে গেছে। একই সময়ে নির্মাণ সামগ্রীর কাঁচামালের দাম বেড়েছে প্রায় ৩১ শতাংশ। এর ফলে আবাসন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৬৯টি লিংকেজ শিল্পও ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যবসাবান্ধব কর কাঠামো এবং আবাসনবান্ধব নীতিসহায়তা প্রয়োজন।

রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কেবল আবাসন খাত নয়, বরং এর সঙ্গে যুক্ত ২৬৯টি লিংকেজ শিল্পও ধ্বংসের মুখে। যদি আবাসন খাত পুনরায় উঠতে পারে তবে এসব শিল্পও আবার সক্রিয় হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।

রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল জানিয়েছেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে নির্মাণ সামগ্রীর দাম প্রায় ৩১ শতাংশ বেড়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে আরও ১১ শতাংশ ব্যয় যোগ হয়েছে। অর্থাৎ মোট বিষয়টি প্রত্যাশা করা যা প্রাপ্ত হয়েছে তা ৪২ থেকে ৪৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় এই খাতে ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণ ও আবাসন সহ সংশ্লিষ্ট খাতে মিলিয়ে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে যুদ্ধে ৪৪৬ মার্কিন সেনার হতাহতের ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ পি.এম


ইরানে যুদ্ধে ৪৪৬ মার্কিন সেনার হতাহতের ঘটনা

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করে। ইরানও পাল্টা জবাব দিতে থাকে এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। কিন্তু যুদ্ধবিরতি ভেঙে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর এককভাবে হামলা চালাতে থাকে। এই যুদ্ধে শুরু থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪৪৬ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ জন নিহত হয়েছে। সর্বশেষ ঘটনাটি জর্ডানে ঘটে, যেখানে দু’জন সেনার প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া আহত হয়েছে ৪৩০ জনের বেশি সেনা। রিপোর্টের সময় পর্যন্ত একজন সেনা নিখোঁজ রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর, ১ মার্চ প্রথম প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ওই দিন ইরানের একটি ড্রোন কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে হামলা চালিয়ে ছয়জন মার্কিন সেনাকে হত্যা করে। একই দিনে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের আরেকটি হামলায় গুরুতর আহত হয় একজন মার্কিন সেনা। আহত সেনাটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে মারা যান, ফলে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।

এরপর, ১২ মার্চ ইরাকের একটি সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত কেসি-১৩৫ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হলে ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, দুর্ঘটনার আগে আরেকটি বিমানের সঙ্গে একটি অনির্দিষ্ট ঘটনা ঘটেছিল, তবে তদন্তে শত্রুপক্ষের হামলা অথবা নিজেদের বাহিনীর ভুলবশত গুলিবর্ষণের (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সবশেষ ১ জুলাই, আরব সাগরে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হলে মার্কিন নৌবাহিনীর একজন পাইলট নিহত হয়। নৌবাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি শত্রুপক্ষের কোনো হামলার কারণে ঘটেছে-এমন কোনও তথ্য বা প্রমাণ তাদের কাছে নেই। সাম্প্রতিক সময়ে জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলায় আরও দু’জন সেনা নিহত হওয়ায় ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধ চলাকালে আহতের সংখ্যা ৪৩০ জন ছাড়িয়েছে। আহতদের অনেকেই ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন হামলা এবং বিভিন্ন সামরিক অভিযানে আহত হয়েছেন। এছাড়া একজন মার্কিন সেনা এখনও নিখোঁজ রয়েছে, যার সন্ধানে অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হতাহতের এই ক্রমবর্ধমান সংখ্যা ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে। একই সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিন প্রশাসনের ওপর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে, যাত্রী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০২ পি.এম


ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে, যাত্রী নিহত

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস খালে পড়ে দেলোয়ার হোসেন (৫০) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন।

রোববার (১৯ জুলাই) সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উপজেলার বরংগাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার জোড়া ব্রিজে ওই বাসের অতিরিক্ত গতি থাকায় চাকা বাস্ট হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ।

পুলিশ জানায়, সকালে ঢাকামুখী সেলফী বাসটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথ চলতি সময়ে অতিরিক্ত গতির কারণে চাকা বাস্ট হয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বরংগাইল বাসস্ট্যান্ড দুই ব্রিজের মাঝখানে খালে পড়ে যায়। ফলে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ছাদের অংশ খুলে পড়ে। এরমধ্যে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হন এবং আহত হন কমপক্ষে ২০ জন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঘিওর, মুন্নু মেডিকেল ও মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায়। নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর থানায় নেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই আন্দোলনে হামলার অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


জুলাই আন্দোলনে হামলার অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ডিএম সুপ্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে, পুলিশ উপজেলা নলুয়া গ্রামের তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

ডিএম সুপ্ত হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডিএম শরীফুল ইসলাম শফীর ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক শরীফুল ইসলাম আশিক জানিয়েছেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা মামলার আসামি ডিএম সুপ্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%