মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৪ পি.এম
হুথিদের অব্যাহত হামলার কারণে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আকাশ ফাঁকা হয়ে পড়েছে, ফলে কর্তৃপক্ষ শনিবার পর্যন্ত রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়িয়েছে। এয়ারলাইনসগুলোও তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে। এই তথ্যটি ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে।
সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিমানবন্দরের স্থাপনার নিরাপত্তা এবং পরিচালনাগত প্রস্তুতি নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সৌদি আরবের জেদ্দার পর দ্বিতীয় ব্যস্ততম কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
সোমবার গভীর রাতে হুথিরা জানিয়েছে, তারা বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর কিছুক্ষণ পূর্বে সৌদি আরব জানিয়েছিল, গোষ্ঠীটির ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। হুথিরা তাদের এক বিবৃতিতে আরও জানায়, তারা দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
সোমবার জারি করা নোটিস টু এয়ারমেন অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর গ্রিনিচ মান সময় রাত ৯টা পর্যন্ত কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে। শনিবারের হামলার পর থেকে বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক আহত হয়েছেন, যা এক দশকের বেশি সময়ে দেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রোববার আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং প্রায় এক ডজন আহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর-১০ থেকে ১৪ নম্বরের সড়ক। এই এলাকা একসময় ছিল হাঁকডাক এবং যানজটে ভরা। সন্ধ্যার পর ফুটপাতেও হাঁটার উপায় ছিল না। তবে এখন সেই চিরচেনা ব্যস্ততা এবং হাঁকডাক আর নেই। ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের যে আধিক্য ছিল, সেটিও এখন নেই। হকার উচ্ছেদের ফলে বদলে গেছে এই এলাকা। এটি যেন অন্য এক মিরপুর।
অবৈধ দখল উচ্ছেদ, যানজট নিরসন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একের পর এক সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাধারণ নগরবাসীর প্রশংসা অর্জন করছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন)। বিশেষ করে রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা মিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে দখলে থাকা ফুটপাত মুক্ত করার জন্য তার কঠোর ও ত্বরিত ভূমিকা সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ফুটপাত উচ্ছেদ ও পথচারীবান্ধব মিরপুর দীর্ঘদিন ধরে মিরপুরের ১০ নম্বর গোলচত্বর, ১২ নম্বর, পল্লবী এবং আশপাশের এলাকার ফুটপাত অবৈধ হকার ও দোকানের দখলে ছিল। ফলে পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়ক দিয়ে হাঁটতে হতো এবং তৈরি হতো তীব্র যানজট।
প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ডিএনসিসি বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে মিরপুরের প্রধান প্রধান ফুটপাত হকারমুক্ত করেছেন।
ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ার ফলে পথচারীরা এখন স্বাচ্ছন্দ্যে এবং নিরাপদে যাতায়াত করতে পারছেন। প্রধান সড়কগুলোর পাশে অবৈধ জটলা না থাকায় মিরপুর এলাকার যানজট অনেকাংশেই কমে এসেছে। যত্রতত্র দোকান বসানো বন্ধ করে নির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সার্বিক উন্নয়ন ও অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ড
শুধু ফুটপাত মুক্ত করাই নয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ঢাকা উত্তরের নাগরিক সেবা উন্নত করতে বিভিন্নমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।
মশা নিধন ও স্বাস্থ্য
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড প্রয়োগ, বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং সরাসরি তদারকি করছেন প্রশাসক। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচির আওতায় দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণ এবং সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন কার্যকর করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে বর্ষার আগেই মিরপুর ও সংলগ্ন এলাকার প্রধান ড্রেন এবং খালগুলো পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহজ করা হয়েছে।
সড়ক ও আলো মিরপুরের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত এবং প্রতিটি অলিতে-গলিতে এলইডি স্ট্রিট লাইটের কাভারেজ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
মিরপুরের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখলের কারণে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার কোনো উপায় ছিল না। ডিএনসিসি প্রশাসকের এই দৃঢ় পদক্ষেপের ফলে এলাকাটিতে নতুন রূপ ফিরে এসেছে।
স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী ও বাসিন্দা জানান, প্রশাসক মিল্টনের উদ্যোগের কারণে এখন পথচারীরা নিরাপদে হাঁটতে পারছেন। এ ধরনের জনকল্যাণমুখী কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়।
সিটি করপোরেশন থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চান। উচ্ছেদকৃত ফুটপাত যেন পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে কঠোর মনিটরিং বজায় রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় জেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী।
স্বাগত বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক উল্লেখ করেন, জেলা পরিষদ জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য নিবেদিত। তিনি বলেন, "আমি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছি।"
তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, কালভার্ড ও গার্ডওয়ালসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ। জেলায় ১৪ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ১ম পর্যায়ের কাজের জন্য চেক হস্তান্তর করা হচ্ছে। পিআইসি ও টেন্ডারের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে এসব উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হবে।
পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে।" তিনি বলেন, সরকারের দেয়া বরাদ্দ যাতে কোনভাবে অপচয় না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। জেলা পরিষদ কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এসব কাজ পরিদর্শন করবেন বলেও তিনি জানান।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কুমার পালের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইমাম, মুহতামিম, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটসহ উন্নয়নমূলক কাজে ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আসা গৃহকর্মী রেহেনা খাতুনকে ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ইউএনওর কার্যালয়ে রেহেনা খাতুনের হাতে এ অর্থ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর-চুনারুঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রাফিউর রহমান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৈত্রী রায়।
সহায়তা গ্রহণের সময় রেহেনা খাতুন তার নির্যাতনের অভিজ্ঞতা, আর্থিক সংকট ও ঋণগ্রস্ততার বিষয়টি কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সি ও দালালের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা নেওয়ার জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
রেহেনা খাতুন বলেন, "ইউএনও স্যারের এই সহযোগিতা আমি চিরদিন মনে রাখব। আমি অনেক ঋণগ্রস্ত। এই টাকা আমার অনেক কাজে আসবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
ইউএনও মেহেদী হাসান জানান, রেহেনা খাতুন আমাদের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছিলেন এবং আমরা তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছি।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং সাংবাদিক নেতা এমএম গউস বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নির্যাতিত নারীদের উদ্ধার ও পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো কাজ করে থাকে। রেহেনা খাতুনকে ইউএনওর এই আর্থিক সহযোগিতাকে তিনি সাধুবাদ জানান।
তিনি আরও বলেন, "সাংবাদিকেরা সত্য তুলে ধরবেন, আর সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে এটাই বাস্তবতা।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হতে যাচ্ছে। দুর্গোৎসবের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মৃৎশিল্পীরা দেবী দুর্গার রূপকে সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত রয়েছেন।
বরগুনা জেলায় এবারের দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে ১৪৭ টি মণ্ডপে, যা গত বছরের তুলনায় ৯ টি বেশি। মৃৎশিল্পীরা শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় দিন কাটাচ্ছেন। রঙের প্রলেপ শেষে এখন প্রতিমাকে সর্বোচ্চ সুন্দর করে সাজানোর কাজ চলছে।
কাশফুলের উপস্থিতি জানাচ্ছে শরৎ এসেছে। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, এবারে দেবী দুর্গা হাতিতে চড়ে মর্ত্যে আগমন করবেন। বছর ঘুরে এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নতুন পোষাক কেনা, মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন এবং মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করার জন্য বিভিন্ন বয়সের মানুষ উৎসব উদযাপনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।
জেলার পূজা মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ, নৌ-বাহিনী, এসআরবি, আনসার এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন, পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক টিমও উপস্থিত থাকবে।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ১৪৭ টি পূজা মণ্ডপে পূজা উদযাপন হবে। বরগুনা সদর উপজেলায় ২৬ টি, আমতলী উপজেলায় ১৬ টি, তালতলী উপজেলায় ১১ টি, বেতাগী উপজেলায় ৩৪ টি, বামনা উপজেলায় ১৫ টি এবং পাথরঘাটা উপজেলায় ৪৫ টি মণ্ডপ থাকবে।
বরগুনা সার্বজনীন আখড়াবাড়ী মন্দিরের সভাপতি দিলীপ কর্মকার বাসসকে জানিয়েছেন, ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হবে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে। তিনি জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বরগুনা জেলা শাখার সদস্য সচিব জয়দেব রায় বাসসকে জানিয়েছেন, এ বছর গত বছরের তুলনায় মন্দিরগুলোতে সরকারের বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা প্রশাসন মণ্ডপগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সুষ্ঠ পরিবেশে ও সুশৃঙ্খলভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুকিত হাসান খাঁন বাসসকে বলেন, ১৪৭ টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নজরদারি ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার বাসসকে জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও আইপি ক্যামেরা থাকবে এবং মনিটরিং করা হবে। স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আলাদা পোষাক ও পরিচিতি কার্ড থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৬ অক্টোবর বোধন পূজার মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ