রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৯ এম
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে, যেখানে মালামালও লুট করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে সালমান মুক্তাদির তার স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বিস্তারিত বর্ণনা দিচ্ছেন।
ভিডিওর ক্যাপশনে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, ‘গভীর রাতে জুলাইযোদ্ধা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের বাসা ও স্টুডিওতে চাঁদাবাজদের হানা, ভাঙচুর, লুটতরাজ ও তাণ্ডব।’
তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মাঝে মাঝে মধু আহরণকারী চাঁদাবাজরা মৌচাক মনে করে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছুড়ে দেয়। তখন সেই ঢিল বুমেরাং হয়ে তাদের দিকেই ফিরে আসে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘কর্তৃত্বশালীরা নিজেদের চাঁদাবাজদের কী সামলাবেন? একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। হ্যাঁ, এর শেষ হবে একদিন, ইনশাআল্লাহ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেত্রী অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বকুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় হোসনে আরা বকুলের নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগে হোসনে আরা বকুলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পালাতক ছিলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, সম্প্রতি সরকার বিরোধী আন্দোলন ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
হোসনে আরা বকুল ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি কুমিল্লা সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় অভিনেত্রী বর্ষিণী ভেঙ্কট পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। সিনেমায় অর্থ বিনিয়োগে রাজি না হওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে মারধর, ভয়ভীতি এবং তার কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে অভিনেত্রী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বর্ষিণীর ব্যাংক হিসাবেও অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর মাইলাপুরের বাসা থেকে ২৮ বছর বয়সি এ অভিনেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগ— ২২ আগস্ট ভোরে নিজের ঘরে ফেরেন তরুণ। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ছিলেন বর্ষিণী, তার বন্ধু সঞ্জয়সহ আরও দুজন। তারা সবাই তরুণকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে জোর করে ৫০ হাজার রুপি নগদ নিয়ে নেওয়া হয়।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্ষিণী ও তার কয়েক বন্ধু তরুণ নামে এক ব্যবসায়ীকে তাদের প্রস্তাবিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের সেই প্রস্তাবে রাজি হননি তরুণ। এরপরই শুরু হয় বিরোধ।
শুরু হয় ভয়ভীতি দেখানো। তরুণকে বর্ষিণীর ব্যাংক হিসাবে ৩ লাখ রুপি এবং সঞ্জয়ের হিসাবে ২ লাখ রুপি পাঠাতে বাধ্য করা হয়। নগদ ৫০ হাজার রুপিসহ মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি নেওয়ার পরও থামেননি অভিযুক্তরা। বরং আরও ২৭ লাখ রুপি দাবি করে তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তরুণ থানায় মামলা করেন।
তদন্তে নেমে তার ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাই করে বর্ষিণীর ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের প্রমাণ পায় পুলিশ। এরপরই অভিনেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পূজা মানে আনন্দ এবং অসংখ্য স্মৃতির হাতছানি। দুর্গাপূজা উৎসব আর কিছুদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে। সেই উৎসবের আগমনী বাতাস হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বইতে শুরু করেছে। শৈশব ও কৈশোরের পূজার স্মৃতি মনে রেখে যৌবনে এসে সবাই আনন্দে মেতে ওঠেন। টালিউডের আলোচিত অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জিও এর ব্যতিক্রম নন।
এই বছরের দুর্গাপূজায় অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জির জন্য একটি বাড়তি উৎসব যোগ হচ্ছে। পূজার সময় মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘বহুরূপী : দ্য গোল্ডেন ডাকু’। বর্তমানে সিনেমার প্রচার জোরেশোরে চলছে। সপ্তমী পর্যন্ত অভিনেত্রী সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত থাকবেন। এরপর তিনি পরিবারের সঙ্গে পূজার আমেজে মেতে উঠবেন।
অভিনেত্রী হওয়ার আগে কৌশানীর পূজা কেমন ছিল? একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, 'তখন দড়ির ওপারে থাকতাম। মানে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখতাম। আর পূজার বিশেষ স্মৃতি বললেই, প্রেমের কথা মাথায় আসে। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে যখন পূজার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হতো, প্রচুর ছেলে এসে ঝাড়ি মারত। সেখানে হঠাৎ করে আমাকে পছন্দ করে নেওয়া, আর সেখান থেকে প্রতিযোগিতায় জেতা।'
কৌশানি আরও বলেন, ‘পূজার সেরা সুন্দরী’ তকমাটা তখন তার কাছে বিশাল ব্যাপার ছিল। তিনি বলেন, পুরস্কার জিতে বাড়িতে ফিরছি—এটাই তো দারুণ ব্যাপার। তার ভাইবোনেরা আবার সেটি সেলিব্রেট করত। গর্ব করে তারা বলত— ‘আমাদের বোন এত সুন্দরী।'
সেই সময় নিশ্চয়ই পূজার প্যান্ডেলে প্রেমটা হতো? এমন প্রশ্নের উত্তরে কৌশানি বলেন, ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই! পূজার কটা দিনের প্রেম, এ বিষয়টি দারুণ মজা লাগত। আবার সেই প্রেম পূজার কটা দিনই টিকে থাকত। এরপর ভেঙে যেত।’
এবারের পূজায় প্রেমিক অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে কেমন পরিকল্পনা রয়েছে? উত্তরে কৌশানি মুখার্জি বলেন, ‘আমার পূজার সব প্ল্যানেই থাকে বনি।' তিনি বলেন, একসঙ্গে ঠাকুর দেখা, একসঙ্গে রোম্যান্স করা, হইহই করে পার্টি করা—সবই বনির সঙ্গে।
অভিনেত্রী বলেন, এই কদিন তার দিনযাপনের সাইকেল পুরো চেঞ্জ হয়ে যায়। দেখা যায়— পূজার কয়েকটা দিন বের হচ্ছেন হয়তো দুপুরে, আর বাড়ি ফিরছেন ভোরে! বাকি সকালটা ঘুমাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে বেকারত্বের হার নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, শিক্ষিতদের মধ্যে এই হার বেশি হওয়া নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। দেশের সরকারি নীতি আয়োগের সাম্প্রতিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতের সর্বভারতীয় বেকারত্বের হার ৩.২ শতাংশ হলেও, স্নাতকদের মধ্যে এই হার ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে।
অর্থাৎ, দেশের তরুণ জনসংখ্যার একটি বড় অংশ ডিগ্রিধারী বেকার। শিক্ষিত তরুণরা তাদের হাতে থাকা ডিগ্রির প্রতি গর্বিত, কিন্তু ভবিষ্যৎ নিয়ে রয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতির পেছনে আসল কারণগুলো কী?
দিল্লির রাজপথে তরুণদের বিক্ষোভের দৃশ্য অনেকের চোখে পড়েছে। দেখা গেছে, এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী তরুণদের একটি বড় অংশ সচ্ছল পরিবারের সন্তান। অথচ, ভারতের মতো বৃহৎ অর্থনীতিতে শিক্ষিতদের একটি বড় অংশ আজও বেকার।
২০১৮ সালে অর্থনীতিবিদ ইন্দ্রজিৎ বৈরাগ্য সতর্ক করেছিলেন যে, শিক্ষার হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেকারত্বও বাড়বে। এর কারণ হলো, শিক্ষিত তরুণরা ছোটখাটো বা অনানুষ্ঠানিক কাজ করতে রাজি নন এবং নিরাপদ চাকরির অভাব রয়েছে। নীতি আয়োগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মাত্র ৮.২৫ শতাংশ স্নাতক তাদের যোগ্যতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ পদে কাজ করছেন।
অন্যদের বাধ্য হয়ে তাদের যোগ্যতার চেয়ে নিচু পদের কাজ করতে হচ্ছে বা প্রথাগত ডিগ্রি নেওয়ার পর বিশেষ কোনো দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও-র ‘ইন্ডিয়া এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট ২০২৪’ বলছে, কৃষি খাত ছেড়ে আসা তরুণদের জন্য উপযুক্ত ও ভালো আয়ের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারেনি অর্থনীতি।
এটি শুধু সরকারি খরার সমস্যা নয়, বেসরকারি খাতও এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ দশটি অর্থনীতির দেশে গবেষণা ও উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অবদান ৬৮ শতাংশ হলেও, ভারতে তা অর্ধেকেরও কম। মহাকাশ বা প্রতিরক্ষা খাতে সরকারি নজর থাকলেও, তা রাতারাতি কোটি কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার সমাধান সহজ নয়। শিক্ষাব্যবস্থাকে বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ঢেলে সাজাতে হবে এবং উৎপাদনমুখী শ্রমনিবিড় শিল্পে জোর দিতে হবে। এই দুইয়ের সমন্বয় না ঘটলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কমানো সম্ভব নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ