সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৩ পি.এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে শিগগিরই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হবে। এর ফলে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা, নিয়ন্ত্রণ, রোগ নির্ণয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা উন্নত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে হাসপাতালটিকে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে জনবল সংকট দূর করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোগীদের মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের সেবার পরিধি ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করে রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন এবং তা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে তাদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা, ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন।
তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা প্রতিটি রোগীর প্রতি মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। রোগীদের যেন কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এখন থেকে নিজ কার্যালয়ে বসেই ডিজিটাল হাজিরার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিয়মিতভাবে মনিটরিং করবেন।
আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ অফিসকক্ষে তিনি ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নরসিংদীর বেলাবো ও রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিজিটাল হাজিরা পর্যবেক্ষণ করেন।
পর্যবেক্ষণকালে কয়েকটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অনুপস্থিতির বিষয়টি মন্ত্রীর নজরে আসে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়া, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশও দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ যাতে নিজ নিজ এলাকার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে উপস্থিতি মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে।"
এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রিন্স আলবার্ট ও লিউ-গামকার মধ্যবর্তী এন-১ মহাসড়কে সংঘর্ষ ঘটে দুটি মিনিবাস ট্যাক্সি ও একটি স্টেশন ওয়াগনের।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে ১৮ জন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরবর্তীতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে পৌঁছায়।
দুর্ঘটনার পর এন-১ মহাসড়কের ওই অংশে উভয় দিকের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বরংগাইল বাসস্ট্যান্ডে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী ‘সেলফী’ পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আয়োজকরা সেলফী পরিবহনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে রুট পারমিট বাতিলের দাবি জানান। মানববন্ধনের পর প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সচেতন নাগরিক কমিটির আহবায়ক খন্দকার তুহিন হোসেন, সাবেক ছাত্র নেতা মাহবুব আলম মাবুল, গোলাম রাব্বানী, সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব পিজুষ ফাইটার, সদস্য সাকিবুল ইসলাম সাকিব, মো. আব্বাস, মো. শফিকুল ইসলাম এবং মো. সুজন প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, সেলফী বাসের দ্রুতগতির কারণে সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং চালকদের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ উদ্বেগজনক। তারা চালকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই, নিয়মিত মাদক পরীক্ষা এবং যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
যাত্রীদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া সেলফী পরিবহনের বিরুদ্ধে সাধারণ যাত্রীদেরও দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। দ্রুতগতিতে বাস চালানোর কারণে চালকদের অদক্ষতা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বারবার সামনে এসেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। রুট পারমিট বাতিলের দাবি মেনে না নেওয়া হলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বক্তারা। সেলফী পরিবহন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিদ্যমান। চালকদের দক্ষতা যাচাই, মাদক পরীক্ষা এবং বাসের ফিটনেস নিশ্চিত না করে কোনো যানবাহনকে সড়কে চলাচলের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।
চালকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই, নিয়মিত মাদক পরীক্ষা, যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা এবং নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। বক্তারা বলেন, সেলফী পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবি মেনে না নেওয়া হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
মানববন্ধনে বক্তারা সেলফী পরিবহনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, অদক্ষ চালক দিয়ে বাস চালানো বন্ধ, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং চালকদের নিয়মিত মাদক পরীক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ সময় নিরাপদ সড়ক চাই, ন্যায্য বিচার চাই ও সেলফী পরিবহন বয়কটসহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়।
সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা, স্থানীয় লোকজন, যাত্রী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা জানিয়েছেন, আদালতের একাধিক আদেশ যা তার কঠোর নিরাপত্তা নীতির বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে তিনি আইনিভাবে প্রতিরোধ করবেন।
দে লা এসপ্রিয়েলা কলম্বিয়ার বিভিন্ন মাদক পাচারকারী গেরিলা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একটি কঠোর অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এই নিরাপত্তা নীতির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে, গত মাসে, ডানপন্থী প্রেসিডেন্টটি একাধিক আইনি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।
একটি আদালত সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছে যে, যদি কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের উপস্থিতি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়, তবে সেখানে অবস্থানরত গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর ওপর বোমা হামলা চালাতে নিষেধ করতে হবে।
আরেকটি আদালতের আদেশে কোকা গাছের চাষ ধ্বংস করতে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেট নামের আগাছানাশক ছিটানোর কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রাসায়নিকটি মানুষের শরীরে ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্য একটি আদালতের আদেশে প্রেসিডেন্টকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভিডিও মুছে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভিডিওগুলোতে তাকে কথিত অপরাধীদের লাশের পাশে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল।
রোববার এক ভাষণে দে লা এসপ্রিয়েলা বলেছেন, ‘আদালতের সিদ্ধান্তকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং বিদ্যমান আদেশ মেনে চলতে হবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানানোর অধিকার আমরা ছেড়ে দেব।’
কলম্বিয়া বিশ্বের বৃহত্তম কোকেন উৎপাদক দেশ। একই সঙ্গে, দেশটি গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার সময় পার করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত মাদক কার্টেলবিরোধী জোট ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এও কলম্বিয়া যোগ দিয়েছে।
এই জোটে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর ও এল সালভাদরসহ লাতিন আমেরিকার আরও কয়েকটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ