ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী, ৭ নভেম্বরের চেতনা তুলে ধরলেন


জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী, ৭ নভেম্বরের চেতনা তুলে ধরলেন

দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হবে ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশের এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়েছিল। একইভাবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটবে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ওয়াকফের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

তারেক রহমান আরও বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য, আর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান হবে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথ নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের অঙ্গীকার হোক—দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনাফে সেনাসদস্য নিহত হওয়ায় নেজামে ইসলাম পার্টির শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


টেকনাফে সেনাসদস্য নিহত হওয়ায় নেজামে ইসলাম পার্টির শোক

কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র পাচারকারীদের গুলিতে সেনাবাহিনীর তরুণ সদস্য মো. তিতাস শেখের নিহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন, "মানবপাচারের মতো ভয়ংকর অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে একজন দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যের এই মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক।" এই ঘটনা দেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বেপরোয়া মনোভাবকে আবারও স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।

শুক্রবার পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির সহকারী মহাসচিব হাজী আনোয়ারুল কবীর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আতিকুর রহমান সিদ্দিকী এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

মাওলানা মুসা বিন ইযহার বলেন, "বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, মানবপাচারকারীরা শুধু মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা করছে না, তারা দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার জন্য এক ভয়ংকর হুমকি হয়ে উঠেছে।" দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখা এবং যৌথ বাহিনীর উদ্ধার অভিযানে সশস্ত্র হামলার ঘটনা প্রমাণ করে যে, এসব অপরাধী চক্র নির্মূলে আরও কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সীমান্তবর্তী এলাকায় মানবপাচার, অপহরণ ও জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধ চিরতরে বন্ধ করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে হবে।

তিনি নিহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীদের পূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা নিশ্চিত করে দ্রুত তাঁদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আরও বলেন, "একজন সেনাসদস্যের এই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। মানবপাচারকারী চক্রের মূল হোতা, অর্থদাতা ও স্থানীয় সহযোগীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।" তিনি যোগ করেন, "শুধু চুনোপুঁটি ধরে দায় সারলে চলবে না, বরং এসব অপরাধী চক্রের শেকড় সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে পুরোপুরি উপড়ে ফেলতে হবে। দেশের সাধারণ নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও কঠোর অবস্থানের পরিচয় দিতে হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতির আহ্বান, গণতান্ত্রিক-ন্যায়ভিত্তিক-মানবিক-নিরাপদ দেশ গড়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


রাষ্ট্রপতির আহ্বান, গণতান্ত্রিক-ন্যায়ভিত্তিক-মানবিক-নিরাপদ দেশ গড়ার

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ৭ই নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকলকে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও সকল ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে।

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ৭ নভেম্বরের আশা-আকঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্রচর্চা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।

‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেশের সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। একই সাথে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার যুগান্তকারী বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সকল বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন, দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। তাঁবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের সেই কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়। স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে তাঁর ওপর রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়। জাতির এই ক্রান্তিকালে তাঁর ভূমিকা ছিল ত্রাতার।

সিপাহি ও জনতার এই সংহতি ছিল স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত এক অভূতপূর্ব জাগরণ-এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সংহতি ও ঐক্য প্রকাশ করেছে। সেই একই চেতনা পুনর্জাগরিত হয় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে। এসময় ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের সুদৃঢ় ঐক্যে দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বিপর্যয় থেকে আবারও রক্ষা পায় প্রিয় স্বদেশ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের জাতীয় জীবনে এই বিপ্লব ও সংহতির গুরুত্ব অপরিসীম। এরই ধারাবাহিকতায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দেশকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে মুক্তি দেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন, সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠা করেন সুশাসন।

তিনি বলেন, জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে, গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছে, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চেপে বসেছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে দেশ আজ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে আরো শক্তিশালী করা অপরিহার্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেল চালকদের জন্য বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা ও লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


মোটরসাইকেল চালকদের জন্য বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা ও লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সতর্ক করেছে যে, মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্সধারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা ও বিন্যাসে পরিবর্তন এনে সংশোধিত বিধিমালা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিআরটিএর ফেসবুক পেইজে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিক্ষানবিশ লাইসেন্সধারীরা শুধুমাত্র বৈধ প্রশিক্ষকের সঙ্গে প্রশিক্ষণের সময় মোটরযান চালাতে পারবেন। এই সময় গাড়ির দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্ন রাখতে হবে।

মোটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শিক্ষানবিশ চালক রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হলে সামনে ও পেছনে দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্ন লিখে অথবা বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হয়। ‘L’ হলো Learner শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। এই চিহ্ন দেখে অন্য চালকরা বুঝতে পারবেন যে, গাড়িটি একজন নতুন চালক চালাচ্ছেন। এর ফলে তারা সতর্ক হয়ে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হবেন।

এদিকে, মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট স্থাপন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিগত জটিলতা দূর করতে সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ সংশোধন করেছে সরকার।

সম্প্রতি সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নূরুল ইসলামের স্বাক্ষরে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে সংশোধিত বিধান অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ১২২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর ৩৬ নম্বর বিধির মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট-সংক্রান্ত বিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে।

সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের সামনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রচলিত বিন্যাসের পাশাপাশি এক লাইনে লেখার সুযোগ রাখা হয়েছে। মোটরসাইকেলের নকশা ও কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামনের নম্বরপ্লেটের আকার ও বিন্যাস নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বিআরটিএকে।

প্রয়োজনে নম্বরপ্লেটের অক্ষরের উচ্চতা, জেলা বা অঞ্চলের নাম নির্দেশকারী অক্ষরের আকার এবং যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের উচ্চতা নির্ধারণ করতে পারবে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া নম্বরপ্লেটের উল্লম্ব অংশে ফাঁকা জায়গা, দুটি সংখ্যার মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং দ্বিতীয় লাইনে সংখ্যাগুলোর মধ্যবর্তী হাইফেনের দৈর্ঘ্যও নির্ধারণ করতে পারবে।

একই লাইনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লেখার ক্ষেত্রে জেলা বা অঞ্চলের নাম এবং যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের পর নির্ধারিত দৈর্ঘ্যের হাইফেন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নম্বরপ্লেটে বিপরীতমুখী রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ প্লেট ব্যবহারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে নম্বরপ্লেটের দৃশ্যমানতা ও যানবাহন শনাক্তকরণ সহজ হতে পারে।

প্রজ্ঞাপনে বিধিমালার ৩৬ নম্বর বিধির সংশ্লিষ্ট উপবিধিতে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি উপবিধি (১০) থেকে ‘মোটরসাইকেল এবং’ শব্দ দুটি বাদ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

বর্তমানে বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেলের সামনের অংশের নকশা ও কাঠামো এক রকম নয়। কিছু মোটরসাইকেলে প্রচলিত আকারের নম্বরপ্লেট স্থাপন করা কঠিন। এ কারণে মোটরসাইকেলের গঠন অনুযায়ী নম্বরপ্লেটের আকার ও বিন্যাস নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

সড়কে যানবাহন শনাক্তকরণ, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতেও সামনের নম্বরপ্লেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও মহাসড়কে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়ায় যানবাহন পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

সড়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অন্যান্য যানবাহনের পাশাপাশি মোটরসাইকেলকেও ক্যামেরার আওতায় আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঙ্গাশিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান প্যাদা

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


পাঙ্গাশিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ১ নম্বর পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের নির্বাচন সমন্বয়ক ফেরদৌস আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি সুলতান তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান প্যাদা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় দিবসটি যথাযথভাবে উদযাপন এবং অনুষ্ঠান সফল ও সার্থক করে তুলতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় দুমকি উপজেলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এছাড়া পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পাগলা থেকে কাঠালতলা হয়ে দুমকি পর্যন্ত র‍্যালি নিয়ে একসঙ্গে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আসন্ন কর্মসূচি সফল করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পতিনিদি মিজানুর রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%