বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৪৫ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ এবং যৌতুক ও বাল্যবিবাহ নিরোধের লক্ষ্যে এক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে এগারোটায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম. আহসান কবির, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার, উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ সোমা সরকার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার নূরে জান্নাত ফেরদৌসী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার এবং সাবেক সভাপতি এনামুল হকসহ জনপ্রতিনিধিরা।
সভায় বক্তারা উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত রাখার পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের মত সামাজিক ব্যাধিগুলোর বিরুদ্ধে সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন:
"একটি মাদকমুক্ত, অপরাধমুক্ত ও সুশাসিত উপজেলা গড়তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধে আমরা মাঠ পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছি। সন্ত্রাস ও নাশকতা দমনে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সচেতন থেকে তরুণ সমাজকে সঠিক পথে রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন,
"কাউখালী উপজেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধ ও অপরাধীদের দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। কোনো ধরণের অপরাধী বা নাশকতাকারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধমূলক যেকোনো তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশকে দ্রুত অবহিত করার জন্য আমরা সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার ফকিরহাট এলাকায় চার লাখ ভোল্টেজের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জাতীয় গ্রিড বিদ্যুতের খুঁটির (টাওয়ার) চূড়ায় উঠে বসে আছেন এক অজ্ঞাত যুবক। তাকে উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা হঠাৎ ওই যুবককে বিশাল আকৃতির বিদ্যুতের খুঁটির একেবারে চূড়ায় দেখতে পান। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও উচ্চ ভোল্টেজের এই লাইনে যুবককে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে লাইনের সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই যুবককে অক্ষত অবস্থায় নিচে নামিয়ে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে এই খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যুৎ টাওয়ারের নিচে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।
যুবকটি কী কারণে বা কীভাবে এতো উঁচুতে চার লাখ ভোল্টের খুঁটিতে উঠলেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি এবং তার মানসিক ভারসাম্য নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা গুঞ্জন চলছে।
উদ্ধার অভিযান শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগণের দক্ষ ও উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তর ঘটানোর জন্য উচ্চমানের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীন বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গুয়াংডং প্রদেশের কিংইউয়ান শহরে অনুষ্ঠিত গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটিতে ‘চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ও শিল্প-শিক্ষার সমন্বয়ের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
শিক্ষামন্ত্রী এ সময় কারিগরি শিক্ষা, আধুনিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষায় বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
তিনি চীনের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কারিগরি প্রশিক্ষণে অর্জিত সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ আধুনিক কারিগরি শিক্ষা সংস্কারে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহী।
অনুষ্ঠানটি গুয়াংডং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেড ভোকেশনাল কলেজের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। এতে গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটি ও গুয়াংডং প্রদেশের ১১টি কারিগরি ও ভোকেশনাল কলেজ অংশগ্রহণ করে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন মন্তব্য করেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা বিনিময় বাংলাদেশ ও চীন সংযোগকে আরো গভীর করবে।
তিনি আরো বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া জানান, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পাঠ্যক্রম সংস্কার, উন্নত প্রযুক্তি প্রবর্তন এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ চালু করা সম্ভব, যাতে শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান পেতে পারে।
অনুষ্ঠানে গুয়াংডং ‘চাইনিজ+ভোকেশনাল স্কিলস’ ইন্ডাস্ট্রি-এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন অ্যালায়েন্স উদ্বোধন করা হয়। এটি বিশ্বব্যাপী কারিগরি শিক্ষা প্রসারে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-শিক্ষা সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।
অনুষ্ঠানে উভয় পক্ষ বাস্তব ও টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। এর ফলে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-সংযুক্ত প্রশিক্ষণে সহযোগিতা আরো জোরদার হবে।
এছাড়া প্রতিনিধিদল ‘বেইদৌ+’ ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন এবং রোবোটিক্স, রোবট প্রোগ্রামিং ও চীনা চা সংস্কৃতির প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন। এর মাধ্যমে তারা গুয়াংডং-এর কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও শিল্পমুখী শিক্ষার বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ১ মে থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৫১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া, অন্যান্য মামলা ও অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে আরও ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২৮ জন।
সব মিলিয়ে ১১৮ দিনে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দেশব্যাপী এসব অভিযানে উদ্ধার হয়েছে মোট ৪৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪ হাজার ৭২২ রাউন্ড গুলি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অভিযানে পুলিশ এ সময়ে ৪৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪ হাজার ৭২২ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ১৬৫টি ম্যাগাজিন, ৬৫টি ককটেল, সোয়া দুই কেজি গান পাউডার, ৮৯৩টি দেশীয় অস্ত্র, ৭১টি অস্ত্রের যন্ত্রাংশ, ২১টি অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং ১০ হাজার ৩০০টি চকলেট বাজি উদ্ধার করেছে।
উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১৫৩টি পিস্তল, ৪৮টি শুটারগান, ৪৫টি এলজি, ২৬টি রিভলবার, ১০৮টি বন্দুক, ২৬টি পাইপগান, ৭টি শটগান, ৭টি রাইফেল, ৩টি এসএমজি, ১২টি এয়ারগান ও একটি পেনগান।
এছাড়া, অভিযান চলাকালে ১ কোটি ৪০ লাখ ৫৪ হাজার ৫৫৯ পিস ইয়াবা, ১০ হাজার ৭৩২ পুরিয়া হেরোইন, ৩০ হাজার ৪২৭ বোতল ফেনসিডিল, ১৩ হাজার ৮৬৫ বোতল বিদেশি মদ, ৫৬০ বোতল দেশি মদ, ১২ হাজার ৫৩ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক ও মাদক জাতীয় অন্যান্য দ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এআইজি শাহাদাত হোসাইন আরও জানান, এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় ২৩ হাজার ২২১টি মামলা ও ৩৪ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গুমের ঘটনার সঙ্গে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের প্রাথমিক সম্পৃক্ততা প্রসিকিউশনের কাছে পাওয়া গেছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ