বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ পি.এম
রাজধানীর ধানমন্ডিতে ডক্টর মালিকা কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবস ও কলেজের প্রতিষ্ঠাত্রী ডক্টর মালিকা আল-রাজীর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল ইসলামসহ শিক্ষক প্রতিনিধিরা ডক্টর মালিকা আল-রাজীর জীবন, শিক্ষা ও কলেজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন।
উল্লেখ্য, ডক্টর মালিকা আল-রাজী ১৯১৯ সালে ঢাকার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি ১৯৫৪ সালে বিলেতে গিয়ে লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়ন শাস্ত্রে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮২ সালে তিনি ডক্টর মালিকা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার ৪নং কাঁঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড (উত্তর আনইল বুনিয়া) এলাকায় টানা ৩০ বছরের পরিচিত মুখ, সাধারণ ও অসহায় মানুষের আস্থার প্রতীক বর্তমান ইউপি সদস্য জনাব আইউব আলী মৃধা। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং গরিব-দুঃখী মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে তিনি বিগত তিন দশক ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর আনইল বুনিয়া এলাকার সর্বস্তরের ভোটাররা আবারও তাকেই মেম্বার পদে দেখতে চান।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আইউব আলী মৃধা কেবল একজন জনপ্রতিনিধি নন, বরং তিনি এলাকার একজন অভিভাবক সমতুল্য। যেকোনো বিচার-শালিস বা সামাজিক সমস্যায় বস্তুনিষ্ঠ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা সর্বজনবিদিত। গরিব-দুঃখীদের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়া এবং আপদে-বিপদে মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার কারণে তিনি সর্বস্তরের মানুষের কাছে 'গরিবের বন্ধু' ও 'সত্যবাদী জনপ্রতিনিধি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
৪নং ওয়ার্ডের স্থানীয় একাধিক ভোটার জানান, “দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে তিনি সততার সঙ্গে আমাদের সেবা দিয়ে আসছেন। এলাকায় যেকোনো সমস্যায় তাকে আমরা দিন-রাত পাশে পাই। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার বাকি উন্নয়নমূলক কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে আমরা আবারও আইউব আলী ভাইকেই আমাদের মেম্বার হিসেবে জয়যুক্ত করতে চাই।
পুনরায় প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য জনাব আইউব আলী মৃধা বলেন, “জনসেবাই আমার জীবনের মূল ব্রত। উত্তর আনইল বুনিয়া এলাকার প্রতিটি মানুষ আমার পরিবারের মতো। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে তারা আমাকে যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দিয়েছেন, আমি সারা জীবন তাদের সেই ঋণে আবদ্ধ। এলাকার শান্তি, ঐতিহ্য রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমি সততার সঙ্গে কাজ করেছি। আগামী দিনেও উত্তর আনইল বুনিয়া ওয়ার্ডকে একটি সুসংগঠিত, শান্তিময় ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে আমি সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।
এলাকার প্রবীণ ও নবীন সকল স্তরের ভোটারদের প্রত্যাশা—সততা, ন্যায়বিচার ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করে এবারও ৪নং ওয়ার্ডবাসী আইউব আলীর ওপরই ভরসা রাখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরওয়ের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ম্যাচ বেঞ্চে বসে থাকার পর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে কেন্দ্র করে পর্তুগাল দলের মধ্যে যে অস্বস্তির খবর ছড়িয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত বড় কোনো ঘটনায় পরিণত হয়নি। পর্তুগালের কোচ জর্জ জেসুস এবং অধিনায়ক রোনালদো একে অপরের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করেছেন।
পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম অবজারভাদর জানায়, আলোচনার পর উভয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন এবং উয়েফা নেশনস লিগের পরবর্তী দুই ম্যাচের দিকে মনোযোগ দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
নরওয়ের বিরুদ্ধে পর্তুগালের ২-১ গোলে জয়ী ম্যাচে রোনালদোকে বদলি হিসেবে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করেছিলেন জেসুস। কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন জেসুস।
ম্যাচ শেষে রোনালদো সতীর্থদের সঙ্গে সমর্থকদের অভিবাদন জানাতে না গিয়ে দ্রুত ড্রেসিংরুমে চলে যান। জেসুস অবশ্য বলেছিলেন, রোনালদোকে না খেলানোর অর্থ এই নয় যে, দলের পরিকল্পনায় তিনি নেই।
এরপর গতকাল মঙ্গলবার মালমোতে অনুশীলনেও রোনালদো দলের সঙ্গে ছিলেন না। তিনি শুধুমাত্র জিমে অনুশীলন করেন।
এ অবস্থায় পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসা নির্ধারিত সময়ের আগেই ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার আগাম সফরকে রোনালদো-জেসুস টানাপোড়েনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করা হচ্ছিল।
তবে প্রোয়েনসার হস্তক্ষেপের আগেই রোনালদো এবং জেসুসের বৈঠক সম্পন্ন হয়। বৈঠকের পর উভয় পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া অস্বস্তি কেটে গেছে বলে জানিয়েছে অবজারভাদর।
যদিও বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে, আগামীকাল ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচে রোনালদো পর্তুগালের শুরুর একাদশে থাকবেন—এমন নিশ্চয়তা নেই। বিষয়টি পুরোপুরি জেসুসের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরাইল থেকে ফসলি জমির মাটি উত্তোলন করে নেওয়ার অভিযোগ, মাটি ভর্তি বাল্কহেড জব্দ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে পাচারের সময় মাটি ভর্তি বাল্কহেডসহ দুইজনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভৈরব লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার মান্দারতলী এলাকার মৃত জাফর আলী চৌধুরীর ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন (৪৫) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার বানিদিয়া গ্রামের হাজী আবদুল জাহেদ মিয়ার ছেলে মো. আতিকুর রহমান (৩৫)।
ভৈরব নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি উত্তোলন করে একটি বাল্কহেডে করে ভৈরবের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভৈরব লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি ভর্তি বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়। এ সময় বাল্কহেডে থাকা দুইজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে ভৈরব নৌ থানার এসআই রহিদুল ইসলামসহ নৌ-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভৈরব নৌ থানার এসআই রহিদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাটি ভর্তি বাল্কহেডসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা সরাইল এলাকার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরপুরের কালশী মোড়ের ব্যবসায়ী মো. মাহবুব আলম শেখ সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যেখানে তিনি নিজের নাম জড়িয়ে ‘ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ তথ্য প্রকাশের অভিযোগ উত্থাপন করেন। বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় তিনি তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে মো. মাহবুব আলম শেখ উল্লেখ করেন, ‘মিরপুরে তিন ভাইয়ের বাহিনী’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তার নাম যেভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিল নেই। তিনি ওই প্রতিবেদনের তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।
তিনি জানান, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কালশী মোড়ে হার্ডওয়্যার, ফার্নিচার, গাড়ির শোরুম ও আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
মাহবুব আলম শেখের ভাষ্যমতে, তালতলা প্রজেক্ট এলাকায় তার ক্রয়কৃত সম্পত্তির কিছু অংশকে আবাসন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী নিজের সম্পত্তি বলে দাবি করায় তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে। এই বিরোধের কারণে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন মফিজুর রহমান মামুন, জিমিল রহমান, মশিউর রহমান, মো. ইব্রাহিম, মো. মোজদার ও শাহাদত, তাদের সঙ্গে তার কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগ নেই।
নিজের জমির মালিকানা ও দখলের বিষয়ে তিনি বলেন, সিএস ও আরএস খতিয়ান অনুযায়ী তিনি আইনগতভাবে তার সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন। তবে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে মনগড়া তথ্য ছড়াচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে মাহবুব আলম শেখ এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন, যাতে তিনি হয়রানি ও প্রতারণা থেকে মুক্তি পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ