বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৭ পি.এম
সরাইল থেকে ফসলি জমির মাটি উত্তোলন করে নেওয়ার অভিযোগ, মাটি ভর্তি বাল্কহেড জব্দ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে পাচারের সময় মাটি ভর্তি বাল্কহেডসহ দুইজনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভৈরব লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার মান্দারতলী এলাকার মৃত জাফর আলী চৌধুরীর ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন (৪৫) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার বানিদিয়া গ্রামের হাজী আবদুল জাহেদ মিয়ার ছেলে মো. আতিকুর রহমান (৩৫)।
ভৈরব নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি উত্তোলন করে একটি বাল্কহেডে করে ভৈরবের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভৈরব লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি ভর্তি বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়। এ সময় বাল্কহেডে থাকা দুইজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে ভৈরব নৌ থানার এসআই রহিদুল ইসলামসহ নৌ-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভৈরব নৌ থানার এসআই রহিদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাটি ভর্তি বাল্কহেডসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা সরাইল এলাকার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরপুরের কালশী মোড়ের ব্যবসায়ী মো. মাহবুব আলম শেখ সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যেখানে তিনি নিজের নাম জড়িয়ে ‘ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ তথ্য প্রকাশের অভিযোগ উত্থাপন করেন। বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় তিনি তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে মো. মাহবুব আলম শেখ উল্লেখ করেন, ‘মিরপুরে তিন ভাইয়ের বাহিনী’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তার নাম যেভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিল নেই। তিনি ওই প্রতিবেদনের তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।
তিনি জানান, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কালশী মোড়ে হার্ডওয়্যার, ফার্নিচার, গাড়ির শোরুম ও আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
মাহবুব আলম শেখের ভাষ্যমতে, তালতলা প্রজেক্ট এলাকায় তার ক্রয়কৃত সম্পত্তির কিছু অংশকে আবাসন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী নিজের সম্পত্তি বলে দাবি করায় তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে। এই বিরোধের কারণে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন মফিজুর রহমান মামুন, জিমিল রহমান, মশিউর রহমান, মো. ইব্রাহিম, মো. মোজদার ও শাহাদত, তাদের সঙ্গে তার কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগ নেই।
নিজের জমির মালিকানা ও দখলের বিষয়ে তিনি বলেন, সিএস ও আরএস খতিয়ান অনুযায়ী তিনি আইনগতভাবে তার সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন। তবে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে মনগড়া তথ্য ছড়াচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে মাহবুব আলম শেখ এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন, যাতে তিনি হয়রানি ও প্রতারণা থেকে মুক্তি পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নাম শীর্ষে থাকলেও, তাদের এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা নেই। বরং, যারা পর্দার আড়ালে থেকে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন, তারাই প্রকৃতভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার দাবিদার—এমনটাই মনে করেন অসলোর পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর হাকোন জারলো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নোবেল শান্তি পুরস্কার কোনো তারকা খ্যাতির প্রতিযোগিতা নয়। তবুও, বিশ্ব রাজনীতির বিশাল নামগুলো সবসময় এই পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে থাকে।
হাকোন জারলোর মতে, এর ফলে নোবেল পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। শান্তি প্রতিষ্ঠার আসল কাজগুলো সাধারণত প্রচারের আলোর বাইরে থেকে করা হয়। আন্তর্জাতিক আইন রক্ষা করা আদালত, যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ সংগ্রহকারী সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় নিয়োজিত মানবাধিকার সংস্থাগুলোই প্রকৃত দাবিদার।
আগামী ৯ অক্টোবর ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। তবে, যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম এগিয়ে রয়েছে, তিনি এই পুরস্কার পাবেন না। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত কোনো দেশের দায়িত্বরত প্রেসিডেন্ট নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রার্থী হতে পারেন না। অন্যান্য ক্ষেত্রে ট্রাম্পের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যতই উল্লেখযোগ্য হোক না কেন, নোবেল কমিটি একজন প্রার্থীর সামগ্রিক অবদান বিবেচনা করবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ওঠা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নোবেল পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। একটি বড় যুদ্ধে লিপ্ত দেশের সেনাপ্রধান বা কমান্ডার-ইন-চিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হলে, তা পক্ষপাতের শামিল হবে। এটি আলফ্রেড নোবেলের উইলের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক, যেখানে দেশগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি এবং সেনাবাহিনী কমানোর কথা বলা হয়েছিল।
পলিমার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, সেভ দ্য চিলড্রেন, সুদানের ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) যৌথভাবে ২৮ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে রয়েছে। তবে, এদের বাইরেও আরো অনেকে আছেন যারা এই পুরস্কার পাওয়ার দাবিদার।
হাকোন জারলো বলেন, বর্তমানে বিশ্বে যুদ্ধের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নোবেল শান্তি পুরস্কারের গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে বিশ্বে ৬৫টি রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংঘাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা ১৯৪৬ সালের পর সর্বাধিক। এর মধ্যে এ বছর জারলোর পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)।
হাকোন জারলোর মতে, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন শক্তিশালী করতে এবং শক্তিশালী দেশগুলোর ওপরও যে এই আইন প্রযোজ্য, তা প্রমাণে এই দুটি আদালতকে যৌথভাবে নোবেল দেওয়া উচিত। বিশেষ করে যখন মার্কিন প্রশাসন আইসিসি কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে, তখন এই পুরস্কার আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরবে।
যুদ্ধাপরাধের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকেরা চরম ঝুঁকিতে কাজ করেন। কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে রেকর্ড ১৩২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যার দুই-তৃতীয়াংশই মারা গেছেন ইসরাইলের হামলায়। সিপিজে-কে এই পুরস্কার দেওয়া হলে তা হবে অত্যন্ত যুগোপযোগী। এ ছাড়া, যুদ্ধবিধ্বস্ত শিশুদের রক্ষায় নিয়োজিত সেভ দ্য চিলড্রেন এবং রাশিয়া ও অধিকৃত অঞ্চল থেকে ১ হাজার ৭০০-র বেশি শিশুকে ফিরিয়ে আনা মাইকোলাইলা কুলেবার নেতৃত্বাধীন সেভ ইউক্রেন প্রশংসার দাবিদার। সুদানের গৃহযুদ্ধের মধ্যে খাবার ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাওয়া ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমসও নোবেলের যোগ্য।
অন্যদিকে, ভূরাজনৈতিক বৈরিতা সত্ত্বেও গত ২৫ বছর ধরে পিসফুল বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বজায় রাখা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (আইএসএস) নোবেল শান্তি পুরস্কারের একটি বড় দাবিদার হতে পারে বলেও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার, যা ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫-এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ শাখা বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ৬১১ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলীও উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার অভ্যন্তরীণ তীব্র যানজট নিরসন এবং পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কাঁচপুর বাস টার্মিনাল নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি উল্লেখ করেছেন, সায়েদাবাদ থেকে চট্টগ্রামগামী দেশের প্রায় ১৬টি জেলার দূরপাল্লার বাস এই নতুন নির্মিত কাঁচপুর টার্মিনালে স্থানান্তরিত হবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে নির্মাণাধীন বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব তথ্য শেয়ার করেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, যত দ্রুত সম্ভব এই টার্মিনালের অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই খুব শিগগিরই নির্দিষ্ট কিছু রোডের বাস এখানে পরীক্ষামূলকভাবে (ট্রায়াল রান) চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। সায়েদাবাদ টার্মিনাল থেকে ট্রানজিট অবস্থায় থাকা বাসগুলোর নির্বিঘ্নে আসা-যাওয়ার জন্য যথাযথ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
রাজধানীর সার্বিক পরিবহন খাত পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে নেওয়া সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে আবদুস সালাম জানান, ঢাকার প্রাণকেন্দ্র গুলিস্তানের বাস টার্মিনালটি বুড়িগঙ্গার ওপারে সরানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এর জন্য ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি ও বাজেট সম্পর্কে প্রশাসক বলেন, যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তি কমাতে আপাতত একটি অস্থায়ী শেড নির্মাণ করে কাঁচপুর টার্মিনালের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পুরো কাঁচপুর বাস টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক ৫০ কোটি টাকার বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
পরিদর্শনকালে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ