১০:১৬ পি.এম
রাজধানীর মিরপুরের বড়বাগে স্বামী দ্বারা দেওয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ শিফা আক্তার (১৯) মারা গিয়েছেন। রবিবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
স্বজনদের অভিযোগ হলো, গত ২৪ জুন রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার সময় স্বামী সোহেল তার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। এর পর আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানায়, শিফার শরীরে ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। সেই অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলো।
শিফা কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার নওগাঁ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে ছিলেন। তার স্বামী সোহেল একই উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে স্বামীকে নিয়ে বড়বাগে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন শিফা।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
মৃতার বাবা জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ হলো, সোহেল ও শিফা দুজনেই গার্মেন্টেসে কাজ করতো। আট মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। সেই সময় সোহেলের দাবি ছিল, ছয় ভরি স্বর্ণ ও নগদ দুই লাখ টাকা দিতে হবে। সে সময় শিফাকে ৫ ভরি স্বর্ণ ও কিছু টাকা দেওয়া হয়েছিল। সোহেলের দাবি করা বাকি টাকাগুলো না দিতে পারায় শিফার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানালেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন