০৬:১২ পি.এম
মেয়ে শিক্ষার্থীদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার জন্য এবং এ সময় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি কমানোর লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুনভাবে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন গ্রুপ (এসিজি)-এর উদ্যোগে জেলা শহরের গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুল, গৌতমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং উলচাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাথমিকভাবে এসব ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বেড়িবাঁধ ধসে মানুষের চরম দুর্ভোগ
অনুষ্ঠানটি টিআইবির এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মো. আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়া বলেন, নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে তাদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার বিষয়ে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য হলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারবেন এবং তাদের ঝরে পড়ার হার কমে যাবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু মিয়া, সনাকের সদস্য, উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।
বক্তারা মত প্রকাশ করেন যে, বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনের সময় সহজেই স্যানিটারি ন্যাপকিন সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে। এর ফলে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা সহজ হবে এবং স্বাস্থ্য সচেতনতাও বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুন: ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করেছেন।
গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া জাহান বলেন, আগে হঠাৎ প্রয়োজন হলে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো। এখন বিদ্যালয়েই ন্যাপকিন পাওয়া যাবে, তাই অনেক স্বস্তি লাগছে।
গৌতমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসরাত তন্নি বলেন, অনেক সময় এই কারণে ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতো। ভেন্ডিং মেশিন আমাদের জন্য খুবই উপকারী হবে।
উলচাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুমা আক্তার বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সব বিদ্যালয়ে নেওয়া উচিত। এতে মেয়ে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারবে এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে আরও উৎসাহিত হবে।
আরও পড়ুন: পাঁচবিবির গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ, সরকারি সহযোগিতার দাবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন