বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:১৮ এম
দরিদ্র ও অসহায় নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে নোয়াখালীতে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদী। সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় নারীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়। সেলাই মেশিন পেয়ে উপকারভোগী নারীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ের একটি হলরুমে এ সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর সভাপতি লায়ন্স শাহাদাত হোসেন, ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বাদল, নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর পরিচালক আকবর হোসেন সোহাগ, পরিচালক মো.হাসান এবং অ্যাডভোকেট কাজলসহ অন্যরা।
সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অসচ্ছল নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ সুগম করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একটি সেলাই মেশিনের মাধ্যমে নারীরা ঘরে বসেই পোশাক তৈরি, কাপড় সেলাই ও বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করতে পারবেন। এতে তাদের পারিবারিক আয়ে অবদান রাখার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সংকট মোকাবিলায় সহায়তা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সেলাই মেশিন পাওয়া নারীরা এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগও তৈরি করে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও কাজের পরিবেশ পেলে তারা সেলাইয়ের কাজের মাধ্যমে নিয়মিত আয় করতে পারবেন এবং পরিবারের ভরণপোষণে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর সদস্যরা জানান, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে তারা পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজেরাই আয় করতে পারবেন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে সেলাই মেশিন বিতরণের মতো মানবিক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হায়দরাবাদের নতুন উইকেটে আবারও রানের বন্যার দেখা মিলেছে। ভারতকে ২৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে দেওয়া হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল স্বস্তিতে। ইতিহাস তখন বিপক্ষের কথা বলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তারা সবকিছুকে অগ্রাহ্য করে ভারতকে আটকে দিয়েছে ২২৩ রানে। ২৪ রানের একটি দারুণ জয় নিয়ে তারা সিরিজে ২-২ সমতা এনেছে। শেষ ম্যাচটিকে ‘ফাইনালে’ রূপান্তরিত করেছে দলটি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন অধিনায়ক শাই হোপ। চলতি সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই ব্যাটার এই ম্যাচেও সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ৫০ বলে তিনি অপরাজিত ১০২ রান করেন। তার এই ইনিংসের জন্য তিনি ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।
হোপকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন শেরফেন রাদারফোর্ড। তিনি ২৬ বলে অপরাজিত ৪৯ রান করেন, যেখানে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা। শিমরন হেটমায়ার মাত্র ১২ বলে ৩৩ রান করেন। ওপেনার জুয়েল অ্যান্ড্রু ১৬ বলে ২১ রান করেন। রভম্যান পাওয়েল ১৭ বলে ২৪ রান করেন।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে ভারতের শুরুটা ছিল দারুণ। সাঞ্জু স্যামসন ২৩ বলে ৫৬ রান করেন। তবে কিমো পলের বলে হেটমায়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। ইশান কিশান এরপর বেশি দূর এগোতে পারেননি এবং ৬ রানে আউট হন।
এরপর মাঝের ওভারগুলোতে ভারত গতি হারাতে শুরু করে। অভিষেক শর্মা ২৪ বলে ২৯ রান করেন। শ্রেয়াস আইয়ার ১১ বলে ১৬ রান করেন। নমন ধির প্রথম বলেই স্ট্যাম্পড হয়ে শূন্য রানে ফিরে যান। গুডাকেশ মোটি ২ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।
তিলক বর্মা ও নীতীশ রেড্ডি ভারতকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। তিলক ২৫ বলে ৪৩ রান করেন। নীতীশ ২০ বলে ৪১ রান করেন। কিন্তু দুজন আউট হওয়ার পর ভারতের আশা শেষ হয়ে যায়। অর্শদীপ সিং চোট পেয়ে ৫ রানে অবসর নেন। মায়াঙ্ক যাদব অপরাজিত থাকেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিংয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন কিমো পল। তিনি ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। মূলত তিনিই ভারতকে ধসিয়ে ম্যাচে ফেরান উইন্ডিজকে। যার ফলে ক্যারিবীয়রা শেষমেশ মাঠ ছেড়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাসান মাহমুদ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছিলেন। সেই ফর্ম তিনি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আবুধাবি টেস্টেও বজায় রেখেছেন। এর ফলস্বরূপ, এবার তিনি আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র্যাংকিংয়ে উন্নতি লাভ করেছেন। বর্তমানে তিনি ক্যারিয়ার-সেরা অবস্থানে অবস্থান করছেন। হাসানের পাশাপাশি ইবাদত হোসেন এবং মেহেদী হাসান মিরাজের অবস্থানেও উন্নতি ঘটেছে। এদিকে ব্যাটারদের মধ্যে লিটন দাস এবং তানজিদ হাসানদের অবস্থানও উন্নত হয়েছে।
বুধবার র্যাংকিং হালনাগাদ করা হয়েছে। বোলারদের তালিকায় হাসান বর্তমানে ৩৮ নম্বরে অবস্থান করছেন। তিনি সাত ধাপ এগিয়েছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে হাসান হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ উইকেট দখল করেন। টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে তিনি হ্যাটট্রিকের কৃতিত্ব অর্জন করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি একটি উইকেট লাভ করেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্স তার র্যাংকিংয়ে অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
ইবাদত হোসেন দুই ইনিংসে মোট সাত উইকেট দখল করেছেন। প্রথম ইনিংসে তার শিকার ছিল চারটি উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি তিনটি উইকেট লাভ করেন। এর ফলে তিনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৬৭তম স্থানে পৌঁছেছেন।
ম্যাচে চার উইকেট দখল করা মিরাজ এক ধাপ এগিয়ে ২২ নম্বরে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তার ওপরে অবস্থান করছেন শুধুমাত্র তাইজুল ইসলাম। তাইজুল তিন ধাপ পিছিয়ে বর্তমানে ১৮তম স্থানে রয়েছেন।
ব্যাটারদের র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য সুখবর এসেছে। লিটন প্রথম ইনিংসে ৫৩ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১০২ রান করেছেন। তিনি তিন ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৯তম স্থানে পৌঁছেছেন। প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা তানজিদ হাসান ১০ ধাপ এগিয়ে ৯২তম স্থানে অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে, মুশফিকুর রহিম এবং নাজমুল হোসেন শান্ত এক ধাপ করে পিছিয়ে গেছেন। মুশফিক বর্তমানে ১৮তম স্থানে নেমে গেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই শীর্ষে রয়েছেন। অধিনায়ক শান্তর অবস্থান ২১তম।
টেস্ট অলরাউন্ডারদের তালিকায় মিরাজ তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। তার ওপরে অবস্থান করছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো ইয়ানসেন এবং ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের মন্তব্য, ‘মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো যায় না’ এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন একটি ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ আত্মপ্রকাশ করেছে, যার নাম ‘মাছি জনতা পার্টি’ (এমজেপি)। ইনস্টাগ্রামভিত্তিক এই প্ল্যাটফর্মটি মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ৪০ লাখের বেশি ভিউ এবং ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি অনুসারী অর্জন করেছে।
এমজেপি তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে জানায়, তারা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র সঙ্গে যৌথ কর্মসূচির সম্ভাবনা পরীক্ষা করছে। সম্প্রতি যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারী নেহা বোরার প্রতি সংহতি জানিয়ে এবং সিজেপির দুই নেতাকে আটকের সমালোচনা করে পৃথক বিবৃতি প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
মাছি জনতা পার্টি কী
মাছি জনতা পার্টি মূলত ইনস্টাগ্রামকেন্দ্রিক একটি ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। ডিজিটাল রেকর্ড অনুযায়ী, যদিও অ্যাকাউন্টটি ২০২১ সালের জুনে তৈরি হয়েছিল, তবুও এটি অন্তত আটবার নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে ‘makhijantaparty.ig’ নাম ব্যবহার করছে।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে আর্যন নামের এক শিক্ষার্থী নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন। সম্প্রতি সংগঠনটির পক্ষ থেকে একজন মুখপাত্র নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
এমজেপির জন্ম যেভাবে
গত ৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এই পিটিশনে সিজেপির ১০ অক্টোবরের প্রস্তাবিত দিল্লি অচল কর্মসূচির আগে রাজধানীতে ইন্টারনেট, মেট্রো ও ট্রেন চলাচলে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করা হয়।
শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নিরাপত্তার প্রয়োজনে গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণের কথা উল্লেখ করে বলেন, তবে পুরো ব্যবস্থা অচল করে দেয়া যায় না। এ সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘একটা মাছি মারতে তো আর হাতুড়ি ব্যবহার করা চলে না।’
এমজেপি প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যঙ্গাত্মক প্রচার শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে সংগঠনটি লেখে, ‘খোদ প্রধান বিচারপতিই যখন বলেছেন মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহার করা যাবে না, তখন সেই মাছিই এবার গর্জে উঠে বলছে, সে-ও কারও চেয়ে কম নয়!’
নেপথ্যে ককরোচ জনতা পার্টি
এর আগে গত মে মাসে একটি শুনানির সময় বেকার তরুণদের একাংশকে ‘ককরোচ’ বা আরশোলার সঙ্গে তুলনা করার অভিযোগ ওঠে শীর্ষ আদালতের বিরুদ্ধে। এরপরই ককরোচ জনতা পার্টি ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
পরে এই প্ল্যাটফর্মটি বড় পরিসরে পরিচিতি লাভ করে। পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তরে আন্দোলন করে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই আন্দোলনের ফলস্বরূপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়।
সম্প্রতি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে জমায়েতের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন না করা এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দিল্লি পুলিশ কর্মসূচির অনুমতি বাতিল করে।
নেহা বোরা ও আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে এমজেপি। সংগঠনটি আইন মেনে দায়িত্বশীলভাবে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে জোর করে প্রবেশ করে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অভিযোগে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করে পুলিশ। তাদের আটকের নিন্দা জানিয়ে এমজেপি প্রশ্ন তুলেছে, ‘যন্তর মন্তরের মতো নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলেই যদি কথা বলতে দেয়া না হয়, তবে গণতন্ত্রের অর্থ কী?’
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ছেলে ফারদিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়েছেন। তবে এই খবরগুলোকে বানোয়াট বলে দাবি করেছেন ওমর সানী ও ফারদিন।
সামাজিক মাধ্যমে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত ঘটেছে কিছু ভিডিওর মাধ্যমে, যেখানে বলা হচ্ছে, মায়ের সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়ে ফারদিন এহেসান স্বাধীন তাকে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। কিন্তু ওমর সানী সরাসরি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
রাজধানীর বিএফডিসিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন এই চিত্রনায়ক। তিনি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো খবরগুলোকে বানোয়াট উল্লেখ করে বলেন, "তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযথা খোঁচাখুঁচি করা ঠিক নয়।" তিনি আরও জানান, যদি সংশ্লিষ্ট পোস্টগুলো সরিয়ে না নেয়া হয়, তাহলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে, মাকে নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এবার সরব হয়েছেন ছেলে ফারদিনও। ভিডিওকলে নিজের বক্তব্যে তিনি জানান, কাজের কারণে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় থাকলেও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে তাদের মধ্যে।
ফারদিন দাবি করেন, "প্রতিদিনই গ্রুপ ভিডিওকলে যুক্ত হন পরিবারের সবাই।" তিনি বলেন, মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া কিংবা সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি সংশ্লিষ্ট পেজগুলোকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
এভাবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুজবের প্রতিবাদ জানিয়ে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটছেন ওমর সানী ও ফারদিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ