মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর যুক্তরাজ্যের সার্বভৌমত্বের প্রতি মার্কিন সমর্থন পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সামনে এই মন্তব্য করেন, যা ওয়াশিংটন ও লন্ডনের মধ্যে বহুল আলোচিত বিশেষ সম্পর্কের মধ্যে নতুন টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, ট্রাম্প বলেন, দক্ষিণ আটলান্টিকের এই দ্বীপপুঞ্জটির ওপর যুক্তরাজ্যের অবস্থান পর্যালোচনা করা হচ্ছে কি না, তিনি সব সময়ই প্রতিটি অবস্থান পর্যালোচনা করে দেখেন এবং এটিও তেমনই অনেকগুলোর মধ্যে একটি।
ঐতিহাসিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপপুঞ্জটির ওপর দাপ্তরিকভাবে একটি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে আসছে, তবে বাস্তবে দেশটি ব্রিটিশ শাসনকেই স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। ১৭শ শতাব্দীর শেষের দিকে যুক্তরাজ্য প্রথম এই দ্বীপপুঞ্জটি দাবি করে এবং ১৮৩৩ সাল থেকে প্রায় অবিচ্ছিন্নভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা অঞ্চলটি আক্রমণ করলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সরকারের ওপর প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধি এবং ন্যাটোতে অবদান বাড়ানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করতে ট্রাম্প এই সীমান্ত বিরোধটিকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। গত সপ্তাহে দ্য টেলিগ্রামকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক নাম প্রকাশ না করা মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ব্রিটেন যদি তার প্রতিরক্ষা ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে ওয়াশিংটন এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে তার অবস্থান বদলে ফেলতে পারে। ২৮ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী জন হিলি তার প্রথম বাজেট পেশ করার কথা রয়েছে, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির তিন শতাংশ বরাদ্দ করার পূর্ব প্রতিশ্রুতি থেকে ব্রিটেন সরে আসতে পারে বলে গুঞ্জন ওঠার পরপরই ট্রাম্পের দিক থেকে এই রাজনৈতিক চাপটি এলো।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের উভয় মেয়াদেই মার্কিন মিত্রদের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে এবং ন্যাটোতে চাঁদার পরিমাণ বাড়াতে কঠোর চাপ প্রয়োগ করে আসছেন। অন্যান্য দেশকে বিনামূল্যে সুবিধা ভোগকারী হিসেবে অভিযুক্ত করার ধারাবাহিকতায় গত বছর হেগ সম্মেলনে ন্যাটো মিত্ররা ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যয়ে জিডিপির পাঁচ শতাংশ খরচ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এর আগে গত এপ্রিল মাসে পেন্টাগনের একটি ফাঁস হওয়া ইমেইলে দেখা গিয়েছিল যে, ট্রাম্পের ইরান নীতিতে ব্রিটেনের সমর্থনের অভাবের জবাব হিসেবে দেশটির ফকল্যান্ড দাবির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্র যদি ফকল্যান্ডের ওপর থেকে তার সমর্থনের অবস্থান সরিয়ে নেয়, তবে তা হবে ব্রিটেনের সার্বভৌমত্ব ভাবমূর্তির জন্য একটি বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কা। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার আক্রমণের পর তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের সরকার একটি নৌ টাস্কফোর্স পাঠিয়ে দ্বীপটি পুনরুদ্ধার করে। সেই সময়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান আর্জেন্টিনার সামরিক জান্তার সাথে সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও থ্যাচার সরকারের পক্ষে শক্ত কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে প্রায় ৬৪৯ জন আর্জেন্টিনীয় এবং ২৫৫ জন ব্রিটিশ সামরিক সদস্য নিহত হয়েছিলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প আর্জেন্টিনার পপুলিস্ট প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের খুব কাছাকাছি এসেছেন, যিনি গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অর্থনৈতিক সংকটে পড়া আর্জেন্টিনাকে ২০ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তার অনুমোদন দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে শর্ত ছিল পরবর্তীতে মিলেইয়ের দলকে সংসদীয় নির্বাচনে জয়ী হতে হবে। জরিপকারীদের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে সেই নির্বাচনে মিলেইয়ের দল জয়লাভ করে এবং পরক্ষণেই ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনার গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দেন।
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনার দাবির পক্ষে প্রেসিডেন্ট মিলেই শুরু থেকেই সোচ্চার। তবে অন্যদিকে ২০১৩ সালের এক গণভোটে ফকল্যান্ডের ১৫১৭ জন ভোটারের মধ্যে ১৫১৩ জনই যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। এই ভূখণ্ড নিয়ে জনগণের আবেগ কতটা তীব্র, তা দেখা গিয়েছিল গত জুলাই মাসে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ের পর। তৎকালীন উদযাপনের সময় আর্জেন্টিনীয় ফুটবলাররা ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেছিলেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়া আগামী নভেম্বর পর্যন্ত সাবেক স্প্যানিশ জাতীয় দলের কোচ রবের্ত মরেনোকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। মঙ্গলবার, দেশটির ফুটবল ফেডারেশন (কেএফএ) মরেনোর সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এই চুক্তির আওতায়, মরেনোর কোচিংয়ে দক্ষিণ কোরিয়া মোট ছয়টি ম্যাচ খেলবে। গত বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর, তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হন দলের তৎকালীন প্রধান কোচ হং মিউং-বো। এর পরপরই তিনি দ্রুত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। মরেনো আপাতত তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
দীর্ঘমেয়াদি কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া আগামী কয়েক মাস ধরে চালিয়ে যাবে কেএফএ। তবে, যদি মরেনোর পারফরম্যান্স আগামী ছয় ম্যাচে আশানুরূপ হয়, তাহলে আগামী জানুয়ারিতে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এশিয়ান কাপেও তাঁকে দায়িত্বে রাখা হতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়া সেপ্টেম্বর মাসে একুয়েডর ও উরুগুয়ের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এরপর অক্টোবরে দলটি ভেনেজুয়েলা ও উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হবে।
২০১৯ সালে স্পেন জাতীয় দলের কোচ লুইস এনরিকে কয়েক মাস ছুটিতে থাকাকালীন, মরেনো স্পেনের ডাগআউটে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ফ্রান্সের ক্লাব মোনাকো, স্পেনের গ্রানাদা এবং রাশিয়ার ক্লাব এফসি সোচির কোচের দায়িত্বও পালন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় তিনদিনের সফরে এসেছেন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি দেশের বৃহত্তম নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময়, রাষ্ট্রদূত সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ক্যারেজ, ফাউন্ড্রি, প্রোডাকশন এবং যাদুঘরসহ বিভিন্ন শপের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এর পর, তিনি সৈয়দপুর চিনি মসজিদ এবং সৈয়দপুর খ্রিষ্টান চার্চে যান।
রাষ্ট্রদূতের সফরকালে তার সহধর্মিণী ডিয়ান ডাও এবং মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল তার সফরসঙ্গী ছিলেন।
রাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে ঢাকায় ফিরবেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
এর আগে, সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তের মন্ডুমালা গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আম গাছ এবং ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তে সমতলের চা-বাগান পরিদর্শন করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর হাজার হাজার নাবিক ও মেরিন সেনাকে স্বাগত জানাতে পাতায়া, থাইল্যান্ডে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মার্কিন এই পরমাণু শক্তিচালিত রণতরীটির সদস্যরা ২৭০ দিনেরও বেশি সময় ধরে সমুদ্রে অবস্থান করার পর এবার কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি-কে প্রাদেশিক গভর্নর নারিত নিরামাইওং জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় ৬০০ জন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি মিশন শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে এই বিশাল বিমানবাহী রণতরীটি সপ্তাহান্তে সিঙ্গাপুর অতিক্রম করে থাইল্যান্ডের উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়েছে। ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন গত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে দক্ষিণ চীন সাগরে ডিউটির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। পরবর্তীতে ছয় মাস আগে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ ইরান হামলার পটভূমিতে এটিকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে পুনঃপ্রেরণ করা হয়।
দীর্ঘদিন সমুদ্রে অবস্থান করার ফলে রণতরীটির ভেতরে নিম্নমানের জীবনযাত্রার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। খাবার সংকট, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং একাধিক আত্মহত্যার চেষ্টার মতো সংবেদনশীল খবর মার্কিন সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই যুদ্ধনীতির তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
পাতায়ার মেয়র পোরামাসে নগমপিচেস জানিয়েছেন, বুধবার মধ্যরাতের পর (জিএমটি মঙ্গলবার বিকেল ৫টা) রণতরীটি থাইল্যান্ডের লায়েম ছাবাং বন্দরে নোঙর করবে। মার্কিন সেনাসদস্যদের পর্যায়ক্রমে পাতায়া শহরে যাতায়াতের জন্য প্রায় ৪০টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী রবিবার রণতরীটি স্বদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগ পর্যন্ত এই যাতায়াত সুবিধা কার্যকর থাকবে।
তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার পর মেয়র পোরামাসে জানিয়েছেন, আগত মার্কিন সামরিক কর্মীদের কিছু নির্দিষ্ট বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড থেকে কঠোরভাবে বিরত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যারাট্রেকিং এবং ক্যানাবিস বা গাঁজা সেবন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাসংক্রান্ত গাঁজা বৈধ করা হয় এবং বর্তমানে থাই শহরগুলোতে ক্যানাবিস ডিসপেনসারি খুবই সাধারণ চিত্র।
অতীতের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, সিক্সটিজের দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাদের বিশ্রাম ও বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার মাধ্যমে সাবেক শান্ত মাছ ধরার গ্রাম পাতায়া আজকের এই রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে এই পর্যটন কেন্দ্রটি তার চোখধাঁধানো রাতের জীবন ও সৈকতের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত, যদিও যৌন পর্যটনের কারণে এটি প্রায়শই সমালোচনার মুখে পড়ে।
সম্প্রতি পাতায়াতে যৌনকর্মীদের ওপর অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র পোরামাসে। তবে এটি মার্কিন সেনাদের আগমনকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে এমন দাবি তিনি অস্বীকার করেছেন।
একই সাথে স্থানীয় ব্যবসায়ী যেন মার্কিন সেনাদের থেকে অতিরিক্ত মূল্য আদায় না করে সে বিষয়ে সতর্ক করেছে থাই সরকারি কর্মকর্তারা। পুলিশ প্রধান অনেক স্রেথংইউ জানান, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনো মার্কিন সেনা যদি থাই আইন ভঙ্গ করে তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করা হবে।
ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট পর্যটন মন্দার মুখে পড়া স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই মার্কিন সেনাদের স্বাগতম জানাতে উৎসুক হয়ে আছেন। সৈকতের কাছের একটি স্থানীয় বারে মার্কিন সেনাদের স্বাগত জানিয়ে ব্যানারও টাঙানো হয়েছে।
তবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে কিছুটা সংশয়ও রয়েছে। বুয়ালুয়াং পোনোক নামের একজন বার কর্মী বলেন, অতীতে তিনি মার্কিন সেনাদের দেখেছেন ঠিকই, তবে এবার আসা সেনাদল থেকে খুব বেশি ব্যবসা হবে বলে তিনি মনে করছেন না। ৫ হাজার সেনার আগমনের কথা বলা হলেও আসলে কতজন তাদের বার পর্যন্ত আসবেন তা নিয়ে তিনি দ্বিধান্বিত।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ